ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সংসদ সদস্যদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: স্পিকার ‘বন্যা কবলিত মানুষের পুনর্বাসনে রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিতে হবে’:গাজী আতাউর রহমান সরকারের মোট ঋণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী ডিএসইর লেনদেন ১৬৬৯ কোটি টাকা ছাড়াল সাত জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ, মৃত্যু ৫১ ভাঙ্গায় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা: মামলা হয়নি, ব্রেক ফেলকেই কারণ বলছে পুলিশ জলাবদ্ধ মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আমাদের সবাইকে দৌড়ের উপরে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী গুণগত ও পরিকল্পিত জনসংখ্যা একটি দেশের প্রধান সম্পদ ও শক্তি: রাষ্ট্রপতি দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না : অর্থমন্ত্রী

আমাদের সবাইকে দৌড়ের উপরে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেছেন, দুর্যোগের সার্বিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই মনিটরিং করছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্যসহ ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সবাই কাজ করছি। তিনি আমাদের সবাইকে দৌড়ের উপরে রেখেছেন। কোথায় কী করলে ভালো হবে তিনি সে বিষয়ে নির্দেশনা দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী সব মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম অবহিত আছেন।

রাঙামাটি শহরের ভেদভেদীদে লোকনাথ ব্রক্ষচারী আশ্রমের হলরুম সংলগ্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে শনিবার রাতে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড় ধস এবং বন্যাকবলিত এলাকার অসহায় মানুষের যতদিন সহযোগিতা লাগে, সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে। তিন মাস লাগলে তিন মাস ধরেই সহায়তা দেবে সরকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হবে। এ বিষয়ে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ আমাদের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগের বন্যা পরিস্থিতি দেখভাল করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে সেখানে পাঠিয়েছেন। তিনি চট্টগ্রামে আগামী ৬-৭ দিন থাকবেন। যতদিন লাগে তিনি চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার সার্বিক বিষয় মনিটরিং করবেন।

তিনি বলেন, তিন পার্বত্য জেলাসহ পাঁচটি জেলার পরিস্থিতি দেখা এবং এ বিষয়ে রিপোর্ট প্রদানের জন্য আমাকে পাঠানো হয়েছে। এখানে এসে দেখলাম টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে অনেক ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি মোটামুটি সামাল দিতে পেরেছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনে আরো ত্রাণ সহায়তা দিতে প্রস্তুত। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, পানি কমলে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে কী করা যায় তা আমরা স্থানীয় প্রশাসনসহ সবার সাথে বসে সমাধানের চেষ্টা করবো।

রাঙামাটি ২৯৯ সংসদীয় আসনের সাংসদ দীপেন দেওয়ান এমপি, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রুহুল আমীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভুঁইয়া এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হোসেইন আরও বলেন, দুর্যোগ এবং বন্যার প্রকোপটা এখন যে আমরা দেখছি, এটা তো একদিনে হয়নি। হ্রদের নাব্যতা তো একদিনে কমে না। এটা নিয়ে আমরা আগে চিন্তা করি নাই। এটা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। প্রকৃতির উপর হাত দিয়ে মানুষ প্রকৃতি ধ্বংস করেছে। তাই এই সংকট মোকাবেলা করা আমাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এই সংকট মোকাবিলায় আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন। পরে সবার মধ্যে খাবার বিতরণ করেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়ি জেলা পরিদর্শন করে শনিবার রাতে রাঙামাটির আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সংসদ সদস্যদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: স্পিকার

আমাদের সবাইকে দৌড়ের উপরে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৫৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেছেন, দুর্যোগের সার্বিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই মনিটরিং করছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্যসহ ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সবাই কাজ করছি। তিনি আমাদের সবাইকে দৌড়ের উপরে রেখেছেন। কোথায় কী করলে ভালো হবে তিনি সে বিষয়ে নির্দেশনা দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী সব মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম অবহিত আছেন।

রাঙামাটি শহরের ভেদভেদীদে লোকনাথ ব্রক্ষচারী আশ্রমের হলরুম সংলগ্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে শনিবার রাতে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড় ধস এবং বন্যাকবলিত এলাকার অসহায় মানুষের যতদিন সহযোগিতা লাগে, সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে। তিন মাস লাগলে তিন মাস ধরেই সহায়তা দেবে সরকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হবে। এ বিষয়ে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ আমাদের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগের বন্যা পরিস্থিতি দেখভাল করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে সেখানে পাঠিয়েছেন। তিনি চট্টগ্রামে আগামী ৬-৭ দিন থাকবেন। যতদিন লাগে তিনি চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার সার্বিক বিষয় মনিটরিং করবেন।

তিনি বলেন, তিন পার্বত্য জেলাসহ পাঁচটি জেলার পরিস্থিতি দেখা এবং এ বিষয়ে রিপোর্ট প্রদানের জন্য আমাকে পাঠানো হয়েছে। এখানে এসে দেখলাম টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে অনেক ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি মোটামুটি সামাল দিতে পেরেছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনে আরো ত্রাণ সহায়তা দিতে প্রস্তুত। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, পানি কমলে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে কী করা যায় তা আমরা স্থানীয় প্রশাসনসহ সবার সাথে বসে সমাধানের চেষ্টা করবো।

রাঙামাটি ২৯৯ সংসদীয় আসনের সাংসদ দীপেন দেওয়ান এমপি, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রুহুল আমীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভুঁইয়া এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হোসেইন আরও বলেন, দুর্যোগ এবং বন্যার প্রকোপটা এখন যে আমরা দেখছি, এটা তো একদিনে হয়নি। হ্রদের নাব্যতা তো একদিনে কমে না। এটা নিয়ে আমরা আগে চিন্তা করি নাই। এটা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। প্রকৃতির উপর হাত দিয়ে মানুষ প্রকৃতি ধ্বংস করেছে। তাই এই সংকট মোকাবেলা করা আমাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এই সংকট মোকাবিলায় আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন। পরে সবার মধ্যে খাবার বিতরণ করেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়ি জেলা পরিদর্শন করে শনিবার রাতে রাঙামাটির আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।