ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পাকিস্তানের শাটল ট্রেনে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলা, নিহত ২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটায় জাফর এক্সপ্রেসের একটি শাটল ট্রেনকে লক্ষ্য করে চালানো ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে।

রোববারের (২৪ মে) এই রক্তক্ষয়ী হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৮২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল আনুমানিক ৮টা বেজে ৫ মিনিটে কোয়েটা সেনানিবাস থেকে ট্রেনটি রওনা হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিনহুয়া নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছে, শাটল ট্রেনটিতে মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন, যারা ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন। শক্তিশালী এই বিস্ফোরণের ধাক্কায় ট্রেনের একাধিক বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে এবং দুটি বগিতে দাউদাউ করে আগুন ধরে যায়। আগুনের তীব্রতায় ট্রেনের আশপাশে থাকা বেশ কিছু বেসামরিক যানবাহনও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

ঘটনার পরপরই উদ্ধারকর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর কাজ শুরু করে। আহতদের মধ্যে ৫৭ জনকে কোয়েটার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এবং ২৫ জনকে সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এটি একটি সুপরিকল্পিত আত্মঘাতী হামলা ছিল। বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হামলাকারী শাটল ট্রেনটিকে লক্ষ্য করে এই বিস্ফোরণ ঘটায়। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলায় প্রায় ৭০ কেজিরও বেশি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে, যার কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো পুরো এলাকাটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে এবং হামলার নেপথ্যে থাকা চক্রটিকে চিহ্নিত করতে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পাকিস্তানের শাটল ট্রেনে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলা, নিহত ২৪

আপডেট সময় ০২:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটায় জাফর এক্সপ্রেসের একটি শাটল ট্রেনকে লক্ষ্য করে চালানো ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে।

রোববারের (২৪ মে) এই রক্তক্ষয়ী হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৮২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল আনুমানিক ৮টা বেজে ৫ মিনিটে কোয়েটা সেনানিবাস থেকে ট্রেনটি রওনা হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিনহুয়া নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছে, শাটল ট্রেনটিতে মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন, যারা ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন। শক্তিশালী এই বিস্ফোরণের ধাক্কায় ট্রেনের একাধিক বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে এবং দুটি বগিতে দাউদাউ করে আগুন ধরে যায়। আগুনের তীব্রতায় ট্রেনের আশপাশে থাকা বেশ কিছু বেসামরিক যানবাহনও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

ঘটনার পরপরই উদ্ধারকর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর কাজ শুরু করে। আহতদের মধ্যে ৫৭ জনকে কোয়েটার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এবং ২৫ জনকে সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এটি একটি সুপরিকল্পিত আত্মঘাতী হামলা ছিল। বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হামলাকারী শাটল ট্রেনটিকে লক্ষ্য করে এই বিস্ফোরণ ঘটায়। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলায় প্রায় ৭০ কেজিরও বেশি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে, যার কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো পুরো এলাকাটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে এবং হামলার নেপথ্যে থাকা চক্রটিকে চিহ্নিত করতে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে।