ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাত বছরের কারাদণ্ড

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত বৃহস্পতিবার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লি সাং-মিনকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশকে সামরিক আইনের আওতায় আনার ব্যর্থ প্রচেষ্টায় ভূমিকা রাখার জন্য সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ৬১ বছর বয়সী লিকে পুলিশ এবং দমকল সংস্থাগুলোকে মিডিয়া আউটলেটগুলিতে বিদ্যুৎ ও পানি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে বিদ্রোহে অংশ নেওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছে। বিচারক বলেন, ইউনের অভিশংসন কার্যক্রমের সময় তিনি এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করেছিলেন বলে অস্বীকার করে তিনি মিথ্যা শপথও করেছেন।

বিচারক রিউ কিউং-জিন বলেছেন, ‘সরকারের সমালোচক গণমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে শারীরিক শক্তি প্রয়োগ জনসাধারণের বিদ্রোহবিরোধী মনোভাবকে দুর্বল করে দেয়, ফলে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা আরও সহজ হয়ে পড়ে।’

বিশেষ প্রসিকিউটররা গত মাসে লির বিরুদ্ধে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দাবি করেন। তাদের যুক্তি ছিল, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্রোহকে কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে লি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুমোদন করার পর থেকে গত আগস্ট মাস থেকে তিনি হেফাজতে রয়েছেন।

এর আগে জানুয়ারিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সামরিক আইন ঘোষণায় ভূমিকা রাখার অভিযোগে দণ্ডিত ইউনের মন্ত্রিসভার তিনি দ্বিতীয় সদস্য।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সামরিক আইন জারি করেন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক–ইওল। বলা হয়, এর মাধ্যমে দেশকে বড় ধরনের সংকটের মুখে ঠেলে দেন ইউন।

তবে তীব্র প্রতিবাদের মুখে সামরিক আইন জারির মাত্র ছয় ঘণ্টার মাথায় তা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন তিনি।

এ ঘটনার জেরে ১৪ ডিসেম্বর ইউনকে পার্লামেন্টে অভিশংসন করা হয় এবং প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরের বছর ১৫ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীকে দিয়ে গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা করেন ইউন। পরে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মরিশাসে ভারী কাচের বাক্সের নিচে চাপা পড়ে তিন বাংলাদেশির মৃত্যু

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাত বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০১:৪১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত বৃহস্পতিবার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লি সাং-মিনকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশকে সামরিক আইনের আওতায় আনার ব্যর্থ প্রচেষ্টায় ভূমিকা রাখার জন্য সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ৬১ বছর বয়সী লিকে পুলিশ এবং দমকল সংস্থাগুলোকে মিডিয়া আউটলেটগুলিতে বিদ্যুৎ ও পানি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে বিদ্রোহে অংশ নেওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছে। বিচারক বলেন, ইউনের অভিশংসন কার্যক্রমের সময় তিনি এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করেছিলেন বলে অস্বীকার করে তিনি মিথ্যা শপথও করেছেন।

বিচারক রিউ কিউং-জিন বলেছেন, ‘সরকারের সমালোচক গণমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে শারীরিক শক্তি প্রয়োগ জনসাধারণের বিদ্রোহবিরোধী মনোভাবকে দুর্বল করে দেয়, ফলে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা আরও সহজ হয়ে পড়ে।’

বিশেষ প্রসিকিউটররা গত মাসে লির বিরুদ্ধে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দাবি করেন। তাদের যুক্তি ছিল, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্রোহকে কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে লি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুমোদন করার পর থেকে গত আগস্ট মাস থেকে তিনি হেফাজতে রয়েছেন।

এর আগে জানুয়ারিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সামরিক আইন ঘোষণায় ভূমিকা রাখার অভিযোগে দণ্ডিত ইউনের মন্ত্রিসভার তিনি দ্বিতীয় সদস্য।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সামরিক আইন জারি করেন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক–ইওল। বলা হয়, এর মাধ্যমে দেশকে বড় ধরনের সংকটের মুখে ঠেলে দেন ইউন।

তবে তীব্র প্রতিবাদের মুখে সামরিক আইন জারির মাত্র ছয় ঘণ্টার মাথায় তা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন তিনি।

এ ঘটনার জেরে ১৪ ডিসেম্বর ইউনকে পার্লামেন্টে অভিশংসন করা হয় এবং প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরের বছর ১৫ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীকে দিয়ে গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা করেন ইউন। পরে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।