ঢাকা ০১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামিসা হত্যার রায় তিন মাসের মধ্যে কার্যকর সম্ভব : আইনমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী পরিকল্পনা আছে: মাহদী আমিন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী রায়ে সন্তুষ্ট রামিসার বাবা, দ্রুত কার্যকরের দাবি সোহেলকে ৫ লাখ, স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, পাবেন রামিসার ওয়ারিশরা ব্যাংকখাতে সুশাসন নিশ্চিতে সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : তথ্যমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন হতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে ইউক্রেনের ‘নজিরবিহীন’ ড্রোন হামলা

নির্বাচনে ৬৫-৭০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি আনোয়ারুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি হতে পারে বলে আশা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে তরুণ ও নারী ভোটারদের মধ্যে ভোট দেওয়ার যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, তাতে ভোটের হার ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটি। এর মধ্যে প্রায় ৪ কোটিই তরুণ ভোটার। এই বিশালসংখ্যক তরুণকে ভোটকেন্দ্রমুখী করতে কমিশন বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এমনকি তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে নিবন্ধনের সময় ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।

তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভোট দেওয়ার স্পৃহা এবার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। যদি এই ৪ কোটি তরুণের একটি বড় অংশ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়, তবে ভোট কাস্টিংয়ের হারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

মোট ১৩ কোটি ভোটারের প্রায় অর্ধেকই নারী। বিগত নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রচার-প্রচারণা ও কেন্দ্রে উপস্থিতির ক্ষেত্রে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। এবার সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নারী ভোটারদের এই উদ্দীপনা ভোটের দিনে বজায় থাকলে তা মোট শতাংশে বড় প্রভাব ফেলবে।

সুনির্দিষ্টভাবে সংখ্যা বলা কঠিন হলেও অতীতের উল্লেখযোগ্য নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতার আলোকে এই ব্যক্তিগত ধারণা ব্যক্ত করেন আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি জানান, পরিবেশ ও পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তুঙ্গে রয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রচার-প্রচারণার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার যে মানসিকতা তৈরি হয়েছে, তাকেই এই ইতিবাচক পরিবর্তনের মূল কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রামিসা হত্যার রায় তিন মাসের মধ্যে কার্যকর সম্ভব : আইনমন্ত্রী

নির্বাচনে ৬৫-৭০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি আনোয়ারুল

আপডেট সময় ১১:০০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি হতে পারে বলে আশা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে তরুণ ও নারী ভোটারদের মধ্যে ভোট দেওয়ার যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, তাতে ভোটের হার ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটি। এর মধ্যে প্রায় ৪ কোটিই তরুণ ভোটার। এই বিশালসংখ্যক তরুণকে ভোটকেন্দ্রমুখী করতে কমিশন বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এমনকি তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে নিবন্ধনের সময় ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।

তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভোট দেওয়ার স্পৃহা এবার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। যদি এই ৪ কোটি তরুণের একটি বড় অংশ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়, তবে ভোট কাস্টিংয়ের হারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

মোট ১৩ কোটি ভোটারের প্রায় অর্ধেকই নারী। বিগত নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রচার-প্রচারণা ও কেন্দ্রে উপস্থিতির ক্ষেত্রে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। এবার সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নারী ভোটারদের এই উদ্দীপনা ভোটের দিনে বজায় থাকলে তা মোট শতাংশে বড় প্রভাব ফেলবে।

সুনির্দিষ্টভাবে সংখ্যা বলা কঠিন হলেও অতীতের উল্লেখযোগ্য নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতার আলোকে এই ব্যক্তিগত ধারণা ব্যক্ত করেন আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি জানান, পরিবেশ ও পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তুঙ্গে রয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রচার-প্রচারণার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার যে মানসিকতা তৈরি হয়েছে, তাকেই এই ইতিবাচক পরিবর্তনের মূল কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি।