ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী বছরের মধ্যে গোটা রাখাইন দখলের ঘোষণা আরাকান আর্মির

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

আগামী ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ রাখাইন রাজ্যের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।

গত শুক্রবার আরাকান আর্মির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন গোষ্ঠীর প্রধান জেনারেল তোয়ান ম্রাত নাইং।

রাখাইন রাজ্যের ১৭টি উপজেলার মধ্যে ১৪টি এবং চিন রাজ্যের পালেতওয়া এখন আরাকান আর্মির দখলে রয়েছে। বর্তমানে কেবল রাজধানী সিত্তওয়ে, কিয়াকফিউ এবং মানাউং শহর মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে।

জেনারেল তোয়ান ম্রাত নাইং তার বক্তব্যে বলেন, তারা পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সাথে লক্ষ্যের এগিয়ে যাবেন এবং জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে অন্যান্য মিত্র গোষ্ঠীর সাথে মিলে লড়াই চালিয়ে যাবেন।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর থেকে রাখাইনে এই জোরালো অভিযান শুরু করে আরাকান আর্মি। কেবল সামরিক বিজয়ই নয়, তারা ইতোমধ্যে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে নিজস্ব প্রশাসনিক ব্যবস্থা, আদালত, স্কুল এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গড়ে তুলেছে। তবে জান্তা বাহিনীর বিমান ও নৌ-হামলার কারণে এসব এলাকায় সাধারণ মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।

আরাকান আর্মির এই অভাবনীয় সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের অন্য দুই সদস্য এবং দেশটির জাতীয় ঐক্য সরকারসহ ৪০টিরও বেশি সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী। তাদের বার্তায় বলা হয়েছে, আরাকান আর্মির এই অর্জন মিয়ানমারের অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠীর জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ।

২০০৯ সালের ১০ এপ্রিল মাত্র ২৬ জন সদস্য এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কাচিন রাজ্যের লাইজায় যাত্রা শুরু করেছিল এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি, যা আজ জান্তা বাহিনীর জন্য এক বিশাল মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

আগামী বছরের মধ্যে গোটা রাখাইন দখলের ঘোষণা আরাকান আর্মির

আপডেট সময় ১১:২৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

আগামী ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ রাখাইন রাজ্যের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।

গত শুক্রবার আরাকান আর্মির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন গোষ্ঠীর প্রধান জেনারেল তোয়ান ম্রাত নাইং।

রাখাইন রাজ্যের ১৭টি উপজেলার মধ্যে ১৪টি এবং চিন রাজ্যের পালেতওয়া এখন আরাকান আর্মির দখলে রয়েছে। বর্তমানে কেবল রাজধানী সিত্তওয়ে, কিয়াকফিউ এবং মানাউং শহর মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে।

জেনারেল তোয়ান ম্রাত নাইং তার বক্তব্যে বলেন, তারা পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সাথে লক্ষ্যের এগিয়ে যাবেন এবং জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে অন্যান্য মিত্র গোষ্ঠীর সাথে মিলে লড়াই চালিয়ে যাবেন।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর থেকে রাখাইনে এই জোরালো অভিযান শুরু করে আরাকান আর্মি। কেবল সামরিক বিজয়ই নয়, তারা ইতোমধ্যে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে নিজস্ব প্রশাসনিক ব্যবস্থা, আদালত, স্কুল এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গড়ে তুলেছে। তবে জান্তা বাহিনীর বিমান ও নৌ-হামলার কারণে এসব এলাকায় সাধারণ মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।

আরাকান আর্মির এই অভাবনীয় সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের অন্য দুই সদস্য এবং দেশটির জাতীয় ঐক্য সরকারসহ ৪০টিরও বেশি সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী। তাদের বার্তায় বলা হয়েছে, আরাকান আর্মির এই অর্জন মিয়ানমারের অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠীর জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ।

২০০৯ সালের ১০ এপ্রিল মাত্র ২৬ জন সদস্য এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কাচিন রাজ্যের লাইজায় যাত্রা শুরু করেছিল এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি, যা আজ জান্তা বাহিনীর জন্য এক বিশাল মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।