ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন সম্প্রসারণে দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। একইসঙ্গে অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

সোমবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এতে পররাষ্ট্র সচিব, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইতালির রাষ্ট্রদূত, লিবিয়ার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (ভারপ্রাপ্ত), ঢাকায় আইওএম মিশনের প্রধানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন ও আলোচনায় অংশ নেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে।

এ অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অসাধু সিন্ডিকেটগুলোকে আইনের আওতায় আনার জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

বৈঠকে ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২৬ সালের জুনে আশ্রয় ও অভিবাসন বিষয়ে একটি নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে, যেখানে অনিয়মিত অভিবাসীদের বৈধ মর্যাদা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও কঠোর হবে।

আলোচনায় নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসনের পথ সম্প্রসারণে মতবিনিময় হয়। অভিবাসীদের দক্ষতা উন্নয়ন, ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আকর্ষণীয় করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। গন্তব্য দেশগুলোর নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসংস্থান-নিশ্চিত অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি সুপরিকল্পিত নিয়মিত অভিবাসন পথ তৈরি করার ওপর জোর দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে, যাতে তারা রেমিট্যান্স, মূলধন, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ফার্স্ট ধারণার আলোকে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অবদান রাখতে পারেন, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৫:৩৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন সম্প্রসারণে দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। একইসঙ্গে অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

সোমবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এতে পররাষ্ট্র সচিব, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইতালির রাষ্ট্রদূত, লিবিয়ার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (ভারপ্রাপ্ত), ঢাকায় আইওএম মিশনের প্রধানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন ও আলোচনায় অংশ নেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে।

এ অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অসাধু সিন্ডিকেটগুলোকে আইনের আওতায় আনার জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

বৈঠকে ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২৬ সালের জুনে আশ্রয় ও অভিবাসন বিষয়ে একটি নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে, যেখানে অনিয়মিত অভিবাসীদের বৈধ মর্যাদা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও কঠোর হবে।

আলোচনায় নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসনের পথ সম্প্রসারণে মতবিনিময় হয়। অভিবাসীদের দক্ষতা উন্নয়ন, ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আকর্ষণীয় করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। গন্তব্য দেশগুলোর নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসংস্থান-নিশ্চিত অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি সুপরিকল্পিত নিয়মিত অভিবাসন পথ তৈরি করার ওপর জোর দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে, যাতে তারা রেমিট্যান্স, মূলধন, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ফার্স্ট ধারণার আলোকে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অবদান রাখতে পারেন, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।