ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাম থেকে বাবার পদবি মুছে ফেললেন নেতানিয়াহুর ছেলে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের ক্ষমা চাইতে হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের বাবার ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি একসময় আমলারা খিচুড়ি রান্না-কচুরিপানা পরিষ্কার করতে বিদেশ যেতেন: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষায় বিনিয়োগই দেশের ভবিষ্যতের বিনিয়োগ: ভূমিমন্ত্রী এআই হবে ভবিষ্যৎ অর্থনীতির চালিকাশক্তি: আইসিটি মন্ত্রী সিঙ্গাপুর কানাডা নয় বাংলাদেশকে সবুজ-বাসযোগ্য দেশে পরিণত করতে চাই: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম জামায়াত থেকে বের হয়ে এনসিপি স্বতন্ত্র রাজনীতি না করলে নতুন বন্দোবস্তের আশা পুরোপুরি শেষ: রাশেদ

ক্রীড়াক্ষেত্রে নারীর উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাজ্যের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশের নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতকালে এ আগ্রহের কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নূর আলমের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হযেছে।

দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে বাংলাদেশে নারী ক্রীড়ার মানোন্নয়ন, যুব সমাজকে দক্ষ করে তোলা এবং দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া কূটনীতি শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়া কূটনীতি দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক। তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে আমরা সম্প্রতি দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস কার্যক্রম শুরু করেছি। এই কার্যক্রমের আওতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের বাছাই করে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য বিকেএসপিতে পাঠানো হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়া ও যুব উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর। খেলাধুলা সমাজের বৈষম্য দূরীকরণে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। আমাদের স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি নির্মণে কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন। আমরা চাই ব্রিটিশ সরকারের কারিগরি সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়রা আরও আধুনিক ও বিশ্বমানের হওয়ার সুযোগ পাক।

সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে যুক্তরাজ্য অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করতে আগ্রহী। বিশেষ করে কমনওয়েলথ গেমসকে সামনে রেখে সাঁতার, বক্সিং ও মার্শাল আর্টের মতো খেলাধুলা নিয়ে যৌথভাবে কাজ করতে পারি। এছাড়া, প্যারালিম্পিক গেমসে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে আমরা সমাজের প্রতিটি স্তরে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে চাই, যা দুই দেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাম থেকে বাবার পদবি মুছে ফেললেন নেতানিয়াহুর ছেলে

ক্রীড়াক্ষেত্রে নারীর উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাজ্যের

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশের নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতকালে এ আগ্রহের কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নূর আলমের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হযেছে।

দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে বাংলাদেশে নারী ক্রীড়ার মানোন্নয়ন, যুব সমাজকে দক্ষ করে তোলা এবং দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া কূটনীতি শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়া কূটনীতি দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক। তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে আমরা সম্প্রতি দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস কার্যক্রম শুরু করেছি। এই কার্যক্রমের আওতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের বাছাই করে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য বিকেএসপিতে পাঠানো হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়া ও যুব উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর। খেলাধুলা সমাজের বৈষম্য দূরীকরণে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। আমাদের স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি নির্মণে কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন। আমরা চাই ব্রিটিশ সরকারের কারিগরি সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়রা আরও আধুনিক ও বিশ্বমানের হওয়ার সুযোগ পাক।

সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে যুক্তরাজ্য অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করতে আগ্রহী। বিশেষ করে কমনওয়েলথ গেমসকে সামনে রেখে সাঁতার, বক্সিং ও মার্শাল আর্টের মতো খেলাধুলা নিয়ে যৌথভাবে কাজ করতে পারি। এছাড়া, প্যারালিম্পিক গেমসে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে আমরা সমাজের প্রতিটি স্তরে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে চাই, যা দুই দেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।