ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

চান্দিনায় এক কক্ষে ঝুলছিল মেয়ে, আরেক কক্ষে মায়ের মরদেহ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লার চান্দিনায় একই ঘরের দুই কক্ষ থেকে মা-মেয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে সাত বছরের শিশু সন্তানকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার পর মা নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।

আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চান্দিনা উপজেলার দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়নের সাঁকোচ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

উদ্ধার করা লাশ দুটি মোজাহিদুল ইসলাম মজুমদারের স্ত্রী ফারহানা আক্তারের ও তার মেয়ে ফাছিহার।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দুই মেয়ে ও এক ছেলের মা ফারহানা আক্তার। ছেলে বাবার সঙ্গে ঢাকায় থাকেন। ১০ বছর বয়সী বড় মেয়ে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় আবাসিকে থেকে লেখাপড়া করেন। বাড়িতে শাশুড়ির সঙ্গে ছোট মেয়েকে নিয়ে থাকতেন ফারহানা। রোববার সকালে তালিম দিতে বাড়ি থেকে বের হন শাশুড়ি কদরবানু। দুপুরে কদরবানু বাড়ি ফিরে তার টিনের ঘরের দরজা জানালা বন্ধ থাকায় বাইরে থেকে ডাকাডাকি করেন। বেশ কিছুক্ষণ ডাকার পরও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে আশপাশের মানুষকে ডাকেন।

প্রতিবেশী রাসেল মজুমদার বলেন, ‘ঘরের দরজা জানালা বন্ধ দেখে আমরা বাধ্য হয়ে একটি জালানা ভেঙে দেখি একটি কক্ষে শিশুটির ঝুলন্ত লাশ। ঘরের ভেতরে ঢুকে দেখি আরকপক্ষে নারীর ঝুলন্ত লাশ। পরে আমরা থানায় খবর দেই। ধারণা করা হচ্ছে শিশু সন্তানকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে নিজেও আত্মহত্যা করেছে গৃহবধূ।’

ফারহানার শাশুড়ি কদরবানু জানান, বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ও ফারহানা স্বাভাবিক ছিলেন। কী কারণে হঠাৎ তিনি আত্মহত্যা করেছেন বুঝতে পারছেন না তারা।

চান্দিনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমানের ভাষ্য, ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা জানতে পারেন একই ঘরের দুই কক্ষে মা-মেয়ের ঝুলন্ত লাশ ছিল। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা লাশ দুটি ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে রেখেছিলেন। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

চান্দিনায় এক কক্ষে ঝুলছিল মেয়ে, আরেক কক্ষে মায়ের মরদেহ

আপডেট সময় ০৯:৪২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লার চান্দিনায় একই ঘরের দুই কক্ষ থেকে মা-মেয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে সাত বছরের শিশু সন্তানকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার পর মা নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।

আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চান্দিনা উপজেলার দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়নের সাঁকোচ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

উদ্ধার করা লাশ দুটি মোজাহিদুল ইসলাম মজুমদারের স্ত্রী ফারহানা আক্তারের ও তার মেয়ে ফাছিহার।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দুই মেয়ে ও এক ছেলের মা ফারহানা আক্তার। ছেলে বাবার সঙ্গে ঢাকায় থাকেন। ১০ বছর বয়সী বড় মেয়ে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় আবাসিকে থেকে লেখাপড়া করেন। বাড়িতে শাশুড়ির সঙ্গে ছোট মেয়েকে নিয়ে থাকতেন ফারহানা। রোববার সকালে তালিম দিতে বাড়ি থেকে বের হন শাশুড়ি কদরবানু। দুপুরে কদরবানু বাড়ি ফিরে তার টিনের ঘরের দরজা জানালা বন্ধ থাকায় বাইরে থেকে ডাকাডাকি করেন। বেশ কিছুক্ষণ ডাকার পরও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে আশপাশের মানুষকে ডাকেন।

প্রতিবেশী রাসেল মজুমদার বলেন, ‘ঘরের দরজা জানালা বন্ধ দেখে আমরা বাধ্য হয়ে একটি জালানা ভেঙে দেখি একটি কক্ষে শিশুটির ঝুলন্ত লাশ। ঘরের ভেতরে ঢুকে দেখি আরকপক্ষে নারীর ঝুলন্ত লাশ। পরে আমরা থানায় খবর দেই। ধারণা করা হচ্ছে শিশু সন্তানকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে নিজেও আত্মহত্যা করেছে গৃহবধূ।’

ফারহানার শাশুড়ি কদরবানু জানান, বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ও ফারহানা স্বাভাবিক ছিলেন। কী কারণে হঠাৎ তিনি আত্মহত্যা করেছেন বুঝতে পারছেন না তারা।

চান্দিনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমানের ভাষ্য, ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা জানতে পারেন একই ঘরের দুই কক্ষে মা-মেয়ের ঝুলন্ত লাশ ছিল। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা লাশ দুটি ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে রেখেছিলেন। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।