ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

টাইগারদের হারিয়ে সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক : 

১৯৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মরণপণ লড়াই করল বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান আর পারভেজ হোসেন ইমনদের ব্যাটে জয়ের সুবাসও পাচ্ছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তের স্নায়ুচাপ আর ব্যাটিং ব্যর্থতায় তীরে এসে তরী ডুবল টাইগারদের। দ্বিতীয় টি২০তে বাংলাদেশকে ৭ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিল অস্ট্রেলিয়া।

চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ম্যাট রেনশর বিধ্বংসী ৮৯ এবং টিম ডেভিডের ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৫ উইকেটে ১৯৬ রানের পাহাড় গড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।

১৯৭ রানের বিশাল রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ যেভাবে শুরু করেছিল, তা ছিল অবিশ্বাস্য। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান মাত্র ২ ওভারেই স্কোরবোর্ডে তুলে ফেলেন ৩৩ রান। তবে এই বিধ্বংসী জুটি বেশি দূর এগোতে পারেনি। ৪র্থ ওভারে বোলিংয়ে এসে ১৫ বলে ৩০ রান করা তানজিদকে নিজের ফিরতি ক্যাচে পরিণত করে ব্রেক-থ্রু এনে দেন ম্যাট রেনশ। এরপর উইকেটে এসে সৌম্য সরকারও (৯ বলে ১৫) দ্রুত সাজঘরে ফিরলে ৭৭ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তৃতীয় উইকেটে সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে নিয়ে আসেন। ১২ ওভারেই বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২২ রান। কিন্তু থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি দুই ব্যাটারই। প্রথমে অ্যারন হার্ডির বলে কাভারে মিচেল মার্শের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৩৬ রান করা পারভেজ। এর কিছুক্ষণ পর বাঁহাতি স্পিনার জোয়েল ডেভিসের শিকার হন ৪২ রান করা সাইফ। দ্রুত এই দুই উইকেট পতনের পর কঠিন হয়ে পড়ে সমীকরণ। শেষ ৪ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৪৪ রান।

বাঁচা-মরার ম্যাচে শেষ দিকে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধীরগতির হয়ে যায়। শেষ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। ক্রিজে থাকা হৃদয় শেষ বল পর্যন্ত চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ব্যক্তিগত ৩৫ রানে ক্যাচ আউট হন তিনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।

আগামী ২১ জুন একই ভেন্যুতে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

টাইগারদের হারিয়ে সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় ০৫:৪০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক : 

১৯৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মরণপণ লড়াই করল বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান আর পারভেজ হোসেন ইমনদের ব্যাটে জয়ের সুবাসও পাচ্ছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তের স্নায়ুচাপ আর ব্যাটিং ব্যর্থতায় তীরে এসে তরী ডুবল টাইগারদের। দ্বিতীয় টি২০তে বাংলাদেশকে ৭ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিল অস্ট্রেলিয়া।

চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ম্যাট রেনশর বিধ্বংসী ৮৯ এবং টিম ডেভিডের ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৫ উইকেটে ১৯৬ রানের পাহাড় গড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।

১৯৭ রানের বিশাল রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ যেভাবে শুরু করেছিল, তা ছিল অবিশ্বাস্য। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান মাত্র ২ ওভারেই স্কোরবোর্ডে তুলে ফেলেন ৩৩ রান। তবে এই বিধ্বংসী জুটি বেশি দূর এগোতে পারেনি। ৪র্থ ওভারে বোলিংয়ে এসে ১৫ বলে ৩০ রান করা তানজিদকে নিজের ফিরতি ক্যাচে পরিণত করে ব্রেক-থ্রু এনে দেন ম্যাট রেনশ। এরপর উইকেটে এসে সৌম্য সরকারও (৯ বলে ১৫) দ্রুত সাজঘরে ফিরলে ৭৭ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তৃতীয় উইকেটে সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে নিয়ে আসেন। ১২ ওভারেই বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২২ রান। কিন্তু থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি দুই ব্যাটারই। প্রথমে অ্যারন হার্ডির বলে কাভারে মিচেল মার্শের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৩৬ রান করা পারভেজ। এর কিছুক্ষণ পর বাঁহাতি স্পিনার জোয়েল ডেভিসের শিকার হন ৪২ রান করা সাইফ। দ্রুত এই দুই উইকেট পতনের পর কঠিন হয়ে পড়ে সমীকরণ। শেষ ৪ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৪৪ রান।

বাঁচা-মরার ম্যাচে শেষ দিকে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধীরগতির হয়ে যায়। শেষ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। ক্রিজে থাকা হৃদয় শেষ বল পর্যন্ত চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ব্যক্তিগত ৩৫ রানে ক্যাচ আউট হন তিনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।

আগামী ২১ জুন একই ভেন্যুতে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।