আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাজধানীর মতিঝিলে জড়ো হয়েছেন ছয় ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কয়েক হাজার সাবেক কর্মী। যাদের অধিকাংশের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়ায়। এস আলমের হাতে এসব ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ থাকা অবস্থায় নিজ এলাকার এসব কর্মী নিয়োগ হয়। কোনো ধরনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও শিক্ষাগত সনদ যাচাই ছাড়া নিয়োগের বিষয়টি প্রমাণ হওয়ায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এরা চাকরি হারান।
রোববার সকাল থেকে মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের সামনে ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে তারা জড়ো হন। জড়ো হওয়া কর্মীরা যেসব ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়েছেন সেখানে- ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মীদের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।
সকাল থেকে তারা চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে হ্যান্ডমাইকে বিভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছেন। চাকরি ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশ ব্যাংক গঠিত পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে নতুন পর্ষদ গঠন, এমডি, ডিএমডিসহ সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন।
এসব ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ করে কারও চাকরি চলে গেছে তেমন না। ব্যাংকিংখাতের শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে শুরুতে তাদের সনদ যাচাই করা হয়। এরপর একটি মূল্যায়ন পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। সেই পরীক্ষায় যারা অংশ নেয়নি এবং যাদের সনদে জালিয়াতি পাওয়া গেছে কেবল তাদেরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ফলে তাদের ফেরানোর সুযোগ নেই।
তারা জানান, এসব ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে এস আলমের প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা বের করার তথ্য-প্রমাণ পায় বাংলাদেশ ব্যাংক। এই কারণে ব্যাংকগুলোর পর্ষদ ভেঙে পুনর্গঠন করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার মতো অবস্থা না থাকায় এরই মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক একীভূত করা হয়েছে। আল-আরাফাহ ইসলামী ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পরিচালিত হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ করা স্বতন্ত্র পরিচালক দিয়ে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















