ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

নোয়াখালীতে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে, হাসপাতালে ভর্তি ২১ শিশু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালী জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। দুই সপ্তাহে জেলায় অনেক শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর মধ্যে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ২১ শিশু ভর্তি রয়েছে এবং নতুন রোগী প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি, তবে বিভিন্ন বয়সি রোগীও রয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় হাম জনিতরোগ বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন ডা.আনোয়ার হোসেন।

তিনি জানান, হামের লক্ষণ হিসেবে জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও অপুষ্টির কারণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ডা.আনোয়ার হোসেন জানান, নোয়াখালী জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে হামের রোগী শনাক্ত হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শিশুদের মধ্যে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত শিশুদের আগে টিকা দেওয়া হয়নি, যা সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২১ জন রোগী ভর্তি আছে।

তিনি আরও জানান, হামে আক্রান্ত রোগীদের আলাদা রাখার ব্যবস্থা, শিশুদের নিয়মিত টিকা কার্যক্রম জোরদার করার জন্য সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কয়েকদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় জ্বরের সঙ্গে শরীরে লালচে দানা বা র‍্যাশ নিয়ে রোগীরা হাসপাতালে আসতে শুরু করেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তাদের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আক্রান্তদের আলাদা আইসোলেশনে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

নোয়াখালীতে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে, হাসপাতালে ভর্তি ২১ শিশু

আপডেট সময় ১২:২০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালী জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। দুই সপ্তাহে জেলায় অনেক শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর মধ্যে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ২১ শিশু ভর্তি রয়েছে এবং নতুন রোগী প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি, তবে বিভিন্ন বয়সি রোগীও রয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় হাম জনিতরোগ বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন ডা.আনোয়ার হোসেন।

তিনি জানান, হামের লক্ষণ হিসেবে জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও অপুষ্টির কারণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ডা.আনোয়ার হোসেন জানান, নোয়াখালী জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে হামের রোগী শনাক্ত হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শিশুদের মধ্যে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত শিশুদের আগে টিকা দেওয়া হয়নি, যা সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২১ জন রোগী ভর্তি আছে।

তিনি আরও জানান, হামে আক্রান্ত রোগীদের আলাদা রাখার ব্যবস্থা, শিশুদের নিয়মিত টিকা কার্যক্রম জোরদার করার জন্য সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কয়েকদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় জ্বরের সঙ্গে শরীরে লালচে দানা বা র‍্যাশ নিয়ে রোগীরা হাসপাতালে আসতে শুরু করেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তাদের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আক্রান্তদের আলাদা আইসোলেশনে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন।