ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাচার হওয়া ৪৪ কোটি টাকা ফিরিয়ে আনল সিআইডি ‘লং মার্চ টু ঢাকার’ ঘোষককে ডিএসসিসির মেয়রপ্রার্থী ঘোষণা এনসিপির ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যের কোনো উন্নয়নমূলক কাজই সঠিকভাবে হয়নি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেন জিরা বাহাত্তরের সংবিধান চায় না: হান্নান মাসউদ আমরা সংবিধান সংস্কারের জন্য এসেছি: সংসদে নাহিদ মার্চের ২৮ দিনে এলো ৩৩৩ কোটি ডলারের বেশি হলফনামা করে আ.লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ‘দাপুটে’ নেতা বিরোধী দলের নোটিশ : বিধি মেনে সংসদ পরিচালনার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ফ্যাসিস্ট সরকারের সীমাহীন দুর্নীতিতে গ্রামীণ সড়কের উন্নতি হয়নি: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম আটক

‘শিক্ষকরা জাতির ‘প্র্যাকটিক্যাল ডক্টর’, যারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলেন’: শিক্ষামন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষকরা হচ্ছেন জাতির ‘প্র্যাকটিক্যাল ডক্টর’, যারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলেন।

রবিবার নতুন জাতীয়কৃত কলেজের নন-ক্যাডার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয়, তবে সেই মেরুদণ্ডকে সোজা রাখার দায়িত্ব শিক্ষকদের ওপরই বর্তায়। নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকদের তাদের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গঠনের যে আহ্বান জানানো হয়েছে, তা কোনো ব্যক্তি বা সরকারের একক এজেন্ডা নয়; বরং এটি একটি জাতীয় অঙ্গীকার। এই লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষকদের ভূমিকা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের শিক্ষার্থীদের সন্তানতুল্য মনে করে তাদের গড়ে তুলতে হবে।

শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা; বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা শেষ করলেও শিক্ষা বোর্ডগুলো এই দুটি পাবলিক পরীক্ষা সেই বছরের ডিসেম্বরে না নিয়ে পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে নিয়ে থাকে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী নির্দেশনা দেন, প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেকে যেন লিখিতভাবে তাদের সুপারিশ জমা দেন, যাতে ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও উন্নত করা যায়। শিক্ষকদের মতামত ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

শিক্ষা খাতকে ‘ইবাদতখানা’ হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে সৃষ্ট প্রতিটি ভালো ফলাফল সদকায়ে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত, যা শিক্ষককে দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত করে। শিক্ষকদের এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান মন্ত্রী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘শিক্ষকরা জাতির ‘প্র্যাকটিক্যাল ডক্টর’, যারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলেন’: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষকরা হচ্ছেন জাতির ‘প্র্যাকটিক্যাল ডক্টর’, যারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলেন।

রবিবার নতুন জাতীয়কৃত কলেজের নন-ক্যাডার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয়, তবে সেই মেরুদণ্ডকে সোজা রাখার দায়িত্ব শিক্ষকদের ওপরই বর্তায়। নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকদের তাদের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গঠনের যে আহ্বান জানানো হয়েছে, তা কোনো ব্যক্তি বা সরকারের একক এজেন্ডা নয়; বরং এটি একটি জাতীয় অঙ্গীকার। এই লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষকদের ভূমিকা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের শিক্ষার্থীদের সন্তানতুল্য মনে করে তাদের গড়ে তুলতে হবে।

শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা; বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা শেষ করলেও শিক্ষা বোর্ডগুলো এই দুটি পাবলিক পরীক্ষা সেই বছরের ডিসেম্বরে না নিয়ে পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে নিয়ে থাকে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী নির্দেশনা দেন, প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেকে যেন লিখিতভাবে তাদের সুপারিশ জমা দেন, যাতে ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও উন্নত করা যায়। শিক্ষকদের মতামত ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

শিক্ষা খাতকে ‘ইবাদতখানা’ হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে সৃষ্ট প্রতিটি ভালো ফলাফল সদকায়ে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত, যা শিক্ষককে দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত করে। শিক্ষকদের এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান মন্ত্রী।