ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকার বাড়িতে প্রেমিকের অনশন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুরের ডাসারে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকার বাড়ির সামনে বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮) নামে এক যুবক অনশন শুরু করেছেন।

উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

আজ বুধবার বিকালে সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে গত মঙ্গলবার থেকে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ। তিনি ডাসার উপজেলার নবগ্রামের বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে।

বিশ্বজিতের দাবি, ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের মনতোষ বাড়ৈর মেয়ে অনুশীলা বাড়ৈর (২৩) সঙ্গে তার ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা চার বছর আগে কোর্ট ম্যারেজ করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি সেই বিয়ের স্বীকৃতির দাবি করেন।

বিশ্বজিৎ বলেন, অনুশীলা বাড়ৈর সঙ্গে আমার ১০ বছরের সম্পর্ক। তার নার্সিং পড়ালেখার জন্য তার পেছনে প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ করি। ঢাকায় একসঙ্গে দীর্ঘ সময় বাসা ভাড়া করে থেকেছি। তার পরিবার ও গ্রামের কম-বেশি সবাই জানে। সম্প্রতি লেখাপড়া শেষ করে আমার স্ত্রী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সিংয়ের চাকরি নিয়েছে। এরপর থেকে আমার সঙ্গে পরিবারের কথায় দূরত্ব বজায় রাখছে। ১২ দিন হয় আমার সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। তাই আমি নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে আমাদের বিয়ের সম্পর্কের স্বীকৃতি পেতে অনশনে বসেছি। সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এখানেই অনশন চালিয়ে যাব।

অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। জোড় করে কোর্ট ম্যারেজে সই করাইছে। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছি। তার সঙ্গে আমি সংসার করব না।

স্থানীয় মেম্বার ও গ্রামবাসী বলেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছেলে ও মেয়ের। সেই সম্পর্কের জেরে তারা দুজনের সম্মতিতে গোপনে বিয়ে করেছেন। তাদের বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে ছেলেটি দুই দিন ধরে অনশনে বসেছেন। উভয় পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।

এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, তাদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে থানায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকার বাড়িতে প্রেমিকের অনশন

আপডেট সময় ১১:৪০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুরের ডাসারে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকার বাড়ির সামনে বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮) নামে এক যুবক অনশন শুরু করেছেন।

উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

আজ বুধবার বিকালে সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে গত মঙ্গলবার থেকে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ। তিনি ডাসার উপজেলার নবগ্রামের বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে।

বিশ্বজিতের দাবি, ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের মনতোষ বাড়ৈর মেয়ে অনুশীলা বাড়ৈর (২৩) সঙ্গে তার ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা চার বছর আগে কোর্ট ম্যারেজ করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি সেই বিয়ের স্বীকৃতির দাবি করেন।

বিশ্বজিৎ বলেন, অনুশীলা বাড়ৈর সঙ্গে আমার ১০ বছরের সম্পর্ক। তার নার্সিং পড়ালেখার জন্য তার পেছনে প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ করি। ঢাকায় একসঙ্গে দীর্ঘ সময় বাসা ভাড়া করে থেকেছি। তার পরিবার ও গ্রামের কম-বেশি সবাই জানে। সম্প্রতি লেখাপড়া শেষ করে আমার স্ত্রী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সিংয়ের চাকরি নিয়েছে। এরপর থেকে আমার সঙ্গে পরিবারের কথায় দূরত্ব বজায় রাখছে। ১২ দিন হয় আমার সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। তাই আমি নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে আমাদের বিয়ের সম্পর্কের স্বীকৃতি পেতে অনশনে বসেছি। সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এখানেই অনশন চালিয়ে যাব।

অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। জোড় করে কোর্ট ম্যারেজে সই করাইছে। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছি। তার সঙ্গে আমি সংসার করব না।

স্থানীয় মেম্বার ও গ্রামবাসী বলেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছেলে ও মেয়ের। সেই সম্পর্কের জেরে তারা দুজনের সম্মতিতে গোপনে বিয়ে করেছেন। তাদের বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে ছেলেটি দুই দিন ধরে অনশনে বসেছেন। উভয় পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।

এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, তাদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে থানায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।