ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হবে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপরিসর: ডেপুটি স্পিকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউকে আরও পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকাটিকে রাজধানীর একটি আদর্শ, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপরিসরে রূপান্তর করা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সংলগ্ন এলাকায় পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন জনসমাগমস্থল হিসেবে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অসংখ্য দর্শনার্থী, পথচারী, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ এখানে আসেন। তাই এ এলাকার পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকায় গণশৌচাগারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় দর্শনার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভ্রাম্যমাণ গণশৌচাগারগুলো ব্যবহার উপযোগী রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

কায়সার কামাল বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের অন্যতম স্থাপত্য নিদর্শন। এর আশপাশে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং অপরিকল্পিত বর্জ্য ফেলার প্রবণতা রোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয় নয়। এটি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ মশার প্রজনন বৃদ্ধি করে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এজন্য নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

ডেপুটি স্পিকার সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও সংসদ ভবন সংলগ্ন এলাকাকে আরও সবুজ ও পরিবেশসম্মত করে তুলতে সংসদ চত্বরের দেয়াল সংলগ্ন স্থান এবং উপযুক্ত খালি জায়গায় অধিকসংখ্যক বৃক্ষ, ফুল ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছপালা রোপণ করা হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য মনোরম ও ছায়াময় পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

পরিদর্শনকালে সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়াসহ গণপূর্ত অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হবে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপরিসর: ডেপুটি স্পিকার

আপডেট সময় ০৯:৫৫:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউকে আরও পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকাটিকে রাজধানীর একটি আদর্শ, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপরিসরে রূপান্তর করা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সংলগ্ন এলাকায় পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন জনসমাগমস্থল হিসেবে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অসংখ্য দর্শনার্থী, পথচারী, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ এখানে আসেন। তাই এ এলাকার পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকায় গণশৌচাগারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় দর্শনার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভ্রাম্যমাণ গণশৌচাগারগুলো ব্যবহার উপযোগী রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

কায়সার কামাল বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের অন্যতম স্থাপত্য নিদর্শন। এর আশপাশে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং অপরিকল্পিত বর্জ্য ফেলার প্রবণতা রোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয় নয়। এটি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ মশার প্রজনন বৃদ্ধি করে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এজন্য নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

ডেপুটি স্পিকার সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও সংসদ ভবন সংলগ্ন এলাকাকে আরও সবুজ ও পরিবেশসম্মত করে তুলতে সংসদ চত্বরের দেয়াল সংলগ্ন স্থান এবং উপযুক্ত খালি জায়গায় অধিকসংখ্যক বৃক্ষ, ফুল ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছপালা রোপণ করা হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য মনোরম ও ছায়াময় পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

পরিদর্শনকালে সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়াসহ গণপূর্ত অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।