ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি ও তরমুজ খেয়ে স্বামী-স্ত্রী ও দুই মেয়ের মৃত্যু

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের মুম্বাইয়ের পাইধোনি এলাকায় বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পর বিষক্রিয়ায় একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মুম্বাই পুলিশ। খবর এনডিটিভির।

নিহতরা হলেন- আবদুল্লাহ ডোকাদিয়া (৪০), তাঁর স্ত্রী নাসরিন ডোকাদিয়া (৩৫) এবং তাঁদের দুই মেয়ে জয়নাব (১৩) ও আয়েশা (১৬)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পরিবারের সদস্যরা নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে একসঙ্গে খাবার গ্রহণ করেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাবার শেষে আত্মীয়রা নিজ নিজ বাসায় ফিরে যান। পরে দিবাগত রাত ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে পরিবারের চার সদস্য তরমুজ খান।

পরদিন রবিবার (২৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে তারা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে তীব্র বমি ও ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত মুম্বাইয়ের জেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ছোট মেয়ে জয়নাবের মৃত্যু হয়। একই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান বাবা আবদুল্লাহ ডোকাদিয়া। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা নাসরিন ও বড় মেয়ে আয়েশাও মারা যান।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জেজে মার্গ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দূষিত খাবার থেকেই এই বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে ঠিক কোন খাবার থেকে বিষক্রিয়া হয়েছে, তা জানতে তদন্ত চলছে।

এদিকে, ঝাড়খন্ডের গিরিডি জেলায় একই ধরনের আরেক ঘটনায় রাস্তার পাশের খাবার খেয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ১৮ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, দূষিত খাবার বা পানি গ্রহণের ফলে এ ধরনের বিষক্রিয়া হতে পারে। এর লক্ষণ হিসেবে বমি, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা ও বমি বমি ভাব দেখা যায়। এ ঘটনায় খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি ও তরমুজ খেয়ে স্বামী-স্ত্রী ও দুই মেয়ের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৬:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের মুম্বাইয়ের পাইধোনি এলাকায় বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পর বিষক্রিয়ায় একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মুম্বাই পুলিশ। খবর এনডিটিভির।

নিহতরা হলেন- আবদুল্লাহ ডোকাদিয়া (৪০), তাঁর স্ত্রী নাসরিন ডোকাদিয়া (৩৫) এবং তাঁদের দুই মেয়ে জয়নাব (১৩) ও আয়েশা (১৬)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পরিবারের সদস্যরা নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে একসঙ্গে খাবার গ্রহণ করেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাবার শেষে আত্মীয়রা নিজ নিজ বাসায় ফিরে যান। পরে দিবাগত রাত ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে পরিবারের চার সদস্য তরমুজ খান।

পরদিন রবিবার (২৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে তারা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে তীব্র বমি ও ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত মুম্বাইয়ের জেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ছোট মেয়ে জয়নাবের মৃত্যু হয়। একই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান বাবা আবদুল্লাহ ডোকাদিয়া। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা নাসরিন ও বড় মেয়ে আয়েশাও মারা যান।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জেজে মার্গ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দূষিত খাবার থেকেই এই বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে ঠিক কোন খাবার থেকে বিষক্রিয়া হয়েছে, তা জানতে তদন্ত চলছে।

এদিকে, ঝাড়খন্ডের গিরিডি জেলায় একই ধরনের আরেক ঘটনায় রাস্তার পাশের খাবার খেয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ১৮ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, দূষিত খাবার বা পানি গ্রহণের ফলে এ ধরনের বিষক্রিয়া হতে পারে। এর লক্ষণ হিসেবে বমি, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা ও বমি বমি ভাব দেখা যায়। এ ঘটনায় খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।