ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘অতীতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হতো:রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অতীতের সরকারগুলো রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ও এর আকার অতিরঞ্জিত বা ‘ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে’ দেখাত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

রবিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আহরণবিষয়ক টাস্কফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। এ সময় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘অতীতের সরকারগুলো যেভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার বা মোট জিডিপির পরিমাণ ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখিয়েছে, সেগুলোর সংস্কার আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করেছি। জিডিপির প্রকৃত আকার যখন আমরা পাব, তখন করের সাথে এর আনুপাতিক হারটিও বাস্তবসম্মত হবে।’

অর্থনৈতিক সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘শুধু লুটপাটই নয়, খাতা-কলমেও ব্যাপক গোঁজামিল দেওয়া হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আগের ‘পতিত সরকার’ সর্বদা রাজস্ব আয়কে বাড়িয়ে দেখাত, যার সঙ্গে প্রকৃত আহরণের কোনো সম্পর্ক ছিল না।’’

উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ‘ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি’ পেয়েছেন উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত এখন বিশ্বের অন্যতম তলানিতে, যা ৭ শতাংশেরও কম।

এমন পরিস্থিতির মধ্যে পশ্চিম এশিয়া ও ইরানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘাতময় পরিস্থিতিকে তিনি ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে এই সংকট থেকে সমাধানের পথ খোঁজার ওপর জোর দেন তিনি।

চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে আমরা যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করব বলে আশা করছি। গত বছরের অর্জিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও এবার বেশি আদায় সম্ভব হবে।’

সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘কর-জিডিপি হারকে ইশতেহার অনুযায়ী প্রথমে ১০ শতাংশ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

‘অতীতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হতো:রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

আপডেট সময় ০৫:৫৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অতীতের সরকারগুলো রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ও এর আকার অতিরঞ্জিত বা ‘ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে’ দেখাত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

রবিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আহরণবিষয়ক টাস্কফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। এ সময় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘অতীতের সরকারগুলো যেভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার বা মোট জিডিপির পরিমাণ ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখিয়েছে, সেগুলোর সংস্কার আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করেছি। জিডিপির প্রকৃত আকার যখন আমরা পাব, তখন করের সাথে এর আনুপাতিক হারটিও বাস্তবসম্মত হবে।’

অর্থনৈতিক সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘শুধু লুটপাটই নয়, খাতা-কলমেও ব্যাপক গোঁজামিল দেওয়া হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আগের ‘পতিত সরকার’ সর্বদা রাজস্ব আয়কে বাড়িয়ে দেখাত, যার সঙ্গে প্রকৃত আহরণের কোনো সম্পর্ক ছিল না।’’

উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ‘ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি’ পেয়েছেন উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত এখন বিশ্বের অন্যতম তলানিতে, যা ৭ শতাংশেরও কম।

এমন পরিস্থিতির মধ্যে পশ্চিম এশিয়া ও ইরানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘাতময় পরিস্থিতিকে তিনি ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে এই সংকট থেকে সমাধানের পথ খোঁজার ওপর জোর দেন তিনি।

চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে আমরা যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করব বলে আশা করছি। গত বছরের অর্জিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও এবার বেশি আদায় সম্ভব হবে।’

সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘কর-জিডিপি হারকে ইশতেহার অনুযায়ী প্রথমে ১০ শতাংশ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’