ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভারতীয় বিমান বাহিনীর পরিবহন প্লেন বিধ্বস্ত

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  

ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি এএন-৩২ পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বিমানটি আসাম রাজ্যের জোরহাটের বিমান বাহিনী স্টেশনের অভ্যন্তরে অবতরণের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে সেটিতে আগুন ধরে যায়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য দ্রুত ঘটনাস্থলে কুইক রেসপন্স টিম মোতায়েন করা হয়। দুর্ঘটনার কারণ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া এতে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভারতীয় বিমান বাহিনী ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, পরিস্থিতি মূল্যায়ন শেষে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।

আন্তোনভ এএন-৩২ একটি দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট টার্বোপ্রপ সামরিক পরিবহন বিমান, যা ভারতীয় বিমান বাহিনীর ‘ওয়ার্কহর্স’ বা প্রধান কর্মক্ষম পরিবহন বিমান হিসেবে পরিচিত। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রথম নির্মিত এই মডেলের প্রায় ১০০টি বিমান বর্তমানে ভারতীয় বিমান বাহিনীর বহরে রয়েছে।

এএন-৩২ বিমানটি প্রতিকূল পরিবেশে কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছে। এটি পার্বত্য বিমানঘাঁটি এবং উষ্ণমণ্ডলীয় আবহাওয়ায়ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে সক্ষম। বিমানটি সর্বোচ্চ সাড়ে ৭ টন মালামাল, ৫০ জন যাত্রী অথবা ৪২ জন প্যারাট্রুপার বহন করতে পারে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে রসদ সরবরাহের কাজেও এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

এর আগে গত মার্চে আসামের কার্বি আংলং জেলায় ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি সুখোই সু-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলট নিহত হন। দুই আসনবিশিষ্ট যুদ্ধবিমানটি জোরহাট বিমান বাহিনী স্টেশন থেকে নিয়মিত টেস্ট ফ্লাইংয়ের জন্য যাত্রা শুরু করে।

পরে বিমানটির সঙ্গে কন্ট্রোল সেন্টারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর বিমানটিকে আর ট্র্যাক করা সম্ভব হয়নি।

পরে কর্মকর্তারা জানান, যুদ্ধবিমানটি শেষ পর্যন্ত জোরহাট থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে কার্বি আংলং জেলার একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ভারতীয় বিমান বাহিনীর পরিবহন প্লেন বিধ্বস্ত

আপডেট সময় ০২:১০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  

ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি এএন-৩২ পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বিমানটি আসাম রাজ্যের জোরহাটের বিমান বাহিনী স্টেশনের অভ্যন্তরে অবতরণের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে সেটিতে আগুন ধরে যায়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য দ্রুত ঘটনাস্থলে কুইক রেসপন্স টিম মোতায়েন করা হয়। দুর্ঘটনার কারণ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া এতে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভারতীয় বিমান বাহিনী ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, পরিস্থিতি মূল্যায়ন শেষে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।

আন্তোনভ এএন-৩২ একটি দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট টার্বোপ্রপ সামরিক পরিবহন বিমান, যা ভারতীয় বিমান বাহিনীর ‘ওয়ার্কহর্স’ বা প্রধান কর্মক্ষম পরিবহন বিমান হিসেবে পরিচিত। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রথম নির্মিত এই মডেলের প্রায় ১০০টি বিমান বর্তমানে ভারতীয় বিমান বাহিনীর বহরে রয়েছে।

এএন-৩২ বিমানটি প্রতিকূল পরিবেশে কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছে। এটি পার্বত্য বিমানঘাঁটি এবং উষ্ণমণ্ডলীয় আবহাওয়ায়ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে সক্ষম। বিমানটি সর্বোচ্চ সাড়ে ৭ টন মালামাল, ৫০ জন যাত্রী অথবা ৪২ জন প্যারাট্রুপার বহন করতে পারে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে রসদ সরবরাহের কাজেও এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

এর আগে গত মার্চে আসামের কার্বি আংলং জেলায় ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি সুখোই সু-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলট নিহত হন। দুই আসনবিশিষ্ট যুদ্ধবিমানটি জোরহাট বিমান বাহিনী স্টেশন থেকে নিয়মিত টেস্ট ফ্লাইংয়ের জন্য যাত্রা শুরু করে।

পরে বিমানটির সঙ্গে কন্ট্রোল সেন্টারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর বিমানটিকে আর ট্র্যাক করা সম্ভব হয়নি।

পরে কর্মকর্তারা জানান, যুদ্ধবিমানটি শেষ পর্যন্ত জোরহাট থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে কার্বি আংলং জেলার একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে।