ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়রপ্রার্থী সাদিক কায়েম ভরাট খাল উদ্ধার না হলে মুক্তি নেই জলাবদ্ধতায়: ডিএসসিসি প্রশাসক ‘রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে’:মিতু ইতালিতে ছোট ভাইকে হত্যা করে ভিডিও কলে পরিবারকে দেখাল বড় ভাই জ্যামে থাকা মাইক্রোবাসে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, বাধা দেওয়ায় চালককে ছুরিকাঘাত ইরানে আবারও হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: পেজেশকিয়ান ‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে’ সংস্কারের নামে’ নির্বাচন ঠেকানোর আশঙ্কা থেকেই আমাদের এই অবস্থান নিতে হয়েছে: সালাহউদ্দিন ‘ভোটের সম্মান পাকিস্তানি সরকার না দেখানোর কারণেই মুক্তিযুদ্ধ’: শফিকুর রহমান

‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে’

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক ম্যার্ৎস বলেছেন, ‘‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে। সময়ক্ষেপণ বন্ধ করতে হবে তাদের। তারা আর পুরো অঞ্চল (মধ্যপ্রাচ্য), এমনকি পুরো বিশ্বকে জিম্মি করে রাখতে পারে না।’’

বৃহস্পতিবার জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনির ম্যুনস্টারে অর্থমন্ত্রী লার্স ক্লিংবাইলের সঙ্গে এক সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এসব কথা বলেছেন তিনি।

ফ্রেডরিক ম্যার্ৎস বলেন, ইরানের সামরিক কর্মসূচির অবসান হতেই হবে। ইসরায়েল বা আমাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে আর কোনো হামলা চলতে পারে না। এ সময় হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে ম্যর্ৎস বলেন, প্রাসঙ্গিক শর্তগুলো পূরণ হলে সামুদ্রিক পথের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য জার্মানি সামরিকভাবে অবদান রাখতে প্রস্তুত।

সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিজের নাম লেখা সামরিক পোশাক পরে কথা বলার সময় জার্মানির চ্যান্সেলর বলেন, সাইপ্রাসে ইউরোপীয় কাউন্সিলের এক বৈঠকে তিনি ‘‘ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ানোর’’ তদবির করেছেন। কারণ হরমুজ অবরুদ্ধ থাকলে তা সকলের জন্য ব্যাপক অর্থনৈতিক সমস্যার কারণ হবে।

তার সরকার এসব বিষয়ে মিত্রদের সঙ্গে, ‘‘বিশেষ করে ওয়াশিংটনে’’ নিবিড় যোগাযোগ রাখছে বলেও জানিয়েছেন ম্যার্ৎস। তিনি বলেন, আমরা তা করছি সম্মিলিত ট্রান্সআটলান্টিক স্বার্থে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং কাজের ন্যায্য বিভাজন বজায় রেখে তা করছি আমরা।

‘‘এক্ষেত্রে বিশেষ করে এই উত্তাল সময়ে আমরা একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা অনুসরণ করছি। এই দিকনির্দেশনা একটি শক্তিশালী ন্যাটো এবং একটি নির্ভরযোগ্য ট্রান্সআটলান্টিক অংশীদারিত্বের দিকেই নির্দেশিত থাকে।’’

এর আগে, পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা নিয়ে টানাপোড়েনের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ‘অপমানিত’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন ম্যার্ৎস। ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তারপরই ইরান এবং হরমুজ নিয়ে এসব মন্তব্য করলেন ফ্রিডরিক ম্যার্ৎস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি

‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে’

আপডেট সময় ১০:১৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক ম্যার্ৎস বলেছেন, ‘‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে। সময়ক্ষেপণ বন্ধ করতে হবে তাদের। তারা আর পুরো অঞ্চল (মধ্যপ্রাচ্য), এমনকি পুরো বিশ্বকে জিম্মি করে রাখতে পারে না।’’

বৃহস্পতিবার জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনির ম্যুনস্টারে অর্থমন্ত্রী লার্স ক্লিংবাইলের সঙ্গে এক সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এসব কথা বলেছেন তিনি।

ফ্রেডরিক ম্যার্ৎস বলেন, ইরানের সামরিক কর্মসূচির অবসান হতেই হবে। ইসরায়েল বা আমাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে আর কোনো হামলা চলতে পারে না। এ সময় হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে ম্যর্ৎস বলেন, প্রাসঙ্গিক শর্তগুলো পূরণ হলে সামুদ্রিক পথের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য জার্মানি সামরিকভাবে অবদান রাখতে প্রস্তুত।

সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিজের নাম লেখা সামরিক পোশাক পরে কথা বলার সময় জার্মানির চ্যান্সেলর বলেন, সাইপ্রাসে ইউরোপীয় কাউন্সিলের এক বৈঠকে তিনি ‘‘ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ানোর’’ তদবির করেছেন। কারণ হরমুজ অবরুদ্ধ থাকলে তা সকলের জন্য ব্যাপক অর্থনৈতিক সমস্যার কারণ হবে।

তার সরকার এসব বিষয়ে মিত্রদের সঙ্গে, ‘‘বিশেষ করে ওয়াশিংটনে’’ নিবিড় যোগাযোগ রাখছে বলেও জানিয়েছেন ম্যার্ৎস। তিনি বলেন, আমরা তা করছি সম্মিলিত ট্রান্সআটলান্টিক স্বার্থে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং কাজের ন্যায্য বিভাজন বজায় রেখে তা করছি আমরা।

‘‘এক্ষেত্রে বিশেষ করে এই উত্তাল সময়ে আমরা একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা অনুসরণ করছি। এই দিকনির্দেশনা একটি শক্তিশালী ন্যাটো এবং একটি নির্ভরযোগ্য ট্রান্সআটলান্টিক অংশীদারিত্বের দিকেই নির্দেশিত থাকে।’’

এর আগে, পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা নিয়ে টানাপোড়েনের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ‘অপমানিত’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন ম্যার্ৎস। ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তারপরই ইরান এবং হরমুজ নিয়ে এসব মন্তব্য করলেন ফ্রিডরিক ম্যার্ৎস।