ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন করে হাসপাতালে স্ত্রী সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলতে নেই অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা : এনবিআর চেয়ারম্যান ৪ ঘণ্টা পর জামিন পেলেন বাচ্চাসহ কারাগারে পাঠানো সেই মহিলা লীগ নেত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর আমাকে সংরক্ষিত নারী আসনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল: তাসনিম জারা ইসরায়েলের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশীদারিত্ব চুক্তি স্থগিত চায় তিন দেশ ৫২ দিনে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার, সংসদে রুমিন ফারহানা

নিখোঁজের চার দিন পর ব্যাংক কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নিখোঁজের চার দিন পর জনতা ব্যাংকের এক কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি জনতা ব্যাংকের ভৈরব শাখায় কর্মরত ছিলেন।

বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ এলাকার বিসিক শিল্পনগরীর রেললাইনের পাশের একটি ঝোপ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আলমগীর হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর লম্বাহাটি গ্রামের মৃত আবদুল মজিদ সরদারের ছেলে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আলমগীর গত বছরের আগস্টে ঢাকার একটি শাখা থেকে বদলি হয়ে ভৈরব শাখায় যোগদান করেন। ৫ বছর আগে তিনি কালিকাপ্রসাদ এলাকায় তাসলিমা আক্তার নামে এক শিক্ষিকাকে বিয়ে করেন। তাসলিমা ভৈরবের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তাদের একটি সন্তান আছে। সূত্র জানায়, পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গে কলহ চলছিল।

তাছলিমা আক্তার বলেন, রোববার সকালে আলমগীর ব্যাংকে যাওয়ার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন। রাত পর্যন্ত তিনি বাসায় না ফেরায় আমরা ব্যাংকে খবর নিয়ে জানতে পারি, তিনি ব্যাংকে যাননি। এছাড়া মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় সন্দেহ হয় আমাদের। পরে অনেক স্থানে খোঁজাখুঁজি করার পর না পেয়ে রাতেই থানায় একটি জিডি করি। এরপর গত ৪ দিনে তার খোঁজ মেলেনি। বুধবার কয়েকজন শ্রমিকের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শনাক্ত করে পুলিশকে খবর দেই।

তাছলিমা আক্তার জানান, আলমগীরের সঙ্গে তার কলহ চলমান থাকলেও ওইদিন কোনো ঝগড়া হয়নি।

খবর পেয়ে নিহতের ভাই ওয়াহিদুজ্জামানসহ তার পরিবারের সদস্যরা শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ভৈরব থানায় আসেন। ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, তছলিমার কাছ থেকে খবর পেয়ে আমি ভৈরবে আসি। আমার ভাইয়ের কোনো শত্রু নেই। তার স্ত্রীর সঙ্গে প্রায় সময় ঝগড়া করলে আমাকে জানায়। তবে সে আত্মহত্যা করতে পারে না। আমার ধারণা, তাকে কেউ অপহরণ করে হত্যা করেছে। পুলিশের তদন্তে বিষয়টি উদঘাটন হতে পারে।

ভৈরব থানার ওসি মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকদ বলেন, লাশের পাশে একটি বোতল পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, বোতলটি বিষের ছিল। এক পায়ে সামান্য আঘাতের চিহ্ন আছে। কয়েক দিন আগে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘জিনে ধরায়’ গৃহবধূকে শিকলবন্দি করে নির্যাতন, গ্রেফতার ১

নিখোঁজের চার দিন পর ব্যাংক কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ১১:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নিখোঁজের চার দিন পর জনতা ব্যাংকের এক কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি জনতা ব্যাংকের ভৈরব শাখায় কর্মরত ছিলেন।

বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ এলাকার বিসিক শিল্পনগরীর রেললাইনের পাশের একটি ঝোপ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আলমগীর হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর লম্বাহাটি গ্রামের মৃত আবদুল মজিদ সরদারের ছেলে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আলমগীর গত বছরের আগস্টে ঢাকার একটি শাখা থেকে বদলি হয়ে ভৈরব শাখায় যোগদান করেন। ৫ বছর আগে তিনি কালিকাপ্রসাদ এলাকায় তাসলিমা আক্তার নামে এক শিক্ষিকাকে বিয়ে করেন। তাসলিমা ভৈরবের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তাদের একটি সন্তান আছে। সূত্র জানায়, পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গে কলহ চলছিল।

তাছলিমা আক্তার বলেন, রোববার সকালে আলমগীর ব্যাংকে যাওয়ার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন। রাত পর্যন্ত তিনি বাসায় না ফেরায় আমরা ব্যাংকে খবর নিয়ে জানতে পারি, তিনি ব্যাংকে যাননি। এছাড়া মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় সন্দেহ হয় আমাদের। পরে অনেক স্থানে খোঁজাখুঁজি করার পর না পেয়ে রাতেই থানায় একটি জিডি করি। এরপর গত ৪ দিনে তার খোঁজ মেলেনি। বুধবার কয়েকজন শ্রমিকের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শনাক্ত করে পুলিশকে খবর দেই।

তাছলিমা আক্তার জানান, আলমগীরের সঙ্গে তার কলহ চলমান থাকলেও ওইদিন কোনো ঝগড়া হয়নি।

খবর পেয়ে নিহতের ভাই ওয়াহিদুজ্জামানসহ তার পরিবারের সদস্যরা শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ভৈরব থানায় আসেন। ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, তছলিমার কাছ থেকে খবর পেয়ে আমি ভৈরবে আসি। আমার ভাইয়ের কোনো শত্রু নেই। তার স্ত্রীর সঙ্গে প্রায় সময় ঝগড়া করলে আমাকে জানায়। তবে সে আত্মহত্যা করতে পারে না। আমার ধারণা, তাকে কেউ অপহরণ করে হত্যা করেছে। পুলিশের তদন্তে বিষয়টি উদঘাটন হতে পারে।

ভৈরব থানার ওসি মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকদ বলেন, লাশের পাশে একটি বোতল পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, বোতলটি বিষের ছিল। এক পায়ে সামান্য আঘাতের চিহ্ন আছে। কয়েক দিন আগে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।