ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ, ইউরেনিয়াম চুক্তিতে সই করল ভারত-অস্ট্রেলিয়া খামেনির শেষযাত্রার পথে মার্কিন হামলা, রেলসেতু ধ্বংসের পর বন্ধ ট্রেন চলাচল বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি কিছুটা শ্লথ হলেও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে : এডিবি আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী তুরস্কের সঙ্গে যৌথ ড্রোন কারখানা হবে বগুড়ায় : এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে দখলমুক্ত করে সুশৃঙ্খল করা হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় নতুন করে ইরানের হামলা ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে সিরিয়াসলি চিন্তা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের ১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে সেবার পরিধি বাড়ানো হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বান্দরবানে পাহাড়ধসে দুই পরিবারের ৫ জন নিহত

বান্দরবানে পাহাড়ধসে দুই পরিবারের ৫ জন নিহত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে বান্দরবানের লামা উপজেলায় আলাদা পাহাড়ধসের ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) এলাকায় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে এই দুর্ঘটনা দুটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন এবং অন্য ঘটনায় এক দম্পতি রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে প্রথম পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পাহাড়ের মাটি ধসে একটি বসতঘরের ওপর পড়লে ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের মো. ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫) এবং তাদের ৫ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একই এলাকায় আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে একতলা পাকা ঘরের দেয়াল ও মাটির নিচে চাপা পড়ে মারা যান স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫)।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানান, একই এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে লামাসহ বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগও ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হলেও অনেকেই এখনও সেখানে যেতে অনাগ্রহী। অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন উপজেলার সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সংযোগ ও নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হওয়াতে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ঘিরে বিতর্কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ফিফা

বান্দরবানে পাহাড়ধসে দুই পরিবারের ৫ জন নিহত

আপডেট সময় ১২:১০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে বান্দরবানের লামা উপজেলায় আলাদা পাহাড়ধসের ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) এলাকায় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে এই দুর্ঘটনা দুটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন এবং অন্য ঘটনায় এক দম্পতি রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে প্রথম পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পাহাড়ের মাটি ধসে একটি বসতঘরের ওপর পড়লে ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের মো. ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫) এবং তাদের ৫ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একই এলাকায় আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে একতলা পাকা ঘরের দেয়াল ও মাটির নিচে চাপা পড়ে মারা যান স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫)।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানান, একই এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে লামাসহ বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগও ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হলেও অনেকেই এখনও সেখানে যেতে অনাগ্রহী। অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন উপজেলার সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সংযোগ ও নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হওয়াতে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।