ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সরকারি দপ্তর ও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পে তিনি দলীয় কোনো সিন্ডিকেট চান না। বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় দলের নেতাকর্মীরা কিছু সুবিধা পেতে পারেন, তবে এমন কোনো সুবিধা দেওয়া হবে না, যাতে সরকারের বদনাম হয়।

শুক্রবার ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, কোনো চাঁদাবাজ হাসপাতালে এসে চাঁদাবাজি করলে তা হয়তো তার ব্যক্তিগত লাভের বিষয় হতে পারে, কিন্তু এর দায় সরকার নেবে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে সরকারের ওপর যে কালিমা লাগবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, সম্প্রতি বরিশালে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে জোরপূর্বক একজনকে ব্যাংকের চেক বইতে সই করে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু সরকার রাত পার হতে দেয়নি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, অপরাধী সে দলের যত বড় নেতাই হোক না কেন, তার পরিচয় একটাই, সে অপরাধী। কেউ যদি মনে করেন, আওয়ামী লীগ লুটপাট করেছে আর সেই খালি জায়গায় গিয়ে তিনি নিজে বসবেন, তাহলে তিনি ভুলের স্বর্গে বাস করছেন। এ ধরনের ভুল ধারণার মধ্যে না থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দলের বদনাম হয়, এমন কোনো কাজ কোনো দলীয় নেতাকর্মীর কাছ থেকে মেনে নেওয়া হবে না।

শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ৫০ শয্যার এ হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, হাসপাতালে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এ জনপদের মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদ আল মামুন।

এছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:২৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সরকারি দপ্তর ও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পে তিনি দলীয় কোনো সিন্ডিকেট চান না। বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় দলের নেতাকর্মীরা কিছু সুবিধা পেতে পারেন, তবে এমন কোনো সুবিধা দেওয়া হবে না, যাতে সরকারের বদনাম হয়।

শুক্রবার ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, কোনো চাঁদাবাজ হাসপাতালে এসে চাঁদাবাজি করলে তা হয়তো তার ব্যক্তিগত লাভের বিষয় হতে পারে, কিন্তু এর দায় সরকার নেবে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে সরকারের ওপর যে কালিমা লাগবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, সম্প্রতি বরিশালে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে জোরপূর্বক একজনকে ব্যাংকের চেক বইতে সই করে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু সরকার রাত পার হতে দেয়নি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, অপরাধী সে দলের যত বড় নেতাই হোক না কেন, তার পরিচয় একটাই, সে অপরাধী। কেউ যদি মনে করেন, আওয়ামী লীগ লুটপাট করেছে আর সেই খালি জায়গায় গিয়ে তিনি নিজে বসবেন, তাহলে তিনি ভুলের স্বর্গে বাস করছেন। এ ধরনের ভুল ধারণার মধ্যে না থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দলের বদনাম হয়, এমন কোনো কাজ কোনো দলীয় নেতাকর্মীর কাছ থেকে মেনে নেওয়া হবে না।

শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ৫০ শয্যার এ হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, হাসপাতালে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এ জনপদের মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদ আল মামুন।

এছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।