ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

কোহলিকে ছাড়িয়ে গড়ের শীর্ষে গিল

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :  

আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ওয়ানডে ব্যাটিং গড়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছেন শুবমান গিল। গড়ের হিসাবে তিনি এখন ছাড়িয়ে গেছেন ভিরাট কোহলিকেও।

লখনৌতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১১০ বলে ১৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন গিল। এই ইনিংসের পর ৬৩ ম্যাচে তার মোট রান দাঁড়িয়েছে ৩,১৯১, গড় ৫৯.০৯। ওয়ানডে ইতিহাসে অন্তত ২ হাজার রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটি এখন সর্বোচ্চ গড়।

অন্যদিকে, ৩১১ ম্যাচে ১৪,৭৯৭ রান করা কোহলির গড় ৫৮.৭১। গিলের এই কীর্তিতে পেছনে পড়েছেন নিউ জিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেলও (৫৮.৪৭)। আফগানদের বিপক্ষে তার ইনিংসে ছিল ২২টি চার ও ২টি ছক্কা।

এই তালিকায় এরপর আছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ফিনিশার মাইকেল বেভান, যার গড় ৫৩.৫৮ (৬,৯১২ রান)। দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ৫৩.৫ গড়ে (৯,৫৭৭ রান)। পাকিস্তানের বাবর আজম আছেন ৫৩.৪৩ গড়ে।

তবে মানদণ্ড যদি কমিয়ে ১,৫০০ রান ধরা হয়, তাহলে গিল নেমে যান দ্বিতীয় স্থানে। এখানে শীর্ষে আছেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক অলরাউন্ডার রায়ান টেন ডেসকাটে, তিনি ৩৩ ম্যাচে ১,৫৪১ রান করেছেন ৬৭ গড়ে। বর্তমানে তিনি ভারতের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গিলের ক্যারিয়ারে এর আগেও গড় ছিল আরও উঁচুতে। ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর ২১ ম্যাচ শেষে তার গড় ছিল ৭৩.৭৬। অন্যদিকে কোহলির ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ গড় ছিল ৬০.৩১, যা তিনি ২০১৯ সালে ২৩৯ ম্যাচ শেষে অর্জন করেছিলেন।

আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ৭৭ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন গিল, আর ১০৮ বলে পৌঁছান দেড়শতে। শেষ পর্যন্ত নাঙ্গেয়ালিয়া খারোটের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে আউট হন তিনি।

ম্যাচ শেষে গিল জানান, ডাবল সেঞ্চুরির চিন্তা তার মাথায় ছিল। তবে দলকে বড় সংগ্রহে পৌঁছে দিতে আক্রমণাত্মক খেলা চালিয়ে যেতে হয়েছে।

গিলের ১৫৪ ও ইশান কিশানের ৭৯ বলে ১২৫ রানের ইনিংসে ভারত ৪৩ ওভারে ৩৬১ রান তোলে। তবে শেষ দিকে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ৪০২ রানে অলআউট হয় দলটি।

পরে ১৭০ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সিরিজও নিশ্চিত করে ভারত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবার পরিকল্পনা: বাংলাদেশের সাফল্য ও আগামীর চ্যালেঞ্জ

কোহলিকে ছাড়িয়ে গড়ের শীর্ষে গিল

আপডেট সময় ০৫:২০:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :  

আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ওয়ানডে ব্যাটিং গড়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছেন শুবমান গিল। গড়ের হিসাবে তিনি এখন ছাড়িয়ে গেছেন ভিরাট কোহলিকেও।

লখনৌতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১১০ বলে ১৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন গিল। এই ইনিংসের পর ৬৩ ম্যাচে তার মোট রান দাঁড়িয়েছে ৩,১৯১, গড় ৫৯.০৯। ওয়ানডে ইতিহাসে অন্তত ২ হাজার রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটি এখন সর্বোচ্চ গড়।

অন্যদিকে, ৩১১ ম্যাচে ১৪,৭৯৭ রান করা কোহলির গড় ৫৮.৭১। গিলের এই কীর্তিতে পেছনে পড়েছেন নিউ জিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেলও (৫৮.৪৭)। আফগানদের বিপক্ষে তার ইনিংসে ছিল ২২টি চার ও ২টি ছক্কা।

এই তালিকায় এরপর আছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ফিনিশার মাইকেল বেভান, যার গড় ৫৩.৫৮ (৬,৯১২ রান)। দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ৫৩.৫ গড়ে (৯,৫৭৭ রান)। পাকিস্তানের বাবর আজম আছেন ৫৩.৪৩ গড়ে।

তবে মানদণ্ড যদি কমিয়ে ১,৫০০ রান ধরা হয়, তাহলে গিল নেমে যান দ্বিতীয় স্থানে। এখানে শীর্ষে আছেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক অলরাউন্ডার রায়ান টেন ডেসকাটে, তিনি ৩৩ ম্যাচে ১,৫৪১ রান করেছেন ৬৭ গড়ে। বর্তমানে তিনি ভারতের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গিলের ক্যারিয়ারে এর আগেও গড় ছিল আরও উঁচুতে। ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর ২১ ম্যাচ শেষে তার গড় ছিল ৭৩.৭৬। অন্যদিকে কোহলির ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ গড় ছিল ৬০.৩১, যা তিনি ২০১৯ সালে ২৩৯ ম্যাচ শেষে অর্জন করেছিলেন।

আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ৭৭ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন গিল, আর ১০৮ বলে পৌঁছান দেড়শতে। শেষ পর্যন্ত নাঙ্গেয়ালিয়া খারোটের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে আউট হন তিনি।

ম্যাচ শেষে গিল জানান, ডাবল সেঞ্চুরির চিন্তা তার মাথায় ছিল। তবে দলকে বড় সংগ্রহে পৌঁছে দিতে আক্রমণাত্মক খেলা চালিয়ে যেতে হয়েছে।

গিলের ১৫৪ ও ইশান কিশানের ৭৯ বলে ১২৫ রানের ইনিংসে ভারত ৪৩ ওভারে ৩৬১ রান তোলে। তবে শেষ দিকে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ৪০২ রানে অলআউট হয় দলটি।

পরে ১৭০ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সিরিজও নিশ্চিত করে ভারত।