ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শুরু হয়েছে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আজ শুক্রবার ভোর থেকেই শোকাবহ পরিবেশের মধ্য দিয়ে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং তার সহযোগীদের দাফন প্রক্রিয়া অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত ৪০ দিনের যুদ্ধের শুরুর দিন মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হন। তার এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক প্রয়াণে পুরো ইরানে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। আজ ভোরেই এই নেতার মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লার মূল প্রার্থনা কক্ষে নিয়ে আসা হয়, যেখানে দুই দিনব্যাপী সাধারণ জনগণের শেষ বিদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আজ প্রথম দিনেই মরহুম নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছেন ইন্দোনেশিয়া ও আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় পণ্ডিত এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। পাশাপাশি ইরানের স্বীকৃত ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও এই শোকযাত্রায় শামিল হয়েছেন। এছাড়া রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদল ইতিমধ্যে তেহরানে এসে পৌঁছেছেন। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আয়াতুল্লাহ খামেনির কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধে শহীদ হওয়া পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি ব্যক্তিগত বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

এই ঐতিহাসিক ও শোকাবহ মুহূর্তে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় দলমত, জাতি ও ধর্ম নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে এই জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বীর ইরান যখন ইসলাম ও বিপ্লবের এই পরম সেবককে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন জাতীয় ঐক্য এবং ইসলামি ব্যবস্থার সুউচ্চ আদর্শের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করে সবাইকে ঐতিহাসিক সংখ্যায় উপস্থিত হতে হবে।

ঘোষিত সময়সূচী অনুযায়ী, আগামী শনিবার ও রবিবার মোসাল্লায় সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সোমবার তেহরানে মূল জানাজা ও বিশাল শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ পবিত্র শহর কোমে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখান থেকে ইরাকের বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফে বিশেষ ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৯ জুলাই ইরানের মাশহাদ শহরে এই মহান নেতার দাফন সম্পন্ন হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

শুরু হয়েছে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা

আপডেট সময় ১২:১০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আজ শুক্রবার ভোর থেকেই শোকাবহ পরিবেশের মধ্য দিয়ে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং তার সহযোগীদের দাফন প্রক্রিয়া অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত ৪০ দিনের যুদ্ধের শুরুর দিন মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হন। তার এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক প্রয়াণে পুরো ইরানে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। আজ ভোরেই এই নেতার মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লার মূল প্রার্থনা কক্ষে নিয়ে আসা হয়, যেখানে দুই দিনব্যাপী সাধারণ জনগণের শেষ বিদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আজ প্রথম দিনেই মরহুম নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছেন ইন্দোনেশিয়া ও আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় পণ্ডিত এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। পাশাপাশি ইরানের স্বীকৃত ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও এই শোকযাত্রায় শামিল হয়েছেন। এছাড়া রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদল ইতিমধ্যে তেহরানে এসে পৌঁছেছেন। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আয়াতুল্লাহ খামেনির কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধে শহীদ হওয়া পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি ব্যক্তিগত বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

এই ঐতিহাসিক ও শোকাবহ মুহূর্তে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় দলমত, জাতি ও ধর্ম নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে এই জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বীর ইরান যখন ইসলাম ও বিপ্লবের এই পরম সেবককে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন জাতীয় ঐক্য এবং ইসলামি ব্যবস্থার সুউচ্চ আদর্শের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করে সবাইকে ঐতিহাসিক সংখ্যায় উপস্থিত হতে হবে।

ঘোষিত সময়সূচী অনুযায়ী, আগামী শনিবার ও রবিবার মোসাল্লায় সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সোমবার তেহরানে মূল জানাজা ও বিশাল শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ পবিত্র শহর কোমে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখান থেকে ইরাকের বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফে বিশেষ ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৯ জুলাই ইরানের মাশহাদ শহরে এই মহান নেতার দাফন সম্পন্ন হবে।