ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প কারখানা ও প্রবাসীদের ত্রিপাক্ষিক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলবে সরকার: মাহদী আমিন নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে জাতীয়করণ করছে সরকার: জামায়াত আমির ধানমন্ডিতে শেখ হাসিনার পরিত্যক্ত ‘সুধাসদন’ থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নিয়ে তাকে সাংবিধানিকভাবে দায়মুক্তি দিয়ে গেছে নাহিদ মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না: পানিসম্পদমন্ত্রী জুলাইয়ের দিনগুলোই জ্বলন্ত সাক্ষী, ইসলামী আন্দোলন মানবতার পক্ষের শক্তি: চরমোনাই পীর ভারতের আন্দোলনরত ছাত্র-তরুণদেরকে অভিনন্দন নাহিদ ইসলামের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসছে: আইনমন্ত্রী

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নাতি নিহতের খবর শুনে দাদার মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষে শিমুল হোসেন কাজি (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এদিকে নাতির মৃত্যুর খবর শুনে দাদা হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেছেন বলে দাবি পরিবারের। এ ঘটনায় নারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিহত শিমুল হোসেন কাজি ওই গ্রামের লাবু হোসেনের ছেলে। অপরদিকে মারা যাওয়া নাজিম উদ্দিন কাজি (৭০) একই গ্রামের মৃত ইংরেজ আলী কাজির ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, একই গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন ঢাকায় অবস্থানকালে কয়েক দিন আগে ফেসবুকে একটি রাজনৈতিক স্ট্যাটাস দেন। এ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। ঈদের দুই দিন আগে তিনি বাড়িতে ফিরলে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

ঈদের দিন শনিবার দুপুরে হৃদয় হোসেনের সঙ্গে সাহাবুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহর কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হৃদয় ও তার চাচা বজলু আহত হন। পরে পাল্টা হামলায় আব্দুল্লাহর মা আলিয়া বেগম, তরিকুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন আহত হন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

পরবর্তীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষ হান্নান-কুবির গ্রুপ ও লাল খাঁ-জাহাঙ্গীর গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কুবির কাজি ও শিমুল কাজি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় শিমুলের মৃত্যু হয়।

এদিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে নাজিম উদ্দিন কাজি বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় পড়ে গিয়ে স্ট্রোক করেন। পরে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

আলমডাঙ্গা থানার ওসি বানী ইসরাইল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নাতি নিহতের খবর শুনে দাদার মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:২০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষে শিমুল হোসেন কাজি (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এদিকে নাতির মৃত্যুর খবর শুনে দাদা হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেছেন বলে দাবি পরিবারের। এ ঘটনায় নারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিহত শিমুল হোসেন কাজি ওই গ্রামের লাবু হোসেনের ছেলে। অপরদিকে মারা যাওয়া নাজিম উদ্দিন কাজি (৭০) একই গ্রামের মৃত ইংরেজ আলী কাজির ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, একই গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন ঢাকায় অবস্থানকালে কয়েক দিন আগে ফেসবুকে একটি রাজনৈতিক স্ট্যাটাস দেন। এ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। ঈদের দুই দিন আগে তিনি বাড়িতে ফিরলে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

ঈদের দিন শনিবার দুপুরে হৃদয় হোসেনের সঙ্গে সাহাবুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহর কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হৃদয় ও তার চাচা বজলু আহত হন। পরে পাল্টা হামলায় আব্দুল্লাহর মা আলিয়া বেগম, তরিকুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন আহত হন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

পরবর্তীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষ হান্নান-কুবির গ্রুপ ও লাল খাঁ-জাহাঙ্গীর গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কুবির কাজি ও শিমুল কাজি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় শিমুলের মৃত্যু হয়।

এদিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে নাজিম উদ্দিন কাজি বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় পড়ে গিয়ে স্ট্রোক করেন। পরে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

আলমডাঙ্গা থানার ওসি বানী ইসরাইল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।