ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

‘অতীতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হতো:রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অতীতের সরকারগুলো রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ও এর আকার অতিরঞ্জিত বা ‘ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে’ দেখাত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

রবিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আহরণবিষয়ক টাস্কফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। এ সময় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘অতীতের সরকারগুলো যেভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার বা মোট জিডিপির পরিমাণ ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখিয়েছে, সেগুলোর সংস্কার আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করেছি। জিডিপির প্রকৃত আকার যখন আমরা পাব, তখন করের সাথে এর আনুপাতিক হারটিও বাস্তবসম্মত হবে।’

অর্থনৈতিক সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘শুধু লুটপাটই নয়, খাতা-কলমেও ব্যাপক গোঁজামিল দেওয়া হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আগের ‘পতিত সরকার’ সর্বদা রাজস্ব আয়কে বাড়িয়ে দেখাত, যার সঙ্গে প্রকৃত আহরণের কোনো সম্পর্ক ছিল না।’’

উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ‘ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি’ পেয়েছেন উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত এখন বিশ্বের অন্যতম তলানিতে, যা ৭ শতাংশেরও কম।

এমন পরিস্থিতির মধ্যে পশ্চিম এশিয়া ও ইরানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘাতময় পরিস্থিতিকে তিনি ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে এই সংকট থেকে সমাধানের পথ খোঁজার ওপর জোর দেন তিনি।

চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে আমরা যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করব বলে আশা করছি। গত বছরের অর্জিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও এবার বেশি আদায় সম্ভব হবে।’

সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘কর-জিডিপি হারকে ইশতেহার অনুযায়ী প্রথমে ১০ শতাংশ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল, মুক্তিতে নেই বাধা

‘অতীতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হতো:রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

আপডেট সময় ০৫:৫৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অতীতের সরকারগুলো রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ও এর আকার অতিরঞ্জিত বা ‘ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে’ দেখাত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

রবিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আহরণবিষয়ক টাস্কফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। এ সময় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘অতীতের সরকারগুলো যেভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার বা মোট জিডিপির পরিমাণ ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখিয়েছে, সেগুলোর সংস্কার আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করেছি। জিডিপির প্রকৃত আকার যখন আমরা পাব, তখন করের সাথে এর আনুপাতিক হারটিও বাস্তবসম্মত হবে।’

অর্থনৈতিক সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘শুধু লুটপাটই নয়, খাতা-কলমেও ব্যাপক গোঁজামিল দেওয়া হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আগের ‘পতিত সরকার’ সর্বদা রাজস্ব আয়কে বাড়িয়ে দেখাত, যার সঙ্গে প্রকৃত আহরণের কোনো সম্পর্ক ছিল না।’’

উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ‘ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি’ পেয়েছেন উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত এখন বিশ্বের অন্যতম তলানিতে, যা ৭ শতাংশেরও কম।

এমন পরিস্থিতির মধ্যে পশ্চিম এশিয়া ও ইরানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘাতময় পরিস্থিতিকে তিনি ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে এই সংকট থেকে সমাধানের পথ খোঁজার ওপর জোর দেন তিনি।

চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে আমরা যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করব বলে আশা করছি। গত বছরের অর্জিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও এবার বেশি আদায় সম্ভব হবে।’

সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘কর-জিডিপি হারকে ইশতেহার অনুযায়ী প্রথমে ১০ শতাংশ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’