ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইবার অপরাধ ও গুজব এখন বড় চ্যালেঞ্জ : আইজিপি মার্কিন হামলা হলে ভয়াবহ পালটা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু এইচএসসির আন্দোলনে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রিন কার্ডের জন্য লাখ ডলার ফি নেয়ার পরিকল্পনা ট্রাম্পের, বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী ইশরাক পারিবারিক কলহের জেরে ঘরে আগুন, স্বামীকে তালাক দিলেন স্ত্রী সব স্কুল ও কলেজের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১০ শ্রমিক পাবনায় মাইকিং করে পুলিশের ওপর হামলা, ওসিসহ আহত ২

যেদিকে তাকাই দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি, সামনে এগোতে এসব বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে: মির্জা ফখরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারে আসার পর যেদিকে তাকাই শুধু অনিয়ম, দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি দেখতে পাই। সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এসব বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শনিবার দুপুরে রাজধানীর শের-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যাসিস্টবিরোধী দীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে নতুন করে বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হয়েছে। জুলাই সনদ ও সংবিধান নিয়ে নানা বাহাস হচ্ছে। তা ভালো, কিন্তু এগুলোকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়।

তিনি বলেন, আমাদের দরকার জিয়াউর রহমানের ওপর গবেষণা প্রতিষ্ঠান। আমার চাপে জিয়া পরিষদ কয়েকটি বই করেছে। তারা গবেষণামূলক কাজ করুক, সেটি প্রত্যাশা। বাংলাদেশে নিয়ম হয়েছিল, তদবির ছাড়া কাজ হয় না। এটি ১৫ বছরে হয়েছে। অনেকে ভাইস চ্যান্সেলর হতে তদবির করেছেন- এটা দুঃখজনক। এটি সিস্টেমের দোষ। মূলত মেধা ও বুদ্ধিমত্তা ছাড়া সামনে এগোনো যায় না।

বিএনপির মহাসচিব, জুলাই সনদের প্রতিটি জায়গায় আমরা ছিলাম। আমরা কিছু জায়গায় নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছি। স্বাক্ষরও করেছি। এখন অবলীলায় বলছে, সবটাই করতে হবে। উচ্চকক্ষে পিআরে আমরা একমত হইনি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়েও আমরা একমত হইনি। সবকিছু সংসদে করতে হবে।

তিনি বলেন, অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন বিএনপি সংস্কার মানে না। অথচ বিএনপিই সংস্কারের জনক। জিয়াউর রহমান প্রথম সংস্কার এনেছিলেন। তারা মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছেন, জামায়াত এটা নিয়ে আন্দোলনও করছে। উদ্দেশ্য, বাংলাদেশকে আবারও অস্থিতিশীল করা। আইনমন্ত্রী সংবিধান সংশোধনে কমিটির নাম চেয়েছেন। আশা করি, দ্রুত তারা নাম দেবে।

তিনি বলেন, ছাত্র রাজনীতিতে মেধাবীদের যুক্ত করতে হবে। সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে হবে। না হলে এটি অতীতের মতো আগামীতেও ক্ষতি করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার অপরাধ ও গুজব এখন বড় চ্যালেঞ্জ : আইজিপি

যেদিকে তাকাই দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি, সামনে এগোতে এসব বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ১১:৫২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারে আসার পর যেদিকে তাকাই শুধু অনিয়ম, দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি দেখতে পাই। সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এসব বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শনিবার দুপুরে রাজধানীর শের-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যাসিস্টবিরোধী দীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে নতুন করে বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হয়েছে। জুলাই সনদ ও সংবিধান নিয়ে নানা বাহাস হচ্ছে। তা ভালো, কিন্তু এগুলোকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়।

তিনি বলেন, আমাদের দরকার জিয়াউর রহমানের ওপর গবেষণা প্রতিষ্ঠান। আমার চাপে জিয়া পরিষদ কয়েকটি বই করেছে। তারা গবেষণামূলক কাজ করুক, সেটি প্রত্যাশা। বাংলাদেশে নিয়ম হয়েছিল, তদবির ছাড়া কাজ হয় না। এটি ১৫ বছরে হয়েছে। অনেকে ভাইস চ্যান্সেলর হতে তদবির করেছেন- এটা দুঃখজনক। এটি সিস্টেমের দোষ। মূলত মেধা ও বুদ্ধিমত্তা ছাড়া সামনে এগোনো যায় না।

বিএনপির মহাসচিব, জুলাই সনদের প্রতিটি জায়গায় আমরা ছিলাম। আমরা কিছু জায়গায় নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছি। স্বাক্ষরও করেছি। এখন অবলীলায় বলছে, সবটাই করতে হবে। উচ্চকক্ষে পিআরে আমরা একমত হইনি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়েও আমরা একমত হইনি। সবকিছু সংসদে করতে হবে।

তিনি বলেন, অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন বিএনপি সংস্কার মানে না। অথচ বিএনপিই সংস্কারের জনক। জিয়াউর রহমান প্রথম সংস্কার এনেছিলেন। তারা মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছেন, জামায়াত এটা নিয়ে আন্দোলনও করছে। উদ্দেশ্য, বাংলাদেশকে আবারও অস্থিতিশীল করা। আইনমন্ত্রী সংবিধান সংশোধনে কমিটির নাম চেয়েছেন। আশা করি, দ্রুত তারা নাম দেবে।

তিনি বলেন, ছাত্র রাজনীতিতে মেধাবীদের যুক্ত করতে হবে। সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে হবে। না হলে এটি অতীতের মতো আগামীতেও ক্ষতি করবে।