ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্ত্রীসহ পলকের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং তার স্ত্রী আরিফা জেসমিন কনিকার গত ১৫ বছরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার (১৮ মে) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ​দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম আবেদনটি করেন।

দুদকের আবেদন অনুযায়ী, জুনাইদ আহমেদ পলক ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। ​পলক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের নামে ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৯ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের হদিস পাওয়া গেছে যা তাদের আয়ের উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তাদের নামে পরিচালিত ৩১টি ব্যাংক হিসাবে মোট ২২ কোটি ৯৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৭৯ টাকা জমা এবং ১৭ কোটি ৫৮ লাখ ৮২ হাজার ৮৭৭ টাকা উত্তোলনের প্রমাণ মিলেছে। এই অস্বাভাবিক লেনদেনগুলো মানিলন্ডারিংয়ের আওতায় পড়ে বলে ধারণা করছে দুদক। অনুসন্ধানের স্বার্থে ২০০৮-২০০৯ করবর্ষ হতে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত পলক ও তার স্ত্রীর নামে দাখিলকৃত আয়কর নথির মূল কপি এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি।

এসব নথিতে থাকা তথ্য গোপন বা সম্পদের রূপান্তর রোধে এগুলো আদালতের মাধ্যমে জব্দ করা প্রয়োজন।

​আবেদনে আরো বলা হয়, জুনাইদ আহমেদ পলক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের আয়কর নথিগুলো জব্দ করা না হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও প্রমাণ লোপাটের সম্ভাবনা রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

স্ত্রীসহ পলকের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

আপডেট সময় ০১:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং তার স্ত্রী আরিফা জেসমিন কনিকার গত ১৫ বছরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার (১৮ মে) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ​দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম আবেদনটি করেন।

দুদকের আবেদন অনুযায়ী, জুনাইদ আহমেদ পলক ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। ​পলক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের নামে ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৯ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের হদিস পাওয়া গেছে যা তাদের আয়ের উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তাদের নামে পরিচালিত ৩১টি ব্যাংক হিসাবে মোট ২২ কোটি ৯৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৭৯ টাকা জমা এবং ১৭ কোটি ৫৮ লাখ ৮২ হাজার ৮৭৭ টাকা উত্তোলনের প্রমাণ মিলেছে। এই অস্বাভাবিক লেনদেনগুলো মানিলন্ডারিংয়ের আওতায় পড়ে বলে ধারণা করছে দুদক। অনুসন্ধানের স্বার্থে ২০০৮-২০০৯ করবর্ষ হতে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত পলক ও তার স্ত্রীর নামে দাখিলকৃত আয়কর নথির মূল কপি এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি।

এসব নথিতে থাকা তথ্য গোপন বা সম্পদের রূপান্তর রোধে এগুলো আদালতের মাধ্যমে জব্দ করা প্রয়োজন।

​আবেদনে আরো বলা হয়, জুনাইদ আহমেদ পলক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের আয়কর নথিগুলো জব্দ করা না হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও প্রমাণ লোপাটের সম্ভাবনা রয়েছে।