ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যৌথভাবে রাফাল যুদ্ধবিমান উৎপাদনে ফ্রান্স ও ভারত: ম্যাক্রোঁ

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন যুগে প্রবেশ করছে ফ্রান্স ও ভারত। দেশ দুটি যৌথভাবে রাফাল যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

গতকাল বৃহস্পতিবার তিন দিনের ভারত সফর শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

ম্যাক্রোঁ আরও বলেন, ভারতের আরও ১১৪টি দাসো রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের নতুন অগ্রগতি। এগুলো যৌথভাবে উৎপাদন করা হবে। সাবমেরিন খাতেও একই ধরনের অগ্রগতি দেখতে চায় ফ্রান্স।

তবে রাফাল চুক্তি ও যৌথ উৎপাদনের পরিকল্পনা সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। কারিগরি ও বাণিজ্যিক আলোচনা শেষ হওয়ার পর চুক্তিটি চূড়ান্ত হবে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ফরাসি বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দাসো অ্যাভিয়েশনের তৈরি ১১৪টি যুদ্ধবিমানের সম্ভাব্য মূল্য হতে পারে ৩ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন রুপি, যা প্রায় ৩৫ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল ইতোমধ্যে বিমানবাহিনীর জন্য আরও ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে। একই বৈঠকে অন্যান্য যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের বিষয়েও নীতিগত সম্মতি দেওয়া হয়।

বর্তমানে ভারতের বিমানবাহিনীর বহরে ৩৬টি রাফাল রয়েছে। এর বাইরে নৌবাহিনীর জন্য একই মডেলের ২৬টি সামুদ্রিক সংস্করণের যুদ্ধবিমান কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন ১১৪টি যুক্ত হলে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদার হবে বলে।

কয়েক দশকের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের সবচেয়ে তীব্র সামরিক উত্তেজনার কয়েক মাস পর ভারত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যৌথভাবে রাফাল যুদ্ধবিমান উৎপাদনে ফ্রান্স ও ভারত: ম্যাক্রোঁ

আপডেট সময় ০৫:৩৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন যুগে প্রবেশ করছে ফ্রান্স ও ভারত। দেশ দুটি যৌথভাবে রাফাল যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

গতকাল বৃহস্পতিবার তিন দিনের ভারত সফর শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

ম্যাক্রোঁ আরও বলেন, ভারতের আরও ১১৪টি দাসো রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের নতুন অগ্রগতি। এগুলো যৌথভাবে উৎপাদন করা হবে। সাবমেরিন খাতেও একই ধরনের অগ্রগতি দেখতে চায় ফ্রান্স।

তবে রাফাল চুক্তি ও যৌথ উৎপাদনের পরিকল্পনা সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। কারিগরি ও বাণিজ্যিক আলোচনা শেষ হওয়ার পর চুক্তিটি চূড়ান্ত হবে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ফরাসি বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দাসো অ্যাভিয়েশনের তৈরি ১১৪টি যুদ্ধবিমানের সম্ভাব্য মূল্য হতে পারে ৩ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন রুপি, যা প্রায় ৩৫ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল ইতোমধ্যে বিমানবাহিনীর জন্য আরও ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে। একই বৈঠকে অন্যান্য যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের বিষয়েও নীতিগত সম্মতি দেওয়া হয়।

বর্তমানে ভারতের বিমানবাহিনীর বহরে ৩৬টি রাফাল রয়েছে। এর বাইরে নৌবাহিনীর জন্য একই মডেলের ২৬টি সামুদ্রিক সংস্করণের যুদ্ধবিমান কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন ১১৪টি যুক্ত হলে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদার হবে বলে।

কয়েক দশকের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের সবচেয়ে তীব্র সামরিক উত্তেজনার কয়েক মাস পর ভারত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।