ঢাকা ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

রক্তের শর্করা কমাবে ডায়াবেটিসের নতুন ইনজেকশন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নতুন একটি ‘ট্রিপল অ্যাকশন’ ইনজেকশন টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীর ওজন ও রক্তের শর্করা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে। সপ্তাহে একবার ব্যবহার উপযোগী ইনজেকশনটির তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় এমন ফলাফল পাওয়া গেছে।

ইনজেকশনটি তৈরি করেছে মার্কিন ওষুধপ্রস্তাতকারী কোম্পানি ‘এলি লিলি’। পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে ল্যানসেট জার্নালে। যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস-এর স্থূলতা বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা ক্যাথ ম্যাককালফ এই ফলাফলকে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বলে অভিহিত করেছেন।

ম্যাককালফ বলেন, ডায়াবেটিস ও স্থূলতা নিয়ে বেঁচে থাকা বহু মানুষের জন্য এ ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো সত্যিকার অর্থেই জীবন বদলে দেওয়ার মতো।

নতুন এই ইনজেকশনটি মূলত ক্ষুধা বা খাওয়ার রুচি, রক্তে শর্করা এবং মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ল্যানসেটের তথ্য অনুযায়ী, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ৯৩০ জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে লটারির ভিত্তিতে ৪ মিলিগ্রাম, ৯ মিলিগ্রাম ও ১২ মিলিগ্রাম রেটাট্রুটাইড এবং প্লাসিবো গ্রহণকারী দলে ভাগ করা হয়েছিল। তাঁদের কেউই আগে থেকে ডায়াবেটিসের কোনো ওষুধ নেননি।

রেটাট্রুটাইড ওজন কমানোর পরীক্ষামূলক ওষুধ। আর প্লাসিবো এমন এক ধরনের ওষুধ যেটি নতুন কোনো ওষুধের কার্যকারিতা দেখার জন্য প্রয়োগ করা হয়।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া রোগীদের মধ্যে একটি দলকে ৪০ সপ্তাহ ধরে (৭ দিন পরপর) রেটাট্রুটাইড ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। এতে দেখা গেছে, প্লাসিবো গ্রহণকারীদের তুলনায় তাদের ওজন চার গুণেরও বেশি কমেছে। পাশাপাশি, তাদের রক্তের শর্করা বা এইচবিএ১সি কমার হার ছিল দ্বিগুণের বেশি।

পরীক্ষা চলাকালে ১৪ জন অংশগ্রহণকারী গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন প্লাসিবো গ্রহণকারী দলের সদস্য। তবে বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারীর ক্ষেত্রেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো ছিল মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা কমে যায়। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে পরিপাকতন্ত্রজনিত উপসর্গগুলোই বেশি দেখা গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রক্তের শর্করা কমাবে ডায়াবেটিসের নতুন ইনজেকশন

আপডেট সময় ১০:৪০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নতুন একটি ‘ট্রিপল অ্যাকশন’ ইনজেকশন টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীর ওজন ও রক্তের শর্করা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে। সপ্তাহে একবার ব্যবহার উপযোগী ইনজেকশনটির তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় এমন ফলাফল পাওয়া গেছে।

ইনজেকশনটি তৈরি করেছে মার্কিন ওষুধপ্রস্তাতকারী কোম্পানি ‘এলি লিলি’। পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে ল্যানসেট জার্নালে। যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস-এর স্থূলতা বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা ক্যাথ ম্যাককালফ এই ফলাফলকে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বলে অভিহিত করেছেন।

ম্যাককালফ বলেন, ডায়াবেটিস ও স্থূলতা নিয়ে বেঁচে থাকা বহু মানুষের জন্য এ ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো সত্যিকার অর্থেই জীবন বদলে দেওয়ার মতো।

নতুন এই ইনজেকশনটি মূলত ক্ষুধা বা খাওয়ার রুচি, রক্তে শর্করা এবং মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ল্যানসেটের তথ্য অনুযায়ী, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ৯৩০ জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে লটারির ভিত্তিতে ৪ মিলিগ্রাম, ৯ মিলিগ্রাম ও ১২ মিলিগ্রাম রেটাট্রুটাইড এবং প্লাসিবো গ্রহণকারী দলে ভাগ করা হয়েছিল। তাঁদের কেউই আগে থেকে ডায়াবেটিসের কোনো ওষুধ নেননি।

রেটাট্রুটাইড ওজন কমানোর পরীক্ষামূলক ওষুধ। আর প্লাসিবো এমন এক ধরনের ওষুধ যেটি নতুন কোনো ওষুধের কার্যকারিতা দেখার জন্য প্রয়োগ করা হয়।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া রোগীদের মধ্যে একটি দলকে ৪০ সপ্তাহ ধরে (৭ দিন পরপর) রেটাট্রুটাইড ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। এতে দেখা গেছে, প্লাসিবো গ্রহণকারীদের তুলনায় তাদের ওজন চার গুণেরও বেশি কমেছে। পাশাপাশি, তাদের রক্তের শর্করা বা এইচবিএ১সি কমার হার ছিল দ্বিগুণের বেশি।

পরীক্ষা চলাকালে ১৪ জন অংশগ্রহণকারী গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন প্লাসিবো গ্রহণকারী দলের সদস্য। তবে বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারীর ক্ষেত্রেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো ছিল মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা কমে যায়। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে পরিপাকতন্ত্রজনিত উপসর্গগুলোই বেশি দেখা গেছে।