ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ : সাইমন ড্যানজাক শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন শাহরাস্তিতে ধর্ষণের শিকার শিশু ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত আটক সংসদে প্রবেশে মাথা ঝোঁকানোতে আপত্তি জামায়াত এমপির বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান কারাগারে খেলা শেষ হওয়ার ২ ঘণ্টার মধ্যে আমেরিকা ছাড়ার নির্দেশ ইরানকে নিখোঁজের চার দিন পর সাগরতীরে মিলল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মমতা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করলে ইরানে নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে চান শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী

সামাজিক মাধ্যম থেকে খেলোয়াড়দের দূরে থাকার পরামর্শ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গত আসরে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল নেপাল। অল্পের জন্য ইতিহাস গড়া হয়নি। এবারের আসরেও শুরুতে চমক দেখালেও নবাগত ইতালির কাছে বড় হার হেরেছে তারা। টানা দুই হারের পর সি গ্রুপের তলানিতে নেমে গেছে দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আজ রবিবার বাঁচামরার ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিলেন কোচ স্টুয়ার্ট ল সামাজিক মাধ্যম থেকে দূরে থাকো।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল নেপাল। মাত্র চার রানে হারতে হয়। কিন্তু ইতালির বিপক্ষে ম্যাচে একেবারেই দাঁড়াতে পারেনি দল। ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারতে হয়।

সামাজিক মাধ্যমের বিশাল বিভ্রান্তির কথা তুলে ধরে ল বলেন এখন আমাদের দেখতে হবে ইংল্যান্ড ও ইতালি ম্যাচের মধ্যে এত পার্থক্য কেন হলো। সেই কারণ খুঁজে বের করাই সবচেয়ে জরুরি।

বাংলাদেশের সাবেক এই কোচ বলেন সামাজিক মাধ্যম নেপালের সংস্কৃতির অংশ হলেও এটা বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। আপনি যদি কে কী বলছে সেটা নিয়ে বেশি ভাবেন আর দলের কী প্রয়োজন, সতীর্থরা কী বলছে সেদিকে মনোযোগ না দেন তাহলে আসল কাজ থেকে ছিটকে যাবেন।

অস্ট্রেলিয়ান কোচ আরও বলেন অনেক খেলোয়াড় এনডোর্সমেন্ট ও স্পন্সরশিপের জন্য সামাজিক মাধ্যমের ওপর নির্ভর করে এটা তিনি বোঝেন। তবে তার মতে বিশ্বকাপে ক্রিকেটই প্রধান বিষয়। তিনি খেলোয়াড়দের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে মাঠে জয়ের ধারায় থাকলে এমনিতেই লাইক আসবে।

স্টুয়ার্ট ল বলেন নেপালে ক্রিকেট এগিয়ে যাচ্ছে এটা দেখাতে পারলে বারবার নিজের মুখ দেখানোর দরকার নেই। তখন সোশ্যাল মিডিয়াতেই জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী হবে। নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগের ডাইনোসর উল্লেখ করে তিনি বলেন এর নেতিবাচক প্রভাব তিনি বোঝেন তবে ইতিবাচক দিক পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেন না। তাই খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে কাজ করছেন যাতে তারা এক নম্বরে ক্রিকেটে মনোযোগ দেয়।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন যখন তোমরা ক্রিকেটের ভেতরে থাকো তখন শুধু ক্রিকেটটাই খেলো। বাকি সব বাজে কথা আর বাজে কাজ মাঠের বাইরে রাখো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ : সাইমন ড্যানজাক

সামাজিক মাধ্যম থেকে খেলোয়াড়দের দূরে থাকার পরামর্শ

আপডেট সময় ০১:০৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গত আসরে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল নেপাল। অল্পের জন্য ইতিহাস গড়া হয়নি। এবারের আসরেও শুরুতে চমক দেখালেও নবাগত ইতালির কাছে বড় হার হেরেছে তারা। টানা দুই হারের পর সি গ্রুপের তলানিতে নেমে গেছে দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আজ রবিবার বাঁচামরার ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিলেন কোচ স্টুয়ার্ট ল সামাজিক মাধ্যম থেকে দূরে থাকো।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল নেপাল। মাত্র চার রানে হারতে হয়। কিন্তু ইতালির বিপক্ষে ম্যাচে একেবারেই দাঁড়াতে পারেনি দল। ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারতে হয়।

সামাজিক মাধ্যমের বিশাল বিভ্রান্তির কথা তুলে ধরে ল বলেন এখন আমাদের দেখতে হবে ইংল্যান্ড ও ইতালি ম্যাচের মধ্যে এত পার্থক্য কেন হলো। সেই কারণ খুঁজে বের করাই সবচেয়ে জরুরি।

বাংলাদেশের সাবেক এই কোচ বলেন সামাজিক মাধ্যম নেপালের সংস্কৃতির অংশ হলেও এটা বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। আপনি যদি কে কী বলছে সেটা নিয়ে বেশি ভাবেন আর দলের কী প্রয়োজন, সতীর্থরা কী বলছে সেদিকে মনোযোগ না দেন তাহলে আসল কাজ থেকে ছিটকে যাবেন।

অস্ট্রেলিয়ান কোচ আরও বলেন অনেক খেলোয়াড় এনডোর্সমেন্ট ও স্পন্সরশিপের জন্য সামাজিক মাধ্যমের ওপর নির্ভর করে এটা তিনি বোঝেন। তবে তার মতে বিশ্বকাপে ক্রিকেটই প্রধান বিষয়। তিনি খেলোয়াড়দের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে মাঠে জয়ের ধারায় থাকলে এমনিতেই লাইক আসবে।

স্টুয়ার্ট ল বলেন নেপালে ক্রিকেট এগিয়ে যাচ্ছে এটা দেখাতে পারলে বারবার নিজের মুখ দেখানোর দরকার নেই। তখন সোশ্যাল মিডিয়াতেই জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী হবে। নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগের ডাইনোসর উল্লেখ করে তিনি বলেন এর নেতিবাচক প্রভাব তিনি বোঝেন তবে ইতিবাচক দিক পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেন না। তাই খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে কাজ করছেন যাতে তারা এক নম্বরে ক্রিকেটে মনোযোগ দেয়।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন যখন তোমরা ক্রিকেটের ভেতরে থাকো তখন শুধু ক্রিকেটটাই খেলো। বাকি সব বাজে কথা আর বাজে কাজ মাঠের বাইরে রাখো।