ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সুইস ব্যাংক: ২০২৫ সালে বাংলাদেশিরা জমা রাখেন সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকে (এসএনবি) বাংলাদেশিদের আমানত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা। যার মধ্যে ২০২৫ সালেই জমা পড়ে ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বেশি। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এসএনবি।

সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের হিসাবে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্রাঁ। আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৯ কোটি সুইস ফ্রাঁ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশিদের আমানতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে।

বাংলাদেশে সুইস ফ্রাঁর ব্যবহার সীমিত হলেও বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রতি সুইস ফ্রাঁর মূল্য প্রায় ১৫২ থেকে ১৫৩ টাকা। প্রতি সুইস ফ্রাঁ ১৫২ টাকা ধরে হিসাব করলে, ২০২৫ সালের শেষে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের মোট জমা অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা।

সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশিদের আমানত বৃদ্ধির প্রায় পুরোটা এসেছে দেশের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে জমা রাখা অর্থ থেকে। ২০২৫ সালে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশি ব্যাংকগুলোর আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮২২ দশমিক ৭ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, যা ২০২৪ সালের ৫৭৬ দশমিক ৬ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁর তুলনায় প্রায় ৪৩ শতাংশ বেশি।

ফলে সুইস ব্যাংকে থাকা মোট বাংলাদেশি আমানতের ৯৮ দশমিক ৬ শতাংশই এখন ব্যাংকগুলোর নামে রাখা অর্থ। ২০২৪ সালে এই হার ছিল ৯৭ দশমিক ৮ শতাংশ। অথচ কয়েক বছর আগেও চিত্রটি ছিল ভিন্ন। ২০২৩ সালে মোট আমানতের মাত্র ২০ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ৩৫ শতাংশ ছিল ব্যাংকগুলোর নামে।

অন্যদিকে ব্যক্তি পর্যায়ের হিসাবগুলোতে রাখা অর্থের পরিমাণ কমেছে। ২০২৫ সালে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে থাকা আমানত ১২ দশমিক ৬ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ থেকে কমে ১১ দশমিক ৪ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁতে নেমে এসেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সুইস ব্যাংক: ২০২৫ সালে বাংলাদেশিরা জমা রাখেন সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি

আপডেট সময় ০৯:১০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকে (এসএনবি) বাংলাদেশিদের আমানত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা। যার মধ্যে ২০২৫ সালেই জমা পড়ে ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বেশি। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এসএনবি।

সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের হিসাবে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্রাঁ। আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৯ কোটি সুইস ফ্রাঁ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশিদের আমানতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে।

বাংলাদেশে সুইস ফ্রাঁর ব্যবহার সীমিত হলেও বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রতি সুইস ফ্রাঁর মূল্য প্রায় ১৫২ থেকে ১৫৩ টাকা। প্রতি সুইস ফ্রাঁ ১৫২ টাকা ধরে হিসাব করলে, ২০২৫ সালের শেষে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের মোট জমা অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা।

সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশিদের আমানত বৃদ্ধির প্রায় পুরোটা এসেছে দেশের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে জমা রাখা অর্থ থেকে। ২০২৫ সালে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশি ব্যাংকগুলোর আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮২২ দশমিক ৭ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, যা ২০২৪ সালের ৫৭৬ দশমিক ৬ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁর তুলনায় প্রায় ৪৩ শতাংশ বেশি।

ফলে সুইস ব্যাংকে থাকা মোট বাংলাদেশি আমানতের ৯৮ দশমিক ৬ শতাংশই এখন ব্যাংকগুলোর নামে রাখা অর্থ। ২০২৪ সালে এই হার ছিল ৯৭ দশমিক ৮ শতাংশ। অথচ কয়েক বছর আগেও চিত্রটি ছিল ভিন্ন। ২০২৩ সালে মোট আমানতের মাত্র ২০ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ৩৫ শতাংশ ছিল ব্যাংকগুলোর নামে।

অন্যদিকে ব্যক্তি পর্যায়ের হিসাবগুলোতে রাখা অর্থের পরিমাণ কমেছে। ২০২৫ সালে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে থাকা আমানত ১২ দশমিক ৬ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ থেকে কমে ১১ দশমিক ৪ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁতে নেমে এসেছে।