ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নেপালে সরকার গঠনের পথে গণঅভ্যুত্থানকারীরা

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

নেপালের সাধারণ নির্বাচনে ভোট গণনা চলতে থাকলেও প্রাথমিক ফলাফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে তরুণ প্রজন্মের সমর্থিত দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)। গত বছরের সেপ্টেম্বরের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া এই দলটি এখন সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে।

নেপালি সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, প্রাথমিক ভোট গণনায় সারা দেশে ৯৬টি আসনে এগিয়ে রয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি। অনানুষ্ঠানিকভাবে দলটি এরই মধ্যে একটি আসনে জয়ও নিশ্চিত করেছে।

রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র এবং আরএসপির আলোচিত প্রার্থী বালেন শাহ নিজ আসনে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। ফলে নির্বাচনে এখন পর্যন্ত প্রধান শক্তি হিসেবে অবস্থান করছে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি।

অন্যদিকে প্রধান রাজনৈতিক দল নেপালি কংগ্রেস ১২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে এবং একটি আসনে জয় পেয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির দল কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালও (সিপিএন–ইউএমএল) ৯টি আসনে এগিয়ে আছে।

এছাড়া নেপালি কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থীরা ৯টি আসনে এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি এবং শ্রম সংস্কৃতি পার্টি একটি করে আসনে এগিয়ে আছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে নেপালে তরুণদের নেতৃত্বে হওয়া জেন-জি আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। পরে সুশীল কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং তাদের অধীনেই বর্তমান নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

জেন-জি আন্দোলনের পর এটি নেপালের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট পদ্ধতিতে ১৬৫টি আসনের জন্য সারা দেশে মোট ৬৭টি রাজনৈতিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এখনো ভোট গণনা চলমান রয়েছে।

প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, ঝাপা-৫ আসনে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির এক প্রার্থী এগিয়ে আছেন। সেখানে তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ২৫৪ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএন–ইউএমএল চেয়ারম্যান কেপি শর্মা ওলি পেয়েছেন ১ হাজার ২৪৮ ভোট। আর নেপালি কংগ্রেসের প্রার্থী মান্দারা চামারিয়া পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।

এদিকে রুকুম পূর্ব-১ আসনে শক্ত অবস্থানে এগিয়ে আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহল প্রচণ্ড। নেপালি কমিউনিস্ট পার্টির এই নেতা এখন পর্যন্ত পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কুসুম দেবি থাপা পেয়েছেন ১ হাজার ২৬১ ভোট।

প্রাথমিক ফলাফলের ধারা অব্যাহত থাকলে নেপালের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে এবং গণঅভ্যুত্থান থেকে উঠে আসা শক্তিগুলোই নতুন সরকার গঠনে প্রধান ভূমিকা নিতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নেপালে সরকার গঠনের পথে গণঅভ্যুত্থানকারীরা

আপডেট সময় ০৫:১০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

নেপালের সাধারণ নির্বাচনে ভোট গণনা চলতে থাকলেও প্রাথমিক ফলাফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে তরুণ প্রজন্মের সমর্থিত দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)। গত বছরের সেপ্টেম্বরের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া এই দলটি এখন সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে।

নেপালি সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, প্রাথমিক ভোট গণনায় সারা দেশে ৯৬টি আসনে এগিয়ে রয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি। অনানুষ্ঠানিকভাবে দলটি এরই মধ্যে একটি আসনে জয়ও নিশ্চিত করেছে।

রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র এবং আরএসপির আলোচিত প্রার্থী বালেন শাহ নিজ আসনে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। ফলে নির্বাচনে এখন পর্যন্ত প্রধান শক্তি হিসেবে অবস্থান করছে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি।

অন্যদিকে প্রধান রাজনৈতিক দল নেপালি কংগ্রেস ১২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে এবং একটি আসনে জয় পেয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির দল কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালও (সিপিএন–ইউএমএল) ৯টি আসনে এগিয়ে আছে।

এছাড়া নেপালি কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থীরা ৯টি আসনে এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি এবং শ্রম সংস্কৃতি পার্টি একটি করে আসনে এগিয়ে আছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে নেপালে তরুণদের নেতৃত্বে হওয়া জেন-জি আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। পরে সুশীল কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং তাদের অধীনেই বর্তমান নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

জেন-জি আন্দোলনের পর এটি নেপালের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট পদ্ধতিতে ১৬৫টি আসনের জন্য সারা দেশে মোট ৬৭টি রাজনৈতিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এখনো ভোট গণনা চলমান রয়েছে।

প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, ঝাপা-৫ আসনে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির এক প্রার্থী এগিয়ে আছেন। সেখানে তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ২৫৪ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএন–ইউএমএল চেয়ারম্যান কেপি শর্মা ওলি পেয়েছেন ১ হাজার ২৪৮ ভোট। আর নেপালি কংগ্রেসের প্রার্থী মান্দারা চামারিয়া পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।

এদিকে রুকুম পূর্ব-১ আসনে শক্ত অবস্থানে এগিয়ে আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহল প্রচণ্ড। নেপালি কমিউনিস্ট পার্টির এই নেতা এখন পর্যন্ত পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কুসুম দেবি থাপা পেয়েছেন ১ হাজার ২৬১ ভোট।

প্রাথমিক ফলাফলের ধারা অব্যাহত থাকলে নেপালের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে এবং গণঅভ্যুত্থান থেকে উঠে আসা শক্তিগুলোই নতুন সরকার গঠনে প্রধান ভূমিকা নিতে পারে।