ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড় তেলের দাম বিশ্ববাজারে দ্বিগুণ বাড়লেও আমরা সামান্য বাড়িয়েছি: জ্বালানি মন্ত্রী আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কাছে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: গোলাম পরওয়ার ইসরাইল বিজয় ছিনিয়ে আনতে জানে: ট্রাম্প মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস ১০৭ বছরের পুরোনো মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর চাকরি পুনর্বহাল চেয়ে মতিঝিলে ৬ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক কর্মীদের অবস্থান

সব ঠিক ছিল, মাত্র এক ইঞ্চি দূরে, তবুও ভেঙে গেল চুক্তি: আরাগচির বিস্ফোরক দাবি

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত সংলাপে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের খুব কাছাকাছি পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি দাবি করেছেন, তারা চুক্তি থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরে ছিলেন।

রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্য নিয়ে ইরান আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছিল।

আরাগচি বলেন, ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রথম সরাসরি ও নিবিড় সংলাপে অংশ নেয় ইরান। তাদের লক্ষ্য ছিল উত্তেজনা কমিয়ে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো।

তবে শেষ মুহূর্তে মার্কিন প্রতিনিধিদের অবস্থান কঠোর হয়ে ওঠে এবং আলোচনার বিষয়বস্তু পরিবর্তন করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে অবরোধের সিদ্ধান্ত আলোচনার পরিবেশকে আরও জটিল করে তোলে।

তিনি বলেন, ইসলামাবাদ মেমোর‌্যান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং এমওইউ চুক্তি স্বাক্ষরের খুব কাছাকাছি পৌঁছেও এসব কারণে তা আর সম্ভব হয়নি।

আরাগচির ভাষায়, এই সংলাপ থেকে ইরানের প্রাপ্তি প্রায় শূন্য। সদিচ্ছার প্রতিদান সদিচ্ছা দিয়েই হওয়া উচিত, কিন্তু শত্রুতার জবাবে শত্রুতাই ফিরে আসে।

দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিরোধ চলছে। এ দুই ইস্যুতে গত ফেব্রুয়ারিতে টানা ২১ দিন সংলাপ হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি।

এর পরপরই ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং একই সময়ে ইসরায়েলও পৃথক অভিযান চালায়। ওই সংঘাতের প্রথম দিনেই নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

পরবর্তীতে উত্তেজনা প্রশমনে ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। তার ধারাবাহিকতায় ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আবারও আলোচনায় বসেন। প্রায় ২১ ঘণ্টার বৈঠক শেষে কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

সব ঠিক ছিল, মাত্র এক ইঞ্চি দূরে, তবুও ভেঙে গেল চুক্তি: আরাগচির বিস্ফোরক দাবি

আপডেট সময় ১০:৪০:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত সংলাপে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের খুব কাছাকাছি পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি দাবি করেছেন, তারা চুক্তি থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরে ছিলেন।

রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্য নিয়ে ইরান আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছিল।

আরাগচি বলেন, ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রথম সরাসরি ও নিবিড় সংলাপে অংশ নেয় ইরান। তাদের লক্ষ্য ছিল উত্তেজনা কমিয়ে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো।

তবে শেষ মুহূর্তে মার্কিন প্রতিনিধিদের অবস্থান কঠোর হয়ে ওঠে এবং আলোচনার বিষয়বস্তু পরিবর্তন করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে অবরোধের সিদ্ধান্ত আলোচনার পরিবেশকে আরও জটিল করে তোলে।

তিনি বলেন, ইসলামাবাদ মেমোর‌্যান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং এমওইউ চুক্তি স্বাক্ষরের খুব কাছাকাছি পৌঁছেও এসব কারণে তা আর সম্ভব হয়নি।

আরাগচির ভাষায়, এই সংলাপ থেকে ইরানের প্রাপ্তি প্রায় শূন্য। সদিচ্ছার প্রতিদান সদিচ্ছা দিয়েই হওয়া উচিত, কিন্তু শত্রুতার জবাবে শত্রুতাই ফিরে আসে।

দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিরোধ চলছে। এ দুই ইস্যুতে গত ফেব্রুয়ারিতে টানা ২১ দিন সংলাপ হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি।

এর পরপরই ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং একই সময়ে ইসরায়েলও পৃথক অভিযান চালায়। ওই সংঘাতের প্রথম দিনেই নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

পরবর্তীতে উত্তেজনা প্রশমনে ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। তার ধারাবাহিকতায় ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আবারও আলোচনায় বসেন। প্রায় ২১ ঘণ্টার বৈঠক শেষে কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।