ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১ মেধাবী ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী চীনা বিনিয়োগে উৎপাদনমুখী শিল্পায়ন চায় বাংলাদেশ: ড. তিতুমীর কথা কম, কাজ বেশি নীতিতে চলবে ডিএনসিসি : প্রশাসক বগুড়াকে বিভাগ করার ইঙ্গিত স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর

নকলের ডেট অব বার্থ ১৯৭২ সাল: শিক্ষামন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, নকলের ডেট অব বার্থ ১৯৭২ সাল। ২০০১-২০০৬ সালে নকল বন্ধ করেছিলাম। এবার আর নকল হতে দেব না।

শনিবার কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড এবং এ অঞ্চলের কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নকলের শুরু করেছে শিক্ষকরা। বন্ধও করেছিল শিক্ষকরা। আমরা কি শিক্ষক ইমপোর্ট করেছিলাম? করিনি। সরকার যেভাবে চায় আপনারাও সেভাবে কাজ করেন। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। ২০০২ সালে কুমিল্লায় রেজাল্ট নেমেছিল ২৯ শতাংশে। ২০০৩ সালে তারপর ৩৩। ২০০৬ সালে ৬৬। অর্থাৎ নকল কমার পরও শিক্ষার হার কমেছিল। ইন্টেরিম আসার পর ৬৩ তে নেমে এসেছিল। বোঝা গেলে মাঝখানে পড়াশোনা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, নকল হয়েছিল।

তিনি বলেন, সাংবাদিকেরা আমাকে যেন জিজ্ঞেস না করে, রেজাল্ট হঠাৎ ধস হলো কি না? আমাদের দেশকে দ্বিতীয়বার মুক্ত করেছিল জেন-জি। আমি কেন ভাবব, রেজাল্টে ধস নামবে। যারা আমাদের সত্য কথা বলতে শিখিয়েছে, সৎ পথে চলতে শিখিয়েছে, তারা কেন ফলাফল খারাপ করবে? পুরো জাতি আজ কমিটেড, পুরো জাতি আজ সত্যের পথে।

তিনি বলেন, নকলের ধরন বদলেছে। ডিজিটালি নকল হচ্ছে। সেজন্য ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা অ্যাক্টে অনেক কিছু সংযোজন করা হয়েছে। বাথরুমে নকল পাওয়া গেলেও কেন্দ্র সচিব ‌’উড বি পানিশএবল’। বাইরে থেকে নকল সাপ্লাই করলেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, মানবসম্পদ গড়তে হলে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। শূন্য শতাংশ পাস করলে আপনাদের বক্তৃতা ওসমানী মিলনায়তনে নিয়ে সবাইকে শোনাব। এ বছরের জন্য যারা জিরো পাবে, আমি ব্যবস্থা নেব না। তারপরের বছর হবে। আপনারা এক বছরের জন্য গ্রেস পাচ্ছেন। অর্থনৈতিক সমস্যা থাকলে টাকার ব্যবস্থা করব, সিসি ক্যামেরা থাকতে হবে। বিদ্যুৎ না থাকলে আইপিএসের ব্যবস্থা থাকতে হবে। কোচিং সেন্টার শতভাগ বন্ধ হয়ে যাবে আগামী দিনে। টিচাররা শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা বের করে ইনহাউজ প্রাইভেট-কোচিং করাবেন, প্রয়োজনে এক্সট্রা চার্জ করবেন। কর্মচারীদেরও কিছু পয়সা দেবেন। বাইরে পড়ানো যাবে না।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান মো. শামছুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম, কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া,কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. জসীম উদ্দিন, নবীনগরের সংসদ সদস্য এম এ মান্নান, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন, মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান মিয়া মো. নুরুল হক, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খেলোয়াড়দের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে মাথায় আঘাত নিয়ে মাঠ ছাড়লেন নারী রেফারি

নকলের ডেট অব বার্থ ১৯৭২ সাল: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:৩০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, নকলের ডেট অব বার্থ ১৯৭২ সাল। ২০০১-২০০৬ সালে নকল বন্ধ করেছিলাম। এবার আর নকল হতে দেব না।

শনিবার কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড এবং এ অঞ্চলের কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নকলের শুরু করেছে শিক্ষকরা। বন্ধও করেছিল শিক্ষকরা। আমরা কি শিক্ষক ইমপোর্ট করেছিলাম? করিনি। সরকার যেভাবে চায় আপনারাও সেভাবে কাজ করেন। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। ২০০২ সালে কুমিল্লায় রেজাল্ট নেমেছিল ২৯ শতাংশে। ২০০৩ সালে তারপর ৩৩। ২০০৬ সালে ৬৬। অর্থাৎ নকল কমার পরও শিক্ষার হার কমেছিল। ইন্টেরিম আসার পর ৬৩ তে নেমে এসেছিল। বোঝা গেলে মাঝখানে পড়াশোনা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, নকল হয়েছিল।

তিনি বলেন, সাংবাদিকেরা আমাকে যেন জিজ্ঞেস না করে, রেজাল্ট হঠাৎ ধস হলো কি না? আমাদের দেশকে দ্বিতীয়বার মুক্ত করেছিল জেন-জি। আমি কেন ভাবব, রেজাল্টে ধস নামবে। যারা আমাদের সত্য কথা বলতে শিখিয়েছে, সৎ পথে চলতে শিখিয়েছে, তারা কেন ফলাফল খারাপ করবে? পুরো জাতি আজ কমিটেড, পুরো জাতি আজ সত্যের পথে।

তিনি বলেন, নকলের ধরন বদলেছে। ডিজিটালি নকল হচ্ছে। সেজন্য ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা অ্যাক্টে অনেক কিছু সংযোজন করা হয়েছে। বাথরুমে নকল পাওয়া গেলেও কেন্দ্র সচিব ‌’উড বি পানিশএবল’। বাইরে থেকে নকল সাপ্লাই করলেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, মানবসম্পদ গড়তে হলে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। শূন্য শতাংশ পাস করলে আপনাদের বক্তৃতা ওসমানী মিলনায়তনে নিয়ে সবাইকে শোনাব। এ বছরের জন্য যারা জিরো পাবে, আমি ব্যবস্থা নেব না। তারপরের বছর হবে। আপনারা এক বছরের জন্য গ্রেস পাচ্ছেন। অর্থনৈতিক সমস্যা থাকলে টাকার ব্যবস্থা করব, সিসি ক্যামেরা থাকতে হবে। বিদ্যুৎ না থাকলে আইপিএসের ব্যবস্থা থাকতে হবে। কোচিং সেন্টার শতভাগ বন্ধ হয়ে যাবে আগামী দিনে। টিচাররা শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা বের করে ইনহাউজ প্রাইভেট-কোচিং করাবেন, প্রয়োজনে এক্সট্রা চার্জ করবেন। কর্মচারীদেরও কিছু পয়সা দেবেন। বাইরে পড়ানো যাবে না।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান মো. শামছুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম, কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া,কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. জসীম উদ্দিন, নবীনগরের সংসদ সদস্য এম এ মান্নান, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন, মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান মিয়া মো. নুরুল হক, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান প্রমুখ।