ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর করতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষা একটি জাতির সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। তাই প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর ও বিজ্ঞানমনস্ক করতে সরকার কাজ করছে।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ব্র্যাক এবং লেগো ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক স্তর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনী চিন্তার ভিত্তি তৈরি করতে খেলার মাধ্যমে শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (স্টেম) শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে শিক্ষাই হবে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ, আর সেই বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হবে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়ন করে, যা একটি জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই প্রাথমিক থেকেই শিক্ষার্থীদের স্টেম বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বেছে নিতে পারে।

তিনি বলেন, সরকার শুধু সরকারি বিদ্যালয় নয়, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, মাদরাসাসহ সব ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম শিক্ষার মান নির্ধারণে কাজ করছে। শিক্ষক, পাঠ্যক্রম, অবকাঠামো ও শিক্ষার গুণগত মান সব ক্ষেত্রেই একটি জাতীয় মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষায় ভাষা, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের শেখার অর্জন এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এ বাস্তবতা পরিবর্তনে সরকার শিক্ষা সংস্কার, যুগোপযোগী কারিকুলাম, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, প্লে-বেইজড লার্নিং এবং স্টেম ভিত্তিক শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর করতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৩০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষা একটি জাতির সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। তাই প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর ও বিজ্ঞানমনস্ক করতে সরকার কাজ করছে।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ব্র্যাক এবং লেগো ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক স্তর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনী চিন্তার ভিত্তি তৈরি করতে খেলার মাধ্যমে শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (স্টেম) শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে শিক্ষাই হবে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ, আর সেই বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হবে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়ন করে, যা একটি জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই প্রাথমিক থেকেই শিক্ষার্থীদের স্টেম বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বেছে নিতে পারে।

তিনি বলেন, সরকার শুধু সরকারি বিদ্যালয় নয়, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, মাদরাসাসহ সব ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম শিক্ষার মান নির্ধারণে কাজ করছে। শিক্ষক, পাঠ্যক্রম, অবকাঠামো ও শিক্ষার গুণগত মান সব ক্ষেত্রেই একটি জাতীয় মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষায় ভাষা, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের শেখার অর্জন এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এ বাস্তবতা পরিবর্তনে সরকার শিক্ষা সংস্কার, যুগোপযোগী কারিকুলাম, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, প্লে-বেইজড লার্নিং এবং স্টেম ভিত্তিক শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।