ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

জামায়াত নেতা ভোট কিনতে গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালালেন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

সিরাজগঞ্জ-২ আসনের কামারখন্দে ভোট কিনতে গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে জামায়াত নেতার দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইউনিয়নের ময়নাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

এছাড়া একই উপজেলার চৌবাড়ী গ্রামে রায়দৌলতপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল মোমিনকে টাকাসহ আটক করেছে স্থানীয়রা।

অভিযুক্ত উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর আমির মোস্তাক সরকার।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, মোস্তাক সরকার একজনকে টাকা দিচ্ছেন, ঠিক সেই মুহুর্তে সেখানে গিয়ে কিছু লোকজন তার ভিডিও করতে থাকেন। ওই সময় মোস্তাক সরকার দৌড়ে পালাতে থাকেন। স্থানীয়রাও তার পিছু নিয়ে ধাওয়া করেন। কিন্ত শেষ পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

আরেক ভিডিওতে দেখা যায় কিছু জনতা জামায়াত নেতা আব্দুল মোমিনকে পথের মধ্যে আটক করেন। পরে তাকে তল্লাশী করে টাকার সন্ধান পায়। খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে যান। এ সময় দুপক্ষের কথা শুনেন এবং টাকাগুলো জামায়াত নেতা কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছেন বলে দাবি করেন। পরে তাকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং আটককারীদের লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ-কামারখন্দ) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলামের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলেন, ভোটের আগে কেন্দ্র খরচসহ নেতাকর্মীদের অন্যান্য টাকা দিতে হয়। ওই টাকাতো কেন্দ্র খরচের টাকাও হতে পারে। ভয়ে হয়তো ওই জামায়াত নেতা দৌড় দিয়েছেন। ভোট কেনার তথ্য সত্য নয়।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, কামারখন্দ উপজেলায় টাকা দিয়ে ভোট কিনতে গিয়ে জামায়াত নেতার দৌড় দিয়ে পালানোর ভিডিওটি দেখেছি। শুধু কামারখন্দ উপজেলায় নয়, তারা বিভিন্ন স্থানে একই ধরনের কাজ করছে বলে খবর পাচ্ছি। এছাড়াও তারা সাধারণ ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলেও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

জামায়াত নেতা ভোট কিনতে গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালালেন

আপডেট সময় ০৭:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

সিরাজগঞ্জ-২ আসনের কামারখন্দে ভোট কিনতে গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে জামায়াত নেতার দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইউনিয়নের ময়নাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

এছাড়া একই উপজেলার চৌবাড়ী গ্রামে রায়দৌলতপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল মোমিনকে টাকাসহ আটক করেছে স্থানীয়রা।

অভিযুক্ত উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর আমির মোস্তাক সরকার।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, মোস্তাক সরকার একজনকে টাকা দিচ্ছেন, ঠিক সেই মুহুর্তে সেখানে গিয়ে কিছু লোকজন তার ভিডিও করতে থাকেন। ওই সময় মোস্তাক সরকার দৌড়ে পালাতে থাকেন। স্থানীয়রাও তার পিছু নিয়ে ধাওয়া করেন। কিন্ত শেষ পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

আরেক ভিডিওতে দেখা যায় কিছু জনতা জামায়াত নেতা আব্দুল মোমিনকে পথের মধ্যে আটক করেন। পরে তাকে তল্লাশী করে টাকার সন্ধান পায়। খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে যান। এ সময় দুপক্ষের কথা শুনেন এবং টাকাগুলো জামায়াত নেতা কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছেন বলে দাবি করেন। পরে তাকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং আটককারীদের লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ-কামারখন্দ) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলামের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলেন, ভোটের আগে কেন্দ্র খরচসহ নেতাকর্মীদের অন্যান্য টাকা দিতে হয়। ওই টাকাতো কেন্দ্র খরচের টাকাও হতে পারে। ভয়ে হয়তো ওই জামায়াত নেতা দৌড় দিয়েছেন। ভোট কেনার তথ্য সত্য নয়।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, কামারখন্দ উপজেলায় টাকা দিয়ে ভোট কিনতে গিয়ে জামায়াত নেতার দৌড় দিয়ে পালানোর ভিডিওটি দেখেছি। শুধু কামারখন্দ উপজেলায় নয়, তারা বিভিন্ন স্থানে একই ধরনের কাজ করছে বলে খবর পাচ্ছি। এছাড়াও তারা সাধারণ ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলেও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।