ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ প্রতিটি ক্লাশরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, শ্রেণিকক্ষেই স্কুলছাত্রের বিষপান খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম জুলাইয়ের ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা দেশে ফিরলে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে: রুমিন ফারহানা ‘বিশ্বমানের প্রাথমিক শিক্ষা গড়তে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার’ প্রধানমন্ত্রীর সৌদি সফরে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন গতির সঞ্চার হবে : হুমায়ুন কবির প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী

ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে মাত্র ১৪২ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমেও পারলেন না বাংলাদেশের ব্যাটাররা। ব্যাটিং ব্যর্থতায় তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সবকয়টি উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলতে পেরেছে মাত্র ১১৬ রান।

সোমবার টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে জিম্বাবুয়ে। শুরুটা ভালোভাবে করলেও সেটা অব্যাহত রাখতে পারেনি। সপ্তম ওভারে প্রথম উইকেট হারায় দলটি। মিড অফে বল পাঠিয়ে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হন বেন কারান। মেহেদী হাসান মিরাজের সরাসরি থ্রোতে ভাঙে ৩৬ রানের উদ্বোধনী জুটি।

পরের ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। প্রথমে ২৪ বলে ১৭ রান করা ব্রায়ান বেনেট ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন, এরপর এক বল পরই গোল্ডেন ডাকের শিকার হন ক্রেইগ আরভিন।

জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ধস আরও বাড়ান নাহিদ রানা। ১২ বলে ১ রান করা সিকান্দার রাজাকে উইকেটকিপার নুরুল হাসান সোহানের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। এক ওভার পর আবারও উইকেট পান নাহিদ, এবার তার শিকার হন ওয়েসলি মাধেবেরে, তিনি ১০ বল খেলেও কোনো রান করতে পারেননি।

এদিন নাহিদের সামনে রীতিমতো অসহায় ছিল জিম্বাবুয়ে। তার গতি আর বাউন্সে ব্যর্থ হয়েছেন একের পর এক ব্যাটসম্যান। তিনি ১০ ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে নিয়েছেন ৬ উইকেট। তার বোলিং তোপে মাত্র ৩৬.৪ ওভারে ১৪১ রানে শেষ হয় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন নিউম্যান।

জবাবে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা। পরে তাওহিদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন।

একপর্যায়ে দলীয় ৬৪ রানে পতন হয় চতুর্থ উইকেটের। হৃদয় ২৫ রানে আউট হলে গুরুত্বপূর্ণ এই জুটি ভেঙে যায়। তার আউটের পর সোহান এক প্রান্ত আগলে রাখার চেষ্টা করলেও অন্য ব্যাটাররা কেউ ক্রিজে দাঁড়াতে পারেননি। যাওয়া-আসার মিছিলে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৩৩.১ ওভারে ১১৬ রানে অলআউট হয়। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন সোহান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ

ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৮:০৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে মাত্র ১৪২ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমেও পারলেন না বাংলাদেশের ব্যাটাররা। ব্যাটিং ব্যর্থতায় তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সবকয়টি উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলতে পেরেছে মাত্র ১১৬ রান।

সোমবার টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে জিম্বাবুয়ে। শুরুটা ভালোভাবে করলেও সেটা অব্যাহত রাখতে পারেনি। সপ্তম ওভারে প্রথম উইকেট হারায় দলটি। মিড অফে বল পাঠিয়ে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হন বেন কারান। মেহেদী হাসান মিরাজের সরাসরি থ্রোতে ভাঙে ৩৬ রানের উদ্বোধনী জুটি।

পরের ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। প্রথমে ২৪ বলে ১৭ রান করা ব্রায়ান বেনেট ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন, এরপর এক বল পরই গোল্ডেন ডাকের শিকার হন ক্রেইগ আরভিন।

জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ধস আরও বাড়ান নাহিদ রানা। ১২ বলে ১ রান করা সিকান্দার রাজাকে উইকেটকিপার নুরুল হাসান সোহানের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। এক ওভার পর আবারও উইকেট পান নাহিদ, এবার তার শিকার হন ওয়েসলি মাধেবেরে, তিনি ১০ বল খেলেও কোনো রান করতে পারেননি।

এদিন নাহিদের সামনে রীতিমতো অসহায় ছিল জিম্বাবুয়ে। তার গতি আর বাউন্সে ব্যর্থ হয়েছেন একের পর এক ব্যাটসম্যান। তিনি ১০ ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে নিয়েছেন ৬ উইকেট। তার বোলিং তোপে মাত্র ৩৬.৪ ওভারে ১৪১ রানে শেষ হয় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন নিউম্যান।

জবাবে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা। পরে তাওহিদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন।

একপর্যায়ে দলীয় ৬৪ রানে পতন হয় চতুর্থ উইকেটের। হৃদয় ২৫ রানে আউট হলে গুরুত্বপূর্ণ এই জুটি ভেঙে যায়। তার আউটের পর সোহান এক প্রান্ত আগলে রাখার চেষ্টা করলেও অন্য ব্যাটাররা কেউ ক্রিজে দাঁড়াতে পারেননি। যাওয়া-আসার মিছিলে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৩৩.১ ওভারে ১১৬ রানে অলআউট হয়। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন সোহান।