ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অটিজমে আক্রান্তদের পূর্ণ মর্যাদায় বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিটি নাগরিকের মতো অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদেরও পূর্ণ মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া মঙ্গলবার (১২ মে) এক বাণীতে তিনি বলেন, একটি মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণ ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় নিয়ে আসার বিকল্প নেই। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়, প্রতিটি জীবন মূল্যবান’। অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও গুরুত্ব সহকারে পালন হচ্ছে ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬’। সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ও ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। এ দিবস উদযাপনের আগে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু, ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্য, চিকিৎসক, থেরাপিস্ট, সহায়ক উপকরণ উদ্ভাবকসহ অটিজম বিষয়ে কর্মরত ব্যক্তি, সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনসমূহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

বাংলাদেশ বিশ্বের একটি অন্যতম জনবহুল দেশ। অন্যান্য প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক শিশু/ব্যক্তি অটিজম ও স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যার শিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি বৈষ্যমহীন, মেধাভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক জনগণকেন্দ্রিক মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে বর্তমান সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রতিবন্ধী বিষয়ক আইনগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি মর্যাদাপূর্ণ, সহায়ক ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তারেক রহমান বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে প্রতিটি মানুষ তার সীমাবদ্ধতা জয় করে নিজের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাবে। অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা, সামাজিক সক্ষমতা এবং মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের মানোন্নয়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন যারা খেলাধুলায় আগ্রহী আমরা ইতোমধ্যেই তাদের জন্য বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আরও বেশিসংখ্যক ব্যক্তি যাতে প্যারা-অলিম্পিকে অংশ নিতে পারে সে লক্ষ্য বাস্তবায়নেও সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, সম্মিলিত প্রয়াস, আন্তরিক সদিচ্ছা এবং মানবিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে সকল মানুষ, তাদের বৈশিষ্ট্য ও পরিচয়ের ভিন্নতা সত্ত্বেও, সমান সুযোগ, সম্মান এবং মর্যাদা নিয়ে জীবনযাপন করতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রী ‘১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষ্যে অটিজম বৈশিষ্টসম্পন্ন ব্যক্তি, তাদের পিতা-মাতা, স্বজন এবং পরিচর্যাকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভ কামনা জানান এবং দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অটিজমে আক্রান্তদের পূর্ণ মর্যাদায় বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:০৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিটি নাগরিকের মতো অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদেরও পূর্ণ মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া মঙ্গলবার (১২ মে) এক বাণীতে তিনি বলেন, একটি মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণ ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় নিয়ে আসার বিকল্প নেই। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়, প্রতিটি জীবন মূল্যবান’। অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও গুরুত্ব সহকারে পালন হচ্ছে ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬’। সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ও ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। এ দিবস উদযাপনের আগে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু, ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্য, চিকিৎসক, থেরাপিস্ট, সহায়ক উপকরণ উদ্ভাবকসহ অটিজম বিষয়ে কর্মরত ব্যক্তি, সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনসমূহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

বাংলাদেশ বিশ্বের একটি অন্যতম জনবহুল দেশ। অন্যান্য প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক শিশু/ব্যক্তি অটিজম ও স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যার শিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি বৈষ্যমহীন, মেধাভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক জনগণকেন্দ্রিক মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে বর্তমান সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রতিবন্ধী বিষয়ক আইনগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি মর্যাদাপূর্ণ, সহায়ক ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তারেক রহমান বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে প্রতিটি মানুষ তার সীমাবদ্ধতা জয় করে নিজের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাবে। অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা, সামাজিক সক্ষমতা এবং মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের মানোন্নয়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন যারা খেলাধুলায় আগ্রহী আমরা ইতোমধ্যেই তাদের জন্য বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আরও বেশিসংখ্যক ব্যক্তি যাতে প্যারা-অলিম্পিকে অংশ নিতে পারে সে লক্ষ্য বাস্তবায়নেও সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, সম্মিলিত প্রয়াস, আন্তরিক সদিচ্ছা এবং মানবিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে সকল মানুষ, তাদের বৈশিষ্ট্য ও পরিচয়ের ভিন্নতা সত্ত্বেও, সমান সুযোগ, সম্মান এবং মর্যাদা নিয়ে জীবনযাপন করতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রী ‘১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষ্যে অটিজম বৈশিষ্টসম্পন্ন ব্যক্তি, তাদের পিতা-মাতা, স্বজন এবং পরিচর্যাকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভ কামনা জানান এবং দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করেন।