ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাম থেকে বাবার পদবি মুছে ফেললেন নেতানিয়াহুর ছেলে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের ক্ষমা চাইতে হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের বাবার ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি একসময় আমলারা খিচুড়ি রান্না-কচুরিপানা পরিষ্কার করতে বিদেশ যেতেন: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষায় বিনিয়োগই দেশের ভবিষ্যতের বিনিয়োগ: ভূমিমন্ত্রী এআই হবে ভবিষ্যৎ অর্থনীতির চালিকাশক্তি: আইসিটি মন্ত্রী সিঙ্গাপুর কানাডা নয় বাংলাদেশকে সবুজ-বাসযোগ্য দেশে পরিণত করতে চাই: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম জামায়াত থেকে বের হয়ে এনসিপি স্বতন্ত্র রাজনীতি না করলে নতুন বন্দোবস্তের আশা পুরোপুরি শেষ: রাশেদ

‘আমলাদের শাসক নয়, সেবক হতে হবে’:স্পীকার হাফিজ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপি বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসকগণ রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী সরকারের স্বৈরাচারী শাসনামলে নির্বাচন ব্যবস্থা ছিল নজিরবিহীন দুর্নীতি ও ত্রুটিপূর্ণ। জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ দেশের সামগ্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে জেলাপ্রশাসকগণ সুদৃঢ় ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে অর্থবহ করতে রাষ্ট্রের ব্যুরোক্রেসিকে সঠিক ভূমিকা পালন করতে হবে। আগামী দিনগুলোতে আমলাদের শাসক নয়, বরং সেবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে।

তিনি আজ জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, বাংলাদেশের জনগণ অত্যন্ত গণতন্ত্রকামী। সাধারণ মানুষের অনেক রক্তক্ষয়ী ত্যাগ তিতিক্ষার পর দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অনন্য। তিনি বলেন, একাত্তরের বাংলাদেশ বাঙ্গালি জাতির অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের পরিচয় বহন করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। জেলা প্রশাসকগণের পক্ষ থেকে বক্তব্য প্রদান করেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মিস নাজমা আশরাফী, বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান এবং রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার এ এন এম বজলুর রশীদ। এসময় ধন্যবাদসূচক বক্তব্য জ্ঞাপন করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি বলেন, সংসদ গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র। গণতান্ত্রিক বিতর্ক সংসদকে দুর্বল করে না, বরং শক্তিশালী করে। সংসদ থেকে প্রণীত আইন নির্বাহী বিভাগ বাস্তবায়ন করে।

জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি এমপি বলেন, জেলা প্রশাসকগণ সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করে। কেন্দ্রীয় নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসনে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা অর্থবহ।

স্পীকার এ সময় বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনারদের সাথে মতবিনিময় শেষে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনারসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাম থেকে বাবার পদবি মুছে ফেললেন নেতানিয়াহুর ছেলে

‘আমলাদের শাসক নয়, সেবক হতে হবে’:স্পীকার হাফিজ

আপডেট সময় ১০:৪৪:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপি বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসকগণ রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী সরকারের স্বৈরাচারী শাসনামলে নির্বাচন ব্যবস্থা ছিল নজিরবিহীন দুর্নীতি ও ত্রুটিপূর্ণ। জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ দেশের সামগ্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে জেলাপ্রশাসকগণ সুদৃঢ় ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে অর্থবহ করতে রাষ্ট্রের ব্যুরোক্রেসিকে সঠিক ভূমিকা পালন করতে হবে। আগামী দিনগুলোতে আমলাদের শাসক নয়, বরং সেবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে।

তিনি আজ জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, বাংলাদেশের জনগণ অত্যন্ত গণতন্ত্রকামী। সাধারণ মানুষের অনেক রক্তক্ষয়ী ত্যাগ তিতিক্ষার পর দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অনন্য। তিনি বলেন, একাত্তরের বাংলাদেশ বাঙ্গালি জাতির অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের পরিচয় বহন করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। জেলা প্রশাসকগণের পক্ষ থেকে বক্তব্য প্রদান করেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মিস নাজমা আশরাফী, বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান এবং রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার এ এন এম বজলুর রশীদ। এসময় ধন্যবাদসূচক বক্তব্য জ্ঞাপন করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি বলেন, সংসদ গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র। গণতান্ত্রিক বিতর্ক সংসদকে দুর্বল করে না, বরং শক্তিশালী করে। সংসদ থেকে প্রণীত আইন নির্বাহী বিভাগ বাস্তবায়ন করে।

জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি এমপি বলেন, জেলা প্রশাসকগণ সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করে। কেন্দ্রীয় নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসনে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা অর্থবহ।

স্পীকার এ সময় বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনারদের সাথে মতবিনিময় শেষে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনারসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।