ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পদত্যাগ করতে প্রস্তুত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

পদত্যাগ করতে প্রস্তুত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। এমনটাই নাকি তিনি জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ মহলকে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে রাজি আছেন, তবে তিনি তা ‘নিজের শর্তে’ করতে চান।

সূত্রটি জানায়, তিনি বুঝতে পারছেন বর্তমান পরিস্থিতির বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিন টেকসই নয়। তবে তিনি মর্যাদার সঙ্গে এবং নিজের পছন্দমতো সময়েই সরে দাঁড়াতে চান। এ জন্য তিনি একটি সময়সূচি ঘোষণা করবেন।

সংকটে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার:

ভোটারদের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের মুখে বর্তমানে সংকটে পড়েছে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার। পিটার ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ এবং শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক, স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফল—সব মিলিয়ে স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়েছে।

সবশেষ ধাক্কা আসে স্টারমার মন্ত্রিসভার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগের মাধ্যমে।

শনিবার স্ট্রিটিং জানান, ভবিষ্যতে লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে তিনি স্টারমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নিজের প্রার্থিতা তুলে ধরবেন।

ভাষণে তিনি স্টারমারকে দ্রুত সরে দাঁড়ানোর জন্য একটি ‘সময়সূচি নির্ধারণ’র আহ্বানও জানান।

জনপ্রিয়তা তলানিতে:

রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি কিয়ার স্টারমারের জনপ্রিয়তাও দ্রুত কমছে। জরিপ সংস্থা ইউগোভের এক জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক লেবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি “অসন্তুষ্ট” মনোভাব প্রকাশ করেছেন।

ইউগভ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে স্টারমার যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে অজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। অনেকেই তার অবস্থার সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রুসের মাত্র ৪৯ দিনের শাসনামলের তুলনা করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পদত্যাগ করতে প্রস্তুত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:১৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

পদত্যাগ করতে প্রস্তুত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। এমনটাই নাকি তিনি জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ মহলকে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে রাজি আছেন, তবে তিনি তা ‘নিজের শর্তে’ করতে চান।

সূত্রটি জানায়, তিনি বুঝতে পারছেন বর্তমান পরিস্থিতির বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিন টেকসই নয়। তবে তিনি মর্যাদার সঙ্গে এবং নিজের পছন্দমতো সময়েই সরে দাঁড়াতে চান। এ জন্য তিনি একটি সময়সূচি ঘোষণা করবেন।

সংকটে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার:

ভোটারদের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের মুখে বর্তমানে সংকটে পড়েছে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার। পিটার ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ এবং শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক, স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফল—সব মিলিয়ে স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়েছে।

সবশেষ ধাক্কা আসে স্টারমার মন্ত্রিসভার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগের মাধ্যমে।

শনিবার স্ট্রিটিং জানান, ভবিষ্যতে লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে তিনি স্টারমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নিজের প্রার্থিতা তুলে ধরবেন।

ভাষণে তিনি স্টারমারকে দ্রুত সরে দাঁড়ানোর জন্য একটি ‘সময়সূচি নির্ধারণ’র আহ্বানও জানান।

জনপ্রিয়তা তলানিতে:

রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি কিয়ার স্টারমারের জনপ্রিয়তাও দ্রুত কমছে। জরিপ সংস্থা ইউগোভের এক জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক লেবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি “অসন্তুষ্ট” মনোভাব প্রকাশ করেছেন।

ইউগভ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে স্টারমার যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে অজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। অনেকেই তার অবস্থার সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রুসের মাত্র ৪৯ দিনের শাসনামলের তুলনা করছেন।