ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাণিজ্যিক কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত আদ্-দ্বীনে সেবা বন্ধ: ডায়ালাইসিস না পেয়ে রোগীর মৃত্যু অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহার রোধে উদ্যোগ জরুরি: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইরানের সাথে নতুন সম্ভাব্য চুক্তি আমার চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না : ওবামা পুশইন ঠেকাতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় গ্রামবাসী ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক বসাল বাংলাদেশ ব্যাংক বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হলেন ড. মজিবুল হক সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে এনে শাস্তি দেয়াই হবে প্রকৃত অর্জন : শফিকুর রহমান অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান

ইরানকে বাদ দিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: আরাগচি

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

আঞ্চলিক দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সবার স্বার্থের স্বীকৃতির মাধ্যমেই কেবল মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানকে উপেক্ষা করে বা বাদ দিয়ে কোনোভাবেই আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনাবলি আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা এবং সকলের স্বার্থের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের প্রয়োজনীয়তাকে আরও বেশি স্পষ্ট করে তুলেছে।

রোববার (১৪ জুন) ইরানের তৃণমূল পর্যায়ের সামাজিক কর্মী এবং গণসমাবেশ আয়োজকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।

বৈঠকে আব্বাস আরাগচি দেশের কৌশলগত অগ্রগতি এবং শত্রুদের বিভিন্ন ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার পেছনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের চূড়ান্ত ভূমিকার কথা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক দরবারে ইরানের প্রকৃত শক্তির প্রকাশ কেবল তাদের সামরিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে না; বরং জাতীয় সংহতি, ইরানি জনগণের সহনশীলতা এবং দেশের ক্রান্তিলগ্নে সাধারণ মানুষের সচেতন উপস্থিতিই ইরানের আসল শক্তি।

১২ দিনের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দেশের অর্জনের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরান কেবল রণক্ষেত্রে বা কৌশলগতভাবেই জয়ী হয়নি, বরং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক ও কৌশলগত ফলাফল অর্জন করেছে। এই সফলতার ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সমীকরণে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তার চলমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে আব্বাস আরাগচি বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা অর্জন করতে হলে ইরানসহ এই অঞ্চলের প্রতিটি দেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতের যেকোনো আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে অবশ্যই এই অঞ্চলের সব দেশের অংশগ্রহণ এবং একটি যৌথ সহযোগিতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিত করতে হবে—যা ইরান বরাবরই সমর্থন ও দাবি জানিয়ে আসছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্যিক কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত

ইরানকে বাদ দিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: আরাগচি

আপডেট সময় ০৮:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

আঞ্চলিক দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সবার স্বার্থের স্বীকৃতির মাধ্যমেই কেবল মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানকে উপেক্ষা করে বা বাদ দিয়ে কোনোভাবেই আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনাবলি আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা এবং সকলের স্বার্থের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের প্রয়োজনীয়তাকে আরও বেশি স্পষ্ট করে তুলেছে।

রোববার (১৪ জুন) ইরানের তৃণমূল পর্যায়ের সামাজিক কর্মী এবং গণসমাবেশ আয়োজকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।

বৈঠকে আব্বাস আরাগচি দেশের কৌশলগত অগ্রগতি এবং শত্রুদের বিভিন্ন ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার পেছনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের চূড়ান্ত ভূমিকার কথা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক দরবারে ইরানের প্রকৃত শক্তির প্রকাশ কেবল তাদের সামরিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে না; বরং জাতীয় সংহতি, ইরানি জনগণের সহনশীলতা এবং দেশের ক্রান্তিলগ্নে সাধারণ মানুষের সচেতন উপস্থিতিই ইরানের আসল শক্তি।

১২ দিনের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দেশের অর্জনের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরান কেবল রণক্ষেত্রে বা কৌশলগতভাবেই জয়ী হয়নি, বরং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক ও কৌশলগত ফলাফল অর্জন করেছে। এই সফলতার ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সমীকরণে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তার চলমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে আব্বাস আরাগচি বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা অর্জন করতে হলে ইরানসহ এই অঞ্চলের প্রতিটি দেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতের যেকোনো আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে অবশ্যই এই অঞ্চলের সব দেশের অংশগ্রহণ এবং একটি যৌথ সহযোগিতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিত করতে হবে—যা ইরান বরাবরই সমর্থন ও দাবি জানিয়ে আসছে।