ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের করায়ত্ত থেকে মুক্ত না হলে দেশের উন্নতি অসম্ভব: ফয়জুল করীম দেশে ফিরলেন ৪৯৯৮২ হাজি, মৃত্যু ৪৯ জনের প্রস্তাবিত অর্থবিলে স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি সকল নিয়োগ, পদোন্নতিতে মেধা, যোগ্যতাই প্রধান মাপকাঠি হবে: অর্থমন্ত্রী যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এই বাজেট গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা: মাহদী আমিন আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ইরানের চোখ ফাঁকি দিয়ে ১০ কোটি ব্যারেল তেল নিয়ে এসেছে মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প বাজেট ২০২৬-২৭ : মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য সরকারের রামিসাসহ অন্যান্য ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার বিরতিহীনভাবে চলবে’:

‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী জার্মানি’:বাণিজ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, জার্মানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে জার্মানির ফেডারেল ফরেন অফিসের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিষয়ক মহাপরিচালক ফ্রাংক হার্টম্যানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি জ্বালানি রূপান্তর, সবুজ প্রযুক্তি, শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রপ্তানি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প। তবে দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বৃদ্ধি এখন বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করায় নতুন শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। এ জন্য সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে স্বাগত জানাবে বাংলাদেশ।

জার্মানির ফ্রাংক হার্টম্যান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও চলমান সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করবে। এক্ষেত্রে জার্মান সরকার ও দেশটির বেসরকারি খাত বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী।

তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখতে জিএসপি প্লাস সুবিধা ও সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা চলছে।

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের করায়ত্ত থেকে মুক্ত না হলে দেশের উন্নতি অসম্ভব: ফয়জুল করীম

‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী জার্মানি’:বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, জার্মানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে জার্মানির ফেডারেল ফরেন অফিসের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিষয়ক মহাপরিচালক ফ্রাংক হার্টম্যানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি জ্বালানি রূপান্তর, সবুজ প্রযুক্তি, শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রপ্তানি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প। তবে দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বৃদ্ধি এখন বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করায় নতুন শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। এ জন্য সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে স্বাগত জানাবে বাংলাদেশ।

জার্মানির ফ্রাংক হার্টম্যান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও চলমান সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করবে। এক্ষেত্রে জার্মান সরকার ও দেশটির বেসরকারি খাত বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী।

তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখতে জিএসপি প্লাস সুবিধা ও সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা চলছে।

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।