ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই অভ্যুত্থানে পেশাজীবীদের সক্রিয় ভুমিকা ছিল: দুদু ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিলো: গাজী আতাউর রহমান পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সিদ্ধান্ত বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামে: রিজভী সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত: প্রধানমন্ত্রী সব বাধা অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়াই কেন অনশন ভাঙলেন, জানালেন সোনম ওয়াংচুক সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন: আইনমন্ত্রী গুলশানের ‘গ্রিন ভিলা’য় উঠবেন সাহাবুদ্দিন নভোথিয়েটারে সামিটে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ৫০০ টাকার চারা গাছের দাম ধরা হয়েছে ১ লাখ

মিয়ানমারকে শায়েস্তা করতে শুরু করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের কারণে মিয়ানমারের সেনা প্রধানসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের শায়েস্তা করতে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইউরোপের ২৮টি দেশের জোট মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সব ধরনের আমন্ত্রণ স্থগিত এবং সব ধরণের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক পুনবিবেচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকাল সোমবার লুক্সেমবুর্গে জোটের সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অংশগ্রহণে পররাষ্ট্র বিষয়ক কাউন্সিলে এই প্রস্তাব পাস হয় বলে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়।

বৈঠকে পাস হওয়া প্রস্তাবে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনীর বলপ্রয়োগের আলোকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর সদস্য দেশগুলো মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রধান এবং জ্যেষ্ঠ অন্যান্য সেনা কর্মকর্তাদের সব আমন্ত্রণ স্থগিত করবে। পাশাপাশি মিয়ানমারে সঙ্গে যেসব প্রতিরক্ষা চুক্তি ইউরোপের দেশগুলোর রয়েছে, তা পর্যালোচনার কথাও জানিয়েছে ইউরোপীয় কাউন্সিল। অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ দমনে ব্যবহারে মিয়ানমারকে সমরাস্ত্র সরবরাহে যে বিধি-নিষেধ রয়েছে, এই পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটালে তা আরও কঠোর করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইউরোপের দেশগুলো।

তাছাড়া সেনা অভিযানে নির্যাতনের যে অভিযোগগুলো উঠেছে, তা তদন্তের জন্য হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল গঠিত ফাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকে অবাধ সুযোগ দিতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের যে প্রতিশ্রুতি মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি দিয়েছেন, তাকে স্বাগত জানিয়েছে ইউরোপীয় কাউন্সিল। মিয়ানমারে গণতন্ত্রে যাত্রা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে সমর্থনের কথাও প্রকাশ করে তারা।

শরণার্থীদের নিয়ে কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে বাংলাদেশ যে গঠনমূলক ভূমিকা রেখেছে, প্রস্তাবে তার প্রশংসা করা হয়। বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও আসে। শরণার্থীদের পুনর্বাসনে প্রতিবেশীদের বিশেষ করে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আহ্বান জানানো হয় মিয়ানমারকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই অভ্যুত্থানে পেশাজীবীদের সক্রিয় ভুমিকা ছিল: দুদু

মিয়ানমারকে শায়েস্তা করতে শুরু করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

আপডেট সময় ০৩:০৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের কারণে মিয়ানমারের সেনা প্রধানসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের শায়েস্তা করতে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইউরোপের ২৮টি দেশের জোট মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সব ধরনের আমন্ত্রণ স্থগিত এবং সব ধরণের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক পুনবিবেচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকাল সোমবার লুক্সেমবুর্গে জোটের সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অংশগ্রহণে পররাষ্ট্র বিষয়ক কাউন্সিলে এই প্রস্তাব পাস হয় বলে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়।

বৈঠকে পাস হওয়া প্রস্তাবে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনীর বলপ্রয়োগের আলোকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর সদস্য দেশগুলো মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রধান এবং জ্যেষ্ঠ অন্যান্য সেনা কর্মকর্তাদের সব আমন্ত্রণ স্থগিত করবে। পাশাপাশি মিয়ানমারে সঙ্গে যেসব প্রতিরক্ষা চুক্তি ইউরোপের দেশগুলোর রয়েছে, তা পর্যালোচনার কথাও জানিয়েছে ইউরোপীয় কাউন্সিল। অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ দমনে ব্যবহারে মিয়ানমারকে সমরাস্ত্র সরবরাহে যে বিধি-নিষেধ রয়েছে, এই পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটালে তা আরও কঠোর করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইউরোপের দেশগুলো।

তাছাড়া সেনা অভিযানে নির্যাতনের যে অভিযোগগুলো উঠেছে, তা তদন্তের জন্য হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল গঠিত ফাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকে অবাধ সুযোগ দিতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের যে প্রতিশ্রুতি মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি দিয়েছেন, তাকে স্বাগত জানিয়েছে ইউরোপীয় কাউন্সিল। মিয়ানমারে গণতন্ত্রে যাত্রা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে সমর্থনের কথাও প্রকাশ করে তারা।

শরণার্থীদের নিয়ে কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে বাংলাদেশ যে গঠনমূলক ভূমিকা রেখেছে, প্রস্তাবে তার প্রশংসা করা হয়। বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও আসে। শরণার্থীদের পুনর্বাসনে প্রতিবেশীদের বিশেষ করে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আহ্বান জানানো হয় মিয়ানমারকে।