ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে’

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক ম্যার্ৎস বলেছেন, ‘‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে। সময়ক্ষেপণ বন্ধ করতে হবে তাদের। তারা আর পুরো অঞ্চল (মধ্যপ্রাচ্য), এমনকি পুরো বিশ্বকে জিম্মি করে রাখতে পারে না।’’

বৃহস্পতিবার জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনির ম্যুনস্টারে অর্থমন্ত্রী লার্স ক্লিংবাইলের সঙ্গে এক সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এসব কথা বলেছেন তিনি।

ফ্রেডরিক ম্যার্ৎস বলেন, ইরানের সামরিক কর্মসূচির অবসান হতেই হবে। ইসরায়েল বা আমাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে আর কোনো হামলা চলতে পারে না। এ সময় হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে ম্যর্ৎস বলেন, প্রাসঙ্গিক শর্তগুলো পূরণ হলে সামুদ্রিক পথের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য জার্মানি সামরিকভাবে অবদান রাখতে প্রস্তুত।

সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিজের নাম লেখা সামরিক পোশাক পরে কথা বলার সময় জার্মানির চ্যান্সেলর বলেন, সাইপ্রাসে ইউরোপীয় কাউন্সিলের এক বৈঠকে তিনি ‘‘ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ানোর’’ তদবির করেছেন। কারণ হরমুজ অবরুদ্ধ থাকলে তা সকলের জন্য ব্যাপক অর্থনৈতিক সমস্যার কারণ হবে।

তার সরকার এসব বিষয়ে মিত্রদের সঙ্গে, ‘‘বিশেষ করে ওয়াশিংটনে’’ নিবিড় যোগাযোগ রাখছে বলেও জানিয়েছেন ম্যার্ৎস। তিনি বলেন, আমরা তা করছি সম্মিলিত ট্রান্সআটলান্টিক স্বার্থে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং কাজের ন্যায্য বিভাজন বজায় রেখে তা করছি আমরা।

‘‘এক্ষেত্রে বিশেষ করে এই উত্তাল সময়ে আমরা একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা অনুসরণ করছি। এই দিকনির্দেশনা একটি শক্তিশালী ন্যাটো এবং একটি নির্ভরযোগ্য ট্রান্সআটলান্টিক অংশীদারিত্বের দিকেই নির্দেশিত থাকে।’’

এর আগে, পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা নিয়ে টানাপোড়েনের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ‘অপমানিত’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন ম্যার্ৎস। ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তারপরই ইরান এবং হরমুজ নিয়ে এসব মন্তব্য করলেন ফ্রিডরিক ম্যার্ৎস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে’

আপডেট সময় ১০:১৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক ম্যার্ৎস বলেছেন, ‘‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে। সময়ক্ষেপণ বন্ধ করতে হবে তাদের। তারা আর পুরো অঞ্চল (মধ্যপ্রাচ্য), এমনকি পুরো বিশ্বকে জিম্মি করে রাখতে পারে না।’’

বৃহস্পতিবার জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনির ম্যুনস্টারে অর্থমন্ত্রী লার্স ক্লিংবাইলের সঙ্গে এক সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এসব কথা বলেছেন তিনি।

ফ্রেডরিক ম্যার্ৎস বলেন, ইরানের সামরিক কর্মসূচির অবসান হতেই হবে। ইসরায়েল বা আমাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে আর কোনো হামলা চলতে পারে না। এ সময় হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে ম্যর্ৎস বলেন, প্রাসঙ্গিক শর্তগুলো পূরণ হলে সামুদ্রিক পথের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য জার্মানি সামরিকভাবে অবদান রাখতে প্রস্তুত।

সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিজের নাম লেখা সামরিক পোশাক পরে কথা বলার সময় জার্মানির চ্যান্সেলর বলেন, সাইপ্রাসে ইউরোপীয় কাউন্সিলের এক বৈঠকে তিনি ‘‘ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ানোর’’ তদবির করেছেন। কারণ হরমুজ অবরুদ্ধ থাকলে তা সকলের জন্য ব্যাপক অর্থনৈতিক সমস্যার কারণ হবে।

তার সরকার এসব বিষয়ে মিত্রদের সঙ্গে, ‘‘বিশেষ করে ওয়াশিংটনে’’ নিবিড় যোগাযোগ রাখছে বলেও জানিয়েছেন ম্যার্ৎস। তিনি বলেন, আমরা তা করছি সম্মিলিত ট্রান্সআটলান্টিক স্বার্থে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং কাজের ন্যায্য বিভাজন বজায় রেখে তা করছি আমরা।

‘‘এক্ষেত্রে বিশেষ করে এই উত্তাল সময়ে আমরা একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা অনুসরণ করছি। এই দিকনির্দেশনা একটি শক্তিশালী ন্যাটো এবং একটি নির্ভরযোগ্য ট্রান্সআটলান্টিক অংশীদারিত্বের দিকেই নির্দেশিত থাকে।’’

এর আগে, পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা নিয়ে টানাপোড়েনের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ‘অপমানিত’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন ম্যার্ৎস। ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তারপরই ইরান এবং হরমুজ নিয়ে এসব মন্তব্য করলেন ফ্রিডরিক ম্যার্ৎস।