ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে চাই : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ‘পাঁচ মাসে গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে সরকার’:মাহদী আমিন স্বাধীন সাংবাদিকতার আড়ালে অপসাংবাদিকতা করবেন না : আতিকুর রহমান রুমন সড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঋণসংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান তিতুমীরের জামায়াতের মতো মোনাফেক দল পৃথিবীতে আর জন্ম হয়নি : ফজলুর রহমান তারেক রহমানের নেতৃত্বে মানবকেন্দ্রিক এআই নীতি প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ: আইসিটি মন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহার ও জুলাই সনদ একসঙ্গে বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রেস সচিব কাপ্তাই বাঁধের ১৬ গেট খুলে দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকে দেশের ক্ষতি করেছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী

সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নতুন আমদানি নীতি (ইমপোর্ট পলিসি) চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং শিগগিরই তা উন্মুক্ত করা হবে।

পাশাপাশি বস্ত্র ও পাট, শিল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সেবা সহজীকরণে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আলাদা কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি।

রবিবার সকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারের কাছে তাদের দাবি-দাওয়া কার্যকরভাবে উপস্থাপনে এফবিসিসিআই-এর ভূমিকা আরও শক্তিশালী ও সক্রিয় হতে হবে। প্রয়োজনে ইতিবাচক ও গঠনমূলক চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে নীতিগত সহায়তা আদায়ে সংগঠনটিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তবে এফবিসিসিআইকে কোনোভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি এফবিসিসিআই দেখতে চাই, যা প্রকৃত অর্থেই সকল ব্যবসায়ীর সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।’

এফবিসিসিআই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে নীতিনির্ধারণে বাস্তবভিত্তিক মতামত প্রদান করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সংগঠনটিকে গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে যোগ্য, দূরদর্শী ও উদ্যমী নেতৃত্ব অপরিহার্য। এফবিসিসিআই-এর নেতৃত্ব ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকেই আসা উচিত এবং সংগঠনটি যেন ব্যবসায়ী সমাজের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সেটি নিশ্চিত করা হবে।

বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) ও এফবিসিসিআই-এর প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান বক্তব্য দেন।

এছাড়া ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি এস এম ফজলুল হক, এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন, বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক নাসরিন ফাতেমা আউয়াল, আব্দুল হক, বাংলাদেশ সিএনজি মেশিনারিজ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাকির হোসেন নয়ন, বাংলাদেশ সুপার মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী খোকন, রাঙামাটি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি বেলায়েত হোসেন ভূঁইয়া, এফবিসিসিআই-এর সাবেক সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দিন রাজেশ এবং সাবেক পরিচালক সৈয়দ বখতিয়ার প্রমুখ।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী নেতাদের এফবিসিসিআইকে আরও কার্যকর ও ব্যবসাবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। তারা নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে ব্যবসায়ী সমাজ থেকে একজনকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাবও উত্থাপন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে চাই : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:০৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নতুন আমদানি নীতি (ইমপোর্ট পলিসি) চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং শিগগিরই তা উন্মুক্ত করা হবে।

পাশাপাশি বস্ত্র ও পাট, শিল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সেবা সহজীকরণে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আলাদা কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি।

রবিবার সকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারের কাছে তাদের দাবি-দাওয়া কার্যকরভাবে উপস্থাপনে এফবিসিসিআই-এর ভূমিকা আরও শক্তিশালী ও সক্রিয় হতে হবে। প্রয়োজনে ইতিবাচক ও গঠনমূলক চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে নীতিগত সহায়তা আদায়ে সংগঠনটিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তবে এফবিসিসিআইকে কোনোভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি এফবিসিসিআই দেখতে চাই, যা প্রকৃত অর্থেই সকল ব্যবসায়ীর সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।’

এফবিসিসিআই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে নীতিনির্ধারণে বাস্তবভিত্তিক মতামত প্রদান করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সংগঠনটিকে গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে যোগ্য, দূরদর্শী ও উদ্যমী নেতৃত্ব অপরিহার্য। এফবিসিসিআই-এর নেতৃত্ব ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকেই আসা উচিত এবং সংগঠনটি যেন ব্যবসায়ী সমাজের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সেটি নিশ্চিত করা হবে।

বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) ও এফবিসিসিআই-এর প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান বক্তব্য দেন।

এছাড়া ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি এস এম ফজলুল হক, এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন, বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক নাসরিন ফাতেমা আউয়াল, আব্দুল হক, বাংলাদেশ সিএনজি মেশিনারিজ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাকির হোসেন নয়ন, বাংলাদেশ সুপার মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী খোকন, রাঙামাটি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি বেলায়েত হোসেন ভূঁইয়া, এফবিসিসিআই-এর সাবেক সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দিন রাজেশ এবং সাবেক পরিচালক সৈয়দ বখতিয়ার প্রমুখ।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী নেতাদের এফবিসিসিআইকে আরও কার্যকর ও ব্যবসাবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। তারা নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে ব্যবসায়ী সমাজ থেকে একজনকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাবও উত্থাপন করেন।