ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না : অর্থমন্ত্রী কানাডার টরন্টোতে বন্দুক হামলায় দুইজন নিহত, আহত ৬ শাহবাগে ফুটপাত থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার ঢাকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, দুই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন, এখনই ফিরুন’, হাসিনাকে আসিফ নজরুল এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী র‍্যাম্পের নিচে জলাবদ্ধতা, সতর্ক করল পুলিশ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ শিক্ষার্থী এশার আজানের মাঝেই লুটিয়ে পড়লেন ইমাম, বাঁচানো গেল না প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ পলাতকদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গুম অধ্যাদেশ ছিল অপ্রয়োজনীয়, ট্রাইব্যুনালের আইনেই বিচার সম্ভব: চিফ প্রসিকিউটর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গুম অধ্যাদেশ আইন অপ্রয়োজনীয় ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গুমের বিচার ট্রাইব্যুনাল আইনেই সম্ভব।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘গুম অধ্যাদেশের আওতাধীন যে অপরাধটি ছিল, এরইমধ্যে ট্রাইব্যুনাল আইনে সেটি সংবিধিবদ্ধ ছিল। এ আইনে যে গুমের অভিযোগ বিচারের এখতিয়ার ছিল, সেখানে আরেকটি আইন ও ট্রাইব্যুনাল গঠন করার প্রয়োজনীয়তা ছিল বলে আমার কাছে মনে হয়নি। অর্থাৎ গুমের বিচার ট্রাইব্যুনাল আইনেই সম্ভব।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘গুম অধ্যাদেশ যদি বাতিল হয়ে থাকে এবং ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে ট্যাগ করে দেয়া হয়, তাহলে আইনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কারণ এই গুম অধ্যাদেশটা একটি অপ্রয়োজনীয় আইন ছিল বলে আমরা কাছে মনে হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে একীভূত হওয়াটা ভালো কাজ হয়েছে। এটি সঠিক ও যথার্থ হয়েছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না : অর্থমন্ত্রী

গুম অধ্যাদেশ ছিল অপ্রয়োজনীয়, ট্রাইব্যুনালের আইনেই বিচার সম্ভব: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় ০৫:১০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গুম অধ্যাদেশ আইন অপ্রয়োজনীয় ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গুমের বিচার ট্রাইব্যুনাল আইনেই সম্ভব।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘গুম অধ্যাদেশের আওতাধীন যে অপরাধটি ছিল, এরইমধ্যে ট্রাইব্যুনাল আইনে সেটি সংবিধিবদ্ধ ছিল। এ আইনে যে গুমের অভিযোগ বিচারের এখতিয়ার ছিল, সেখানে আরেকটি আইন ও ট্রাইব্যুনাল গঠন করার প্রয়োজনীয়তা ছিল বলে আমার কাছে মনে হয়নি। অর্থাৎ গুমের বিচার ট্রাইব্যুনাল আইনেই সম্ভব।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘গুম অধ্যাদেশ যদি বাতিল হয়ে থাকে এবং ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে ট্যাগ করে দেয়া হয়, তাহলে আইনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কারণ এই গুম অধ্যাদেশটা একটি অপ্রয়োজনীয় আইন ছিল বলে আমরা কাছে মনে হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে একীভূত হওয়াটা ভালো কাজ হয়েছে। এটি সঠিক ও যথার্থ হয়েছে।’