ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বহু নারী-শিশুকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ অনিবন্ধিত সাংবাদিকরাই সোস্যাল মিডিয়ায় মিসইনফরমেশন উপস্থাপন করেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী রক্তের শর্করা কমাবে ডায়াবেটিসের নতুন ইনজেকশন লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর আরও ‘নিখুঁত’ হামলার আহ্বান ট্রাম্পের উচ্চশিক্ষাকে দক্ষতানির্ভর ও কর্মমুখী করতে নতুন শিক্ষাকাঠামোর উদ্যোগ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে: ড. হামিদুর দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণে নতুন উদ্যোগ, ফ্ল্যাট কেনা সহজ হবে মধ্যবিত্তদের পরমাণু অস্ত্র কখনোই ছাড়বে না উত্তর কোরিয়া, কিমের বোনের ঘোষণা গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা সরকারে আসার ঝুঁকি এতটা ভয়াবহ হবে ভাবিনি: ফারুকী

রক্তের শর্করা কমাবে ডায়াবেটিসের নতুন ইনজেকশন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নতুন একটি ‘ট্রিপল অ্যাকশন’ ইনজেকশন টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীর ওজন ও রক্তের শর্করা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে। সপ্তাহে একবার ব্যবহার উপযোগী ইনজেকশনটির তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় এমন ফলাফল পাওয়া গেছে।

ইনজেকশনটি তৈরি করেছে মার্কিন ওষুধপ্রস্তাতকারী কোম্পানি ‘এলি লিলি’। পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে ল্যানসেট জার্নালে। যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস-এর স্থূলতা বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা ক্যাথ ম্যাককালফ এই ফলাফলকে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বলে অভিহিত করেছেন।

ম্যাককালফ বলেন, ডায়াবেটিস ও স্থূলতা নিয়ে বেঁচে থাকা বহু মানুষের জন্য এ ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো সত্যিকার অর্থেই জীবন বদলে দেওয়ার মতো।

নতুন এই ইনজেকশনটি মূলত ক্ষুধা বা খাওয়ার রুচি, রক্তে শর্করা এবং মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ল্যানসেটের তথ্য অনুযায়ী, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ৯৩০ জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে লটারির ভিত্তিতে ৪ মিলিগ্রাম, ৯ মিলিগ্রাম ও ১২ মিলিগ্রাম রেটাট্রুটাইড এবং প্লাসিবো গ্রহণকারী দলে ভাগ করা হয়েছিল। তাঁদের কেউই আগে থেকে ডায়াবেটিসের কোনো ওষুধ নেননি।

রেটাট্রুটাইড ওজন কমানোর পরীক্ষামূলক ওষুধ। আর প্লাসিবো এমন এক ধরনের ওষুধ যেটি নতুন কোনো ওষুধের কার্যকারিতা দেখার জন্য প্রয়োগ করা হয়।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া রোগীদের মধ্যে একটি দলকে ৪০ সপ্তাহ ধরে (৭ দিন পরপর) রেটাট্রুটাইড ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। এতে দেখা গেছে, প্লাসিবো গ্রহণকারীদের তুলনায় তাদের ওজন চার গুণেরও বেশি কমেছে। পাশাপাশি, তাদের রক্তের শর্করা বা এইচবিএ১সি কমার হার ছিল দ্বিগুণের বেশি।

পরীক্ষা চলাকালে ১৪ জন অংশগ্রহণকারী গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন প্লাসিবো গ্রহণকারী দলের সদস্য। তবে বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারীর ক্ষেত্রেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো ছিল মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা কমে যায়। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে পরিপাকতন্ত্রজনিত উপসর্গগুলোই বেশি দেখা গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বহু নারী-শিশুকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ

রক্তের শর্করা কমাবে ডায়াবেটিসের নতুন ইনজেকশন

আপডেট সময় ১০:৪০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নতুন একটি ‘ট্রিপল অ্যাকশন’ ইনজেকশন টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীর ওজন ও রক্তের শর্করা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে। সপ্তাহে একবার ব্যবহার উপযোগী ইনজেকশনটির তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় এমন ফলাফল পাওয়া গেছে।

ইনজেকশনটি তৈরি করেছে মার্কিন ওষুধপ্রস্তাতকারী কোম্পানি ‘এলি লিলি’। পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে ল্যানসেট জার্নালে। যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস-এর স্থূলতা বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা ক্যাথ ম্যাককালফ এই ফলাফলকে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বলে অভিহিত করেছেন।

ম্যাককালফ বলেন, ডায়াবেটিস ও স্থূলতা নিয়ে বেঁচে থাকা বহু মানুষের জন্য এ ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো সত্যিকার অর্থেই জীবন বদলে দেওয়ার মতো।

নতুন এই ইনজেকশনটি মূলত ক্ষুধা বা খাওয়ার রুচি, রক্তে শর্করা এবং মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ল্যানসেটের তথ্য অনুযায়ী, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ৯৩০ জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে লটারির ভিত্তিতে ৪ মিলিগ্রাম, ৯ মিলিগ্রাম ও ১২ মিলিগ্রাম রেটাট্রুটাইড এবং প্লাসিবো গ্রহণকারী দলে ভাগ করা হয়েছিল। তাঁদের কেউই আগে থেকে ডায়াবেটিসের কোনো ওষুধ নেননি।

রেটাট্রুটাইড ওজন কমানোর পরীক্ষামূলক ওষুধ। আর প্লাসিবো এমন এক ধরনের ওষুধ যেটি নতুন কোনো ওষুধের কার্যকারিতা দেখার জন্য প্রয়োগ করা হয়।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া রোগীদের মধ্যে একটি দলকে ৪০ সপ্তাহ ধরে (৭ দিন পরপর) রেটাট্রুটাইড ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। এতে দেখা গেছে, প্লাসিবো গ্রহণকারীদের তুলনায় তাদের ওজন চার গুণেরও বেশি কমেছে। পাশাপাশি, তাদের রক্তের শর্করা বা এইচবিএ১সি কমার হার ছিল দ্বিগুণের বেশি।

পরীক্ষা চলাকালে ১৪ জন অংশগ্রহণকারী গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন প্লাসিবো গ্রহণকারী দলের সদস্য। তবে বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারীর ক্ষেত্রেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো ছিল মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা কমে যায়। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে পরিপাকতন্ত্রজনিত উপসর্গগুলোই বেশি দেখা গেছে।