ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাভারে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে ফুটপাতে হকার উচ্ছেদ অভিযান পরীমনিকাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার শর্ত না মানলে ইরানের ওপর আবারও নৌ-অবরোধ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে হানি ট্র্যাপে ফেলে দুই যুবককে মারধর-লুট, ৩ জন গ্রেফতার বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান রাষ্ট্রদূতের এমপিরা নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সংসদ সভাপতিকে সম্মান জানাবেন: স্পিকার এই উচ্চাভিলাষী বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: সংসদে আইনমন্ত্রী করের হার না বাড়িয়ে রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: তিতুমীর ঢাকার ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা

কোহলিকে ছাড়িয়ে গড়ের শীর্ষে গিল

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :  

আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ওয়ানডে ব্যাটিং গড়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছেন শুবমান গিল। গড়ের হিসাবে তিনি এখন ছাড়িয়ে গেছেন ভিরাট কোহলিকেও।

লখনৌতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১১০ বলে ১৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন গিল। এই ইনিংসের পর ৬৩ ম্যাচে তার মোট রান দাঁড়িয়েছে ৩,১৯১, গড় ৫৯.০৯। ওয়ানডে ইতিহাসে অন্তত ২ হাজার রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটি এখন সর্বোচ্চ গড়।

অন্যদিকে, ৩১১ ম্যাচে ১৪,৭৯৭ রান করা কোহলির গড় ৫৮.৭১। গিলের এই কীর্তিতে পেছনে পড়েছেন নিউ জিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেলও (৫৮.৪৭)। আফগানদের বিপক্ষে তার ইনিংসে ছিল ২২টি চার ও ২টি ছক্কা।

এই তালিকায় এরপর আছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ফিনিশার মাইকেল বেভান, যার গড় ৫৩.৫৮ (৬,৯১২ রান)। দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ৫৩.৫ গড়ে (৯,৫৭৭ রান)। পাকিস্তানের বাবর আজম আছেন ৫৩.৪৩ গড়ে।

তবে মানদণ্ড যদি কমিয়ে ১,৫০০ রান ধরা হয়, তাহলে গিল নেমে যান দ্বিতীয় স্থানে। এখানে শীর্ষে আছেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক অলরাউন্ডার রায়ান টেন ডেসকাটে, তিনি ৩৩ ম্যাচে ১,৫৪১ রান করেছেন ৬৭ গড়ে। বর্তমানে তিনি ভারতের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গিলের ক্যারিয়ারে এর আগেও গড় ছিল আরও উঁচুতে। ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর ২১ ম্যাচ শেষে তার গড় ছিল ৭৩.৭৬। অন্যদিকে কোহলির ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ গড় ছিল ৬০.৩১, যা তিনি ২০১৯ সালে ২৩৯ ম্যাচ শেষে অর্জন করেছিলেন।

আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ৭৭ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন গিল, আর ১০৮ বলে পৌঁছান দেড়শতে। শেষ পর্যন্ত নাঙ্গেয়ালিয়া খারোটের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে আউট হন তিনি।

ম্যাচ শেষে গিল জানান, ডাবল সেঞ্চুরির চিন্তা তার মাথায় ছিল। তবে দলকে বড় সংগ্রহে পৌঁছে দিতে আক্রমণাত্মক খেলা চালিয়ে যেতে হয়েছে।

গিলের ১৫৪ ও ইশান কিশানের ৭৯ বলে ১২৫ রানের ইনিংসে ভারত ৪৩ ওভারে ৩৬১ রান তোলে। তবে শেষ দিকে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ৪০২ রানে অলআউট হয় দলটি।

পরে ১৭০ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সিরিজও নিশ্চিত করে ভারত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিপফেক বিতর্কে গুগল-মেটার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে প্রীতি

কোহলিকে ছাড়িয়ে গড়ের শীর্ষে গিল

আপডেট সময় ০৫:২০:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :  

আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ওয়ানডে ব্যাটিং গড়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছেন শুবমান গিল। গড়ের হিসাবে তিনি এখন ছাড়িয়ে গেছেন ভিরাট কোহলিকেও।

লখনৌতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১১০ বলে ১৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন গিল। এই ইনিংসের পর ৬৩ ম্যাচে তার মোট রান দাঁড়িয়েছে ৩,১৯১, গড় ৫৯.০৯। ওয়ানডে ইতিহাসে অন্তত ২ হাজার রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটি এখন সর্বোচ্চ গড়।

অন্যদিকে, ৩১১ ম্যাচে ১৪,৭৯৭ রান করা কোহলির গড় ৫৮.৭১। গিলের এই কীর্তিতে পেছনে পড়েছেন নিউ জিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেলও (৫৮.৪৭)। আফগানদের বিপক্ষে তার ইনিংসে ছিল ২২টি চার ও ২টি ছক্কা।

এই তালিকায় এরপর আছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ফিনিশার মাইকেল বেভান, যার গড় ৫৩.৫৮ (৬,৯১২ রান)। দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ৫৩.৫ গড়ে (৯,৫৭৭ রান)। পাকিস্তানের বাবর আজম আছেন ৫৩.৪৩ গড়ে।

তবে মানদণ্ড যদি কমিয়ে ১,৫০০ রান ধরা হয়, তাহলে গিল নেমে যান দ্বিতীয় স্থানে। এখানে শীর্ষে আছেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক অলরাউন্ডার রায়ান টেন ডেসকাটে, তিনি ৩৩ ম্যাচে ১,৫৪১ রান করেছেন ৬৭ গড়ে। বর্তমানে তিনি ভারতের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গিলের ক্যারিয়ারে এর আগেও গড় ছিল আরও উঁচুতে। ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর ২১ ম্যাচ শেষে তার গড় ছিল ৭৩.৭৬। অন্যদিকে কোহলির ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ গড় ছিল ৬০.৩১, যা তিনি ২০১৯ সালে ২৩৯ ম্যাচ শেষে অর্জন করেছিলেন।

আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ৭৭ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন গিল, আর ১০৮ বলে পৌঁছান দেড়শতে। শেষ পর্যন্ত নাঙ্গেয়ালিয়া খারোটের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে আউট হন তিনি।

ম্যাচ শেষে গিল জানান, ডাবল সেঞ্চুরির চিন্তা তার মাথায় ছিল। তবে দলকে বড় সংগ্রহে পৌঁছে দিতে আক্রমণাত্মক খেলা চালিয়ে যেতে হয়েছে।

গিলের ১৫৪ ও ইশান কিশানের ৭৯ বলে ১২৫ রানের ইনিংসে ভারত ৪৩ ওভারে ৩৬১ রান তোলে। তবে শেষ দিকে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ৪০২ রানে অলআউট হয় দলটি।

পরে ১৭০ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সিরিজও নিশ্চিত করে ভারত।