ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রে কাসেম সোলাইমানির ভাগনি ও নাতনি গ্রেফতার যারা দিনে একবার তেল নিতেন, তারা ৫ বার নিচ্ছেন : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হরমুজ না খুললে ৪৮ ঘণ্টা পর ইরানে ‘নরক’ নেমে আসবে: ট্রাম্প সংস্কারের নাটক বাদ দিয়ে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করুন বাংলাদেশের নতুন স্পিন বোলিং কোচ রফিক বিএনপি সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে মানুষের রায়কে অস্বীকার করছে: গোলাম পরওয়ার ১ লাখ টন ডিজেল ও ২ কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, তদন্ত ও সহায়তার নির্দেশ ৭০ শতাংশ জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকা যাবে না: মামুনুল হক হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৭৮৭

৭০ শতাংশ জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকা যাবে না: মামুনুল হক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

৭০ শতাংশ জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

তিনি বলেছেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে যদি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেন এবং গণরায়কে হাইকোর্ট দেখান, তবে এ দেশের মানুষ রাজপথে আপনাদের মোকাবিলা করবে। ৭০ শতাংশ জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকা যাবে না। জুলাই বিপ্লবের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে নতুন এই বাংলাদেশে এ ধরনের রাজনীতি এ দেশের মানুষ আর সহ্য করবে না।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে জুলাই সনদ কার্যকর এবং গণভোটের ফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিক্ষোভে মিছিল ও সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মামুনুল হক এসব কথা বলেন।

মামুনুল হক বলেন, সরকারের প্রবর্তিত যেসব অধ্যাদেশ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, সেগুলো বিএনপির খুব পছন্দ। কিন্তু যেসব প্রস্তাবনা জাতির কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য করে, সেগুলোই তাদের কাছে অপছন্দ। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে বিএনপি জনসম্মুখে এক কথা বললেও নেপথ্যে ভিন্ন আচরণ করেছে।

বিএনপি প্রধানের উদ্দেশে তিনি বলেন, তলে তলে এক কথা আর প্রকাশ্যে আরেক কথা বলাকে আমাদের দেশে মুনাফেকি বলা হয়। বিএনপির রাজনীতির দুটি বুনিয়াদ আজ জাতির সামনে স্পষ্ট– এক মুনাফেকি আর অন্যটি সুবিধাবাদ।

মামুনুল হক বলেন, বিএনপি সুবিধাবাদের রাজনীতি বেছে নিয়েছে। কিন্তু এই দেশের জনগণ সুবিধাবাদের রাজনীতি মেনে নেবে না। এই দেশের জনগণের কোনো রায়কে যদি হাইকোর্ট দেখান তবে, জনগণ আপনাদের রাজপথে জবাব দেবে।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির সদস্যসচিব আকতার হোসেন এমপি এবং লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে কাকরাইলে গিয়ে শেষ হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

৭০ শতাংশ জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকা যাবে না: মামুনুল হক

আপডেট সময় ০৮:১০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

৭০ শতাংশ জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

তিনি বলেছেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে যদি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেন এবং গণরায়কে হাইকোর্ট দেখান, তবে এ দেশের মানুষ রাজপথে আপনাদের মোকাবিলা করবে। ৭০ শতাংশ জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকা যাবে না। জুলাই বিপ্লবের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে নতুন এই বাংলাদেশে এ ধরনের রাজনীতি এ দেশের মানুষ আর সহ্য করবে না।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে জুলাই সনদ কার্যকর এবং গণভোটের ফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিক্ষোভে মিছিল ও সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মামুনুল হক এসব কথা বলেন।

মামুনুল হক বলেন, সরকারের প্রবর্তিত যেসব অধ্যাদেশ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, সেগুলো বিএনপির খুব পছন্দ। কিন্তু যেসব প্রস্তাবনা জাতির কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য করে, সেগুলোই তাদের কাছে অপছন্দ। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে বিএনপি জনসম্মুখে এক কথা বললেও নেপথ্যে ভিন্ন আচরণ করেছে।

বিএনপি প্রধানের উদ্দেশে তিনি বলেন, তলে তলে এক কথা আর প্রকাশ্যে আরেক কথা বলাকে আমাদের দেশে মুনাফেকি বলা হয়। বিএনপির রাজনীতির দুটি বুনিয়াদ আজ জাতির সামনে স্পষ্ট– এক মুনাফেকি আর অন্যটি সুবিধাবাদ।

মামুনুল হক বলেন, বিএনপি সুবিধাবাদের রাজনীতি বেছে নিয়েছে। কিন্তু এই দেশের জনগণ সুবিধাবাদের রাজনীতি মেনে নেবে না। এই দেশের জনগণের কোনো রায়কে যদি হাইকোর্ট দেখান তবে, জনগণ আপনাদের রাজপথে জবাব দেবে।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির সদস্যসচিব আকতার হোসেন এমপি এবং লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে কাকরাইলে গিয়ে শেষ হয়।