ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আইভরি কোস্টে ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৫৯

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

আইভরি কোস্টে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বন্যায় অন্তত ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণহানির আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা কর্তৃপক্ষের।

বুধবার (১ জুলাই) দেশটির সরকারের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক ভারি বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনা আরও বেড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজধানী আবিদজানে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সরকারের মুখপাত্র আমাদু কুলিবালি সাংবাদিকদের বলেন, চলতি বছরে বন্যায় ৫৯ জনের প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তবে সর্বশেষ বন্যায় ঠিক কতজন মারা গেছেন, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি।

সোমবার ঘানা ও আইভরি কোস্টের রাজধানী এলাকায় কয়েক দিনের টানা ভারি বৃষ্টির কারণে বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে দুই দেশ মিলিয়ে অন্তত ২৪ জন নিহত হন এবং আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।

ঘানার রাজধানী আক্রায় বন্যার পানিতে বহু সড়ক ও ভবন তলিয়ে যায়। এতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পার্শ্ববর্তী তেমা শহরেও একই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

আইভরি কোস্টে কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিতে রাজধানী আবিদজানের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। দেশটির জাতীয় সংহতি বিষয়ক মন্ত্রী মাইস বেলমন্দে দোগোর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বন্যায় ১২ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই আবিদজানের আতেকুবে ও ইয়োপুগন পৌর এলাকার বাসিন্দা।

সরকারের মুখপাত্র আমাদু কুলিবালি নাগরিকদের সরকারি নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি সরকার যেসব এলাকাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেখান থেকে দ্রুত সরে যাওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) তথ্য অনুযায়ী, আফ্রিকা বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি, যেখানে চরম আবহাওয়ার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। অথচ বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে মহাদেশটির অবদান তুলনামূলকভাবে খুবই কম। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে প্রতিবছরই প্রাণঘাতী বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ঘটছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আইভরি কোস্টে ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৫৯

আপডেট সময় ১১:৫০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

আইভরি কোস্টে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বন্যায় অন্তত ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণহানির আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা কর্তৃপক্ষের।

বুধবার (১ জুলাই) দেশটির সরকারের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক ভারি বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনা আরও বেড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজধানী আবিদজানে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সরকারের মুখপাত্র আমাদু কুলিবালি সাংবাদিকদের বলেন, চলতি বছরে বন্যায় ৫৯ জনের প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তবে সর্বশেষ বন্যায় ঠিক কতজন মারা গেছেন, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি।

সোমবার ঘানা ও আইভরি কোস্টের রাজধানী এলাকায় কয়েক দিনের টানা ভারি বৃষ্টির কারণে বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে দুই দেশ মিলিয়ে অন্তত ২৪ জন নিহত হন এবং আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।

ঘানার রাজধানী আক্রায় বন্যার পানিতে বহু সড়ক ও ভবন তলিয়ে যায়। এতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পার্শ্ববর্তী তেমা শহরেও একই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

আইভরি কোস্টে কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিতে রাজধানী আবিদজানের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। দেশটির জাতীয় সংহতি বিষয়ক মন্ত্রী মাইস বেলমন্দে দোগোর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বন্যায় ১২ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই আবিদজানের আতেকুবে ও ইয়োপুগন পৌর এলাকার বাসিন্দা।

সরকারের মুখপাত্র আমাদু কুলিবালি নাগরিকদের সরকারি নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি সরকার যেসব এলাকাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেখান থেকে দ্রুত সরে যাওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) তথ্য অনুযায়ী, আফ্রিকা বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি, যেখানে চরম আবহাওয়ার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। অথচ বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে মহাদেশটির অবদান তুলনামূলকভাবে খুবই কম। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে প্রতিবছরই প্রাণঘাতী বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ঘটছে।