ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কেন অতীত আঁকড়ে ধরে থাকতে চান না কারিশমা

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

এক সময়ের বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বড় পর্দায় অনিয়মিত। তবে সিনেমা সক্রান্ত অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন টিভি শোতে মাঝে মাধ্যেই তার দেখা মেলে। সম্প্রতি নব্বইয়ের দশকের হিন্দি সিনেমা, ক্যারিয়ার ও কাজের প্রতি তার আবেগ নিয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

তিনি জানান, নব্বইয়ের দশকের চলচ্চিত্র নির্মাণের ধরণ ছিল একেবারেই আলাদা। অনেক সময় পূর্ণাঙ্গ স্ক্রিপ্ট ছাড়াই শুটিং হতো, রিহার্সালও থাকত খুব কম। তবু সেই সময়ের সিনেমাগুলোই হয়ে উঠেছিল দর্শকদের কাছে কালজয়ী।

সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কারিশমা বলেন, নব্বইয়ের দশক তাঁর জীবনের অন্যতম সেরা সময় হলেও তিনি অতীত আঁকড়ে ধরে থাকতে চান না।

তিনি বলেন, ‘আমি নব্বইয়ের দশককে ভালোবাসি, কিন্তু বলতে পারব না আমি সেই সময়টাকে খুব মিস করি। কারণ সময়ের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হয়। আমি তো আর সেখানে আটকে থাকতে পারি না। সেই সময়ের সিনেমা তৈরির প্রক্রিয়া বর্তমানের তুলনায় ছিল অনেক বেশি স্বতঃস্ফূর্ত। শুটিং সেটে গিয়ে হঠাৎ করেই দৃশ্য ধারণ করা হতো। কমেডি দৃশ্য কিংবা বড় বড় নাচের আয়োজন ছিল তখনকার সিনেমার অন্যতম আকর্ষণ।’

কারিশমা বলেন, ‘আমরা সেটে গিয়ে অসংখ্য কমেডি দৃশ্য করতাম। তখন যেসব নাচের গান করা হতো, এখন সেগুলো খুব একটা দেখা যায় না। রিহার্সালও প্রায় থাকত না। সেটে গিয়ে শুনতাম—এই দৃশ্যটা করা হবে। সেই অনুযায়ী কাজ হতো।’

কারিশমার মতে, নব্বইয়ের দশকের বলিউডের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল শিল্পীদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক বোঝাপড়া। একসঙ্গে একাধিক সিনেমায় কাজ করার কারণে সবাই প্রায় পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে উঠেছিলেন।

এই অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘এক সেট থেকে আরেক সেটে ছুটে যেতাম। কখনো মুম্বাই, কখনো হায়দরাবাদ, কখনো চেন্নাই, আবার কখনো সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ে শুটিং। একই শিল্পীরা ভিন্ন ভিন্ন ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতাম। সেই সময়টা ছিল একেবারেই অন্যরকম।’

সবচেয়ে অবাক করা তথ্য হলো, অনেক সিনেমা তখন পূর্ণাঙ্গ স্ক্রিপ্ট ছাড়াই নির্মিত হতো। এ প্রসঙ্গে কারিশমা বলেন, ‘আসলে আমাদের হাতে কোনো স্ক্রিপ্টই থাকত না। একটা ভাবনা থাকত, কাজের প্রতি আবেগ থাকত, দুর্দান্ত অভিনেতা ও একজন ভালো পরিচালক থাকতেন। আর তারপর সেই সিনেমাগুলো সুপারহিট হত।’

সাক্ষাৎকারে সালমান খান ও অক্ষয় কুমারের সঙ্গে আবার কবে পর্দায় দেখা যাবে—এমন প্রশ্নের জবাবে কারিশমা মজা করে বলেন, ‘কেউ যদি তাদের সঙ্গে আমাকে নিয়ে ভালো কোনো স্ক্রিপ্ট দেয়, তাহলে অবশ্যই ভেবে দেখতে পারি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কেন অতীত আঁকড়ে ধরে থাকতে চান না কারিশমা

আপডেট সময় ০৭:৪০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

এক সময়ের বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বড় পর্দায় অনিয়মিত। তবে সিনেমা সক্রান্ত অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন টিভি শোতে মাঝে মাধ্যেই তার দেখা মেলে। সম্প্রতি নব্বইয়ের দশকের হিন্দি সিনেমা, ক্যারিয়ার ও কাজের প্রতি তার আবেগ নিয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

তিনি জানান, নব্বইয়ের দশকের চলচ্চিত্র নির্মাণের ধরণ ছিল একেবারেই আলাদা। অনেক সময় পূর্ণাঙ্গ স্ক্রিপ্ট ছাড়াই শুটিং হতো, রিহার্সালও থাকত খুব কম। তবু সেই সময়ের সিনেমাগুলোই হয়ে উঠেছিল দর্শকদের কাছে কালজয়ী।

সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কারিশমা বলেন, নব্বইয়ের দশক তাঁর জীবনের অন্যতম সেরা সময় হলেও তিনি অতীত আঁকড়ে ধরে থাকতে চান না।

তিনি বলেন, ‘আমি নব্বইয়ের দশককে ভালোবাসি, কিন্তু বলতে পারব না আমি সেই সময়টাকে খুব মিস করি। কারণ সময়ের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হয়। আমি তো আর সেখানে আটকে থাকতে পারি না। সেই সময়ের সিনেমা তৈরির প্রক্রিয়া বর্তমানের তুলনায় ছিল অনেক বেশি স্বতঃস্ফূর্ত। শুটিং সেটে গিয়ে হঠাৎ করেই দৃশ্য ধারণ করা হতো। কমেডি দৃশ্য কিংবা বড় বড় নাচের আয়োজন ছিল তখনকার সিনেমার অন্যতম আকর্ষণ।’

কারিশমা বলেন, ‘আমরা সেটে গিয়ে অসংখ্য কমেডি দৃশ্য করতাম। তখন যেসব নাচের গান করা হতো, এখন সেগুলো খুব একটা দেখা যায় না। রিহার্সালও প্রায় থাকত না। সেটে গিয়ে শুনতাম—এই দৃশ্যটা করা হবে। সেই অনুযায়ী কাজ হতো।’

কারিশমার মতে, নব্বইয়ের দশকের বলিউডের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল শিল্পীদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক বোঝাপড়া। একসঙ্গে একাধিক সিনেমায় কাজ করার কারণে সবাই প্রায় পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে উঠেছিলেন।

এই অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘এক সেট থেকে আরেক সেটে ছুটে যেতাম। কখনো মুম্বাই, কখনো হায়দরাবাদ, কখনো চেন্নাই, আবার কখনো সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ে শুটিং। একই শিল্পীরা ভিন্ন ভিন্ন ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতাম। সেই সময়টা ছিল একেবারেই অন্যরকম।’

সবচেয়ে অবাক করা তথ্য হলো, অনেক সিনেমা তখন পূর্ণাঙ্গ স্ক্রিপ্ট ছাড়াই নির্মিত হতো। এ প্রসঙ্গে কারিশমা বলেন, ‘আসলে আমাদের হাতে কোনো স্ক্রিপ্টই থাকত না। একটা ভাবনা থাকত, কাজের প্রতি আবেগ থাকত, দুর্দান্ত অভিনেতা ও একজন ভালো পরিচালক থাকতেন। আর তারপর সেই সিনেমাগুলো সুপারহিট হত।’

সাক্ষাৎকারে সালমান খান ও অক্ষয় কুমারের সঙ্গে আবার কবে পর্দায় দেখা যাবে—এমন প্রশ্নের জবাবে কারিশমা মজা করে বলেন, ‘কেউ যদি তাদের সঙ্গে আমাকে নিয়ে ভালো কোনো স্ক্রিপ্ট দেয়, তাহলে অবশ্যই ভেবে দেখতে পারি।’