ঢাকা ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এবার ট্রাম্পকে পাল্টা খোঁচা ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁকে প্রায়ই খোঁচা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার ট্রাম্পকে পাল্টা খোঁচা দিলেন মাক্রোঁ। শুধু তা-ই নয়, ট্রাম্প প্রশাসনের বিবিধ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের সঙ্গে কার্যত এক আসনে বসালেন তিনি।

চলতি বছরের শেষে আমেরিকা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে পারে বলেও ভবিষ্যদ্বাণী করলেন ম্যাক্রোঁ।

মঙ্গলবার ‘ফিন্যানসিয়াল টাইমস’-কে সাক্ষাৎকার দেন ম্যাক্রোঁ। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমরা চীনের সুনামির মুখোমুখি হচ্ছি। অন্যদিকে, আমেরিকার দিক থেকে বারবার স্থিতাবস্থা নড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

ট্রাম্প প্রশাসনকে সরাসরি ‘ইউরোপ-বিরোধী’ বলেও তোপ দাগেন তিনি। ট্রাম্পের নাম উল্লেখ না করেই ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, “যখন আগ্রাসি আচরণ করা হবে, তখন মাথা নত করা ঠিক নয়। বোঝাপড়ায় আসাও উচিত নয়।”

ফ্রান্স, স্পেনের মতে ইউরোপের বেশ কিছু দেশ শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা করেছে। এই সিদ্ধান্তকে আমেরিকা যে ভালভাবে নিচ্ছে না, তা আকারে-ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস।

ম্যাক্রোঁর দাবি, বছরের শেষে এই বিষয়টিকে নিয়ে সংঘাতের পথে হাঁটতে পারেন ট্রাম্প। এই প্রসঙ্গে অবশ্য আমেরিকাকে কঠোর বার্তা দিয়ে ম্যাক্রোঁ বলেন, “ইউরোপীয়দের বলা উচিত যে, আমাদের শিশুদের মাথা বিক্রির জন্য নয়। আমাদের শিশুদের আবেগকে ব্যবহার করে আমেরিকা কিংবা চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো অর্থ উপার্জন করতে পারে না।”

প্রসঙ্গত, এর আগে একাধিকবার ম্যাক্রোঁকে কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প। গাজায় শান্তি ফেরানোর জন্য তার প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দিতে রাজি না হওয়ায় ফ্রান্সের ওয়াইন এবং শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। এর পাশাপাশি আমেরিকার গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের দাবি সমর্থন না করায় ইউরোপের আটটি দেশের পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন তিনি। এই আটটি দেশের মধ্যে ফ্রান্সও রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এবার ট্রাম্পকে পাল্টা খোঁচা ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর

আপডেট সময় ০৬:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁকে প্রায়ই খোঁচা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার ট্রাম্পকে পাল্টা খোঁচা দিলেন মাক্রোঁ। শুধু তা-ই নয়, ট্রাম্প প্রশাসনের বিবিধ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের সঙ্গে কার্যত এক আসনে বসালেন তিনি।

চলতি বছরের শেষে আমেরিকা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে পারে বলেও ভবিষ্যদ্বাণী করলেন ম্যাক্রোঁ।

মঙ্গলবার ‘ফিন্যানসিয়াল টাইমস’-কে সাক্ষাৎকার দেন ম্যাক্রোঁ। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমরা চীনের সুনামির মুখোমুখি হচ্ছি। অন্যদিকে, আমেরিকার দিক থেকে বারবার স্থিতাবস্থা নড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

ট্রাম্প প্রশাসনকে সরাসরি ‘ইউরোপ-বিরোধী’ বলেও তোপ দাগেন তিনি। ট্রাম্পের নাম উল্লেখ না করেই ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, “যখন আগ্রাসি আচরণ করা হবে, তখন মাথা নত করা ঠিক নয়। বোঝাপড়ায় আসাও উচিত নয়।”

ফ্রান্স, স্পেনের মতে ইউরোপের বেশ কিছু দেশ শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা করেছে। এই সিদ্ধান্তকে আমেরিকা যে ভালভাবে নিচ্ছে না, তা আকারে-ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস।

ম্যাক্রোঁর দাবি, বছরের শেষে এই বিষয়টিকে নিয়ে সংঘাতের পথে হাঁটতে পারেন ট্রাম্প। এই প্রসঙ্গে অবশ্য আমেরিকাকে কঠোর বার্তা দিয়ে ম্যাক্রোঁ বলেন, “ইউরোপীয়দের বলা উচিত যে, আমাদের শিশুদের মাথা বিক্রির জন্য নয়। আমাদের শিশুদের আবেগকে ব্যবহার করে আমেরিকা কিংবা চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো অর্থ উপার্জন করতে পারে না।”

প্রসঙ্গত, এর আগে একাধিকবার ম্যাক্রোঁকে কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প। গাজায় শান্তি ফেরানোর জন্য তার প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দিতে রাজি না হওয়ায় ফ্রান্সের ওয়াইন এবং শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। এর পাশাপাশি আমেরিকার গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের দাবি সমর্থন না করায় ইউরোপের আটটি দেশের পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন তিনি। এই আটটি দেশের মধ্যে ফ্রান্সও রয়েছে।