ঢাকা ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন আমরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: হাসনাত আবদুল্লাহ চাঁদপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজে প্রতিটি হামলার জন্য একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা গত ১৭ বছর দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার ছিল না: খায়রুল কবির খোকন পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকার বাড়িতে প্রেমিকের অনশন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুরের ডাসারে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকার বাড়ির সামনে বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮) নামে এক যুবক অনশন শুরু করেছেন।

উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

আজ বুধবার বিকালে সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে গত মঙ্গলবার থেকে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ। তিনি ডাসার উপজেলার নবগ্রামের বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে।

বিশ্বজিতের দাবি, ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের মনতোষ বাড়ৈর মেয়ে অনুশীলা বাড়ৈর (২৩) সঙ্গে তার ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা চার বছর আগে কোর্ট ম্যারেজ করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি সেই বিয়ের স্বীকৃতির দাবি করেন।

বিশ্বজিৎ বলেন, অনুশীলা বাড়ৈর সঙ্গে আমার ১০ বছরের সম্পর্ক। তার নার্সিং পড়ালেখার জন্য তার পেছনে প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ করি। ঢাকায় একসঙ্গে দীর্ঘ সময় বাসা ভাড়া করে থেকেছি। তার পরিবার ও গ্রামের কম-বেশি সবাই জানে। সম্প্রতি লেখাপড়া শেষ করে আমার স্ত্রী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সিংয়ের চাকরি নিয়েছে। এরপর থেকে আমার সঙ্গে পরিবারের কথায় দূরত্ব বজায় রাখছে। ১২ দিন হয় আমার সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। তাই আমি নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে আমাদের বিয়ের সম্পর্কের স্বীকৃতি পেতে অনশনে বসেছি। সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এখানেই অনশন চালিয়ে যাব।

অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। জোড় করে কোর্ট ম্যারেজে সই করাইছে। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছি। তার সঙ্গে আমি সংসার করব না।

স্থানীয় মেম্বার ও গ্রামবাসী বলেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছেলে ও মেয়ের। সেই সম্পর্কের জেরে তারা দুজনের সম্মতিতে গোপনে বিয়ে করেছেন। তাদের বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে ছেলেটি দুই দিন ধরে অনশনে বসেছেন। উভয় পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।

এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, তাদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে থানায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন

বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকার বাড়িতে প্রেমিকের অনশন

আপডেট সময় ১১:৪০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুরের ডাসারে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকার বাড়ির সামনে বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮) নামে এক যুবক অনশন শুরু করেছেন।

উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

আজ বুধবার বিকালে সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে গত মঙ্গলবার থেকে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ। তিনি ডাসার উপজেলার নবগ্রামের বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে।

বিশ্বজিতের দাবি, ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের মনতোষ বাড়ৈর মেয়ে অনুশীলা বাড়ৈর (২৩) সঙ্গে তার ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা চার বছর আগে কোর্ট ম্যারেজ করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি সেই বিয়ের স্বীকৃতির দাবি করেন।

বিশ্বজিৎ বলেন, অনুশীলা বাড়ৈর সঙ্গে আমার ১০ বছরের সম্পর্ক। তার নার্সিং পড়ালেখার জন্য তার পেছনে প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ করি। ঢাকায় একসঙ্গে দীর্ঘ সময় বাসা ভাড়া করে থেকেছি। তার পরিবার ও গ্রামের কম-বেশি সবাই জানে। সম্প্রতি লেখাপড়া শেষ করে আমার স্ত্রী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সিংয়ের চাকরি নিয়েছে। এরপর থেকে আমার সঙ্গে পরিবারের কথায় দূরত্ব বজায় রাখছে। ১২ দিন হয় আমার সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। তাই আমি নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে আমাদের বিয়ের সম্পর্কের স্বীকৃতি পেতে অনশনে বসেছি। সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এখানেই অনশন চালিয়ে যাব।

অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। জোড় করে কোর্ট ম্যারেজে সই করাইছে। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছি। তার সঙ্গে আমি সংসার করব না।

স্থানীয় মেম্বার ও গ্রামবাসী বলেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছেলে ও মেয়ের। সেই সম্পর্কের জেরে তারা দুজনের সম্মতিতে গোপনে বিয়ে করেছেন। তাদের বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে ছেলেটি দুই দিন ধরে অনশনে বসেছেন। উভয় পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।

এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, তাদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে থানায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।