ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় ১১ জন নিহত

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ১১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়াও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন গোষ্ঠী হামাসের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায় ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

স্থানীয় চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুত পরিবারের একটি শিবিরে বিমান হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, খান ইউনিসে আরেকটি হামলায় আরও পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

এছাড়াও গাজা শহরের তেল আল-হাওয়া এলাকায় হামাসের মিত্র গোষ্ঠী ইসলামিক জিহাদের এক কমান্ডারকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গাজায় হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের ওপর নতুন এই ‌‌গণহত্যার জন্য ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসের প্রথম বৈঠকের মাত্র কয়েক দিন আগে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে তিনি যুদ্ধবিরতি চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন কর্মকর্তা এসব হামলা ‌‌সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস গত অক্টোবরে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার লঙ্ঘন করেছে।

ইসরায়েল ও হামাস একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে। গাজা যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান অংশ ছিল এই চুক্তি। কয়েক দশক ধরে চলা ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘাতের মাঝে এবারের এই যুদ্ধকে সবচেয়ে প্রাণঘাতী এবং ধ্বংসাত্মক বলা হচ্ছে।

ইসরায়েলি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। হামাসের ওই হামলায় এক হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, এরপর থেকে গাজায় ইসরায়েলের বিমান ও স্থল হামলায় এখন পর্যন্ত ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত ও আরও হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমানকে ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জামায়াত আমিরের

গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় ১১ জন নিহত

আপডেট সময় ১১:৩১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ১১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়াও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন গোষ্ঠী হামাসের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায় ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

স্থানীয় চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুত পরিবারের একটি শিবিরে বিমান হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, খান ইউনিসে আরেকটি হামলায় আরও পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

এছাড়াও গাজা শহরের তেল আল-হাওয়া এলাকায় হামাসের মিত্র গোষ্ঠী ইসলামিক জিহাদের এক কমান্ডারকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গাজায় হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের ওপর নতুন এই ‌‌গণহত্যার জন্য ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসের প্রথম বৈঠকের মাত্র কয়েক দিন আগে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে তিনি যুদ্ধবিরতি চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন কর্মকর্তা এসব হামলা ‌‌সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস গত অক্টোবরে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার লঙ্ঘন করেছে।

ইসরায়েল ও হামাস একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে। গাজা যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান অংশ ছিল এই চুক্তি। কয়েক দশক ধরে চলা ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘাতের মাঝে এবারের এই যুদ্ধকে সবচেয়ে প্রাণঘাতী এবং ধ্বংসাত্মক বলা হচ্ছে।

ইসরায়েলি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। হামাসের ওই হামলায় এক হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, এরপর থেকে গাজায় ইসরায়েলের বিমান ও স্থল হামলায় এখন পর্যন্ত ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত ও আরও হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।