আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাজধানীর খিলক্ষেতের একটি অভিজাত হোটেলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) মেরামতের সময় অগ্নিকাণ্ডে চারজন দগ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
দগ্ধরা হলেন– হোটেলটির কর্মী মনসুর আলী (৩২), আব্দুল মতিন (৬৭), মোহাম্মদ মাহি (১৭) ও আব্দুল জলিল (৬৭)। তাদের মধ্যে মনসুরের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়ছেন চিকিৎসকরা।
আহতদের সহকর্মী মোহাম্মদ ইমরান হাসপাতালে জানান, সকালে হোটেল ভবনের নিচতলায় এসি মেরামতের কাজ চলছিল। এ সময় হঠাৎ শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে যায়। তাতে চারজন দগ্ধ হন। তারা সবাই হোটেলটির কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের সঙ্গে যুক্ত।
বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে মনসুরের শরীরের ২১, মতিন ও মাহির ৫ এবং জলিলের ৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। মনসুরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি তিনজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা রয়েছে।
অগ্নি দুর্ঘটনায় ইদানিং প্রায়ই হতাহতের ঘটনা ঘটছে। এর আগে ২৬ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার নারিন্দায় এসির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে অগ্নিকাণ্ডে তিনজন দগ্ধ হন। সর্বশেষ গত ৬ মার্চ ভোরে রাজধানীর তুরাগের একটি ভবনে ‘গ্যাস লিকেজ থেকে’ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে দুই পরিবারের নারী–শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে তিনজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
তুরাগের বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস বলছে, লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাস আগুনের সংস্পর্শে এসে বিস্ফোরিত হয়। তবে তীব্র বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলের দেয়াল ধসে পড়া, আশপাশের ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এটি ‘সাধারণ ঘটনা নয়’ বলে মনে করছেন প্রতিবেশীরা। খিলক্ষেতের ঘটনাতেও হোটেল কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত জানাতে রাজি হয়নি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















